ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ

ইসলামে বৃহস্পতিবার রাত, অর্থাৎ জুমার রাত, বিশেষ ফজিলতপূর্ণ। এই রাতে বান্দার দোয়া আল্লাহ তাআলা অধিক গ্রহণ করেন। হাদিসে এসেছে—রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা জুমার রাতে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ, এ রাতে তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।’ (সুনান দারিমি: ২৭৯১)
এ ছাড়া জুমার দিন ও রাতের একটি সময়ে বান্দার দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। তাই এই রাত ইবাদত, জিকির ও দোয়ার মাধ্যমে কাটানো অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
বৃহস্পতিবার রাতের বিশেষ আমলসমূহ—
১. কোরআন তিলাওয়াত: সুরা কাহাফ, সুরা ইয়াসিন পড়া উত্তম। সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস তিনবার করে পড়া উচিত।
২. দরুদ শরিফ পাঠ: দরুদে ইবরাহিম বা অন্য দরুদ বেশি বেশি পড়তে হবে। অন্তত ১০০ বার দরুদ শরিফ পড়লে অনেক সওয়াব পাওয়া যায়।
৩. ইস্তিগফার ও তাওবা: পড়তে হবে—‘আস্তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি। লা হাওলা ওয়া কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহিল আলিইয়িল আজিম।’
৪. জিকির: সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার। আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার। আল্লাহু আকবর ৩৪ বার।
৫. বিশেষ দোয়া: দোয়ায়ে ইউনুস—‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ-জালিমিন।’
হাজতের দোয়া—আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা ওয়া রাহমাতিকা ফা-ইন্নাহু লা ইয়ামলিকুহা ইল্লা আনতা
৬. নফল নামাজ: ২ রাকাত সালাতুল হাজত পড়ে দোয়া করা। রাতের শেষ ভাগে তাহাজ্জুদ আদায় করা।
৭. দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা: নিজের, পরিবারের এবং পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করা। রোগমুক্তি, রিজিকের বরকত ও গুনাহ মাফের দোয়া করা।
পরিশেষে, বৃহস্পতিবার রাতকে ইবাদত, তিলাওয়াত, দরুদ, ইস্তিগফার ও দোয়ায় পরিপূর্ণ করলে আল্লাহর রহমত লাভ করা যায়। এই রাত হলো দোয়া কবুলের বিশেষ সময়, তাই এটিকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানো প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য।
লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি।

ইসলামে বৃহস্পতিবার রাত, অর্থাৎ জুমার রাত, বিশেষ ফজিলতপূর্ণ। এই রাতে বান্দার দোয়া আল্লাহ তাআলা অধিক গ্রহণ করেন। হাদিসে এসেছে—রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা জুমার রাতে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ, এ রাতে তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।’ (সুনান দারিমি: ২৭৯১)
এ ছাড়া জুমার দিন ও রাতের একটি সময়ে বান্দার দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। তাই এই রাত ইবাদত, জিকির ও দোয়ার মাধ্যমে কাটানো অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
বৃহস্পতিবার রাতের বিশেষ আমলসমূহ—
১. কোরআন তিলাওয়াত: সুরা কাহাফ, সুরা ইয়াসিন পড়া উত্তম। সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস তিনবার করে পড়া উচিত।
২. দরুদ শরিফ পাঠ: দরুদে ইবরাহিম বা অন্য দরুদ বেশি বেশি পড়তে হবে। অন্তত ১০০ বার দরুদ শরিফ পড়লে অনেক সওয়াব পাওয়া যায়।
৩. ইস্তিগফার ও তাওবা: পড়তে হবে—‘আস্তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি। লা হাওলা ওয়া কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহিল আলিইয়িল আজিম।’
৪. জিকির: সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার। আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার। আল্লাহু আকবর ৩৪ বার।
৫. বিশেষ দোয়া: দোয়ায়ে ইউনুস—‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ-জালিমিন।’
হাজতের দোয়া—আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা ওয়া রাহমাতিকা ফা-ইন্নাহু লা ইয়ামলিকুহা ইল্লা আনতা
৬. নফল নামাজ: ২ রাকাত সালাতুল হাজত পড়ে দোয়া করা। রাতের শেষ ভাগে তাহাজ্জুদ আদায় করা।
৭. দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা: নিজের, পরিবারের এবং পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করা। রোগমুক্তি, রিজিকের বরকত ও গুনাহ মাফের দোয়া করা।
পরিশেষে, বৃহস্পতিবার রাতকে ইবাদত, তিলাওয়াত, দরুদ, ইস্তিগফার ও দোয়ায় পরিপূর্ণ করলে আল্লাহর রহমত লাভ করা যায়। এই রাত হলো দোয়া কবুলের বিশেষ সময়, তাই এটিকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানো প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য।
লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি।

একজন মুমিনের কাছে নতুন বছর কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা বদল নয়; বরং এটি নিজেকে পরিমাপ করা, ভুল সংশোধন করা এবং আল্লাহর দিকে নতুন করে ফিরে যাওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা সময়ের গুরুত্ব বোঝাতে শপথ করেছেন, ‘শপথ সময়ের, নিশ্চয়ই মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত; তবে তারা নয়, যারা...
২ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৯ ঘণ্টা আগে
আল্লাহর দেওয়া জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। যে সম্পদ যত বেশি মূল্যবান, তার ব্যবহার-প্রক্রিয়াও তত বেশি সুপরিকল্পিত হওয়া প্রয়োজন। সময় বহমান স্রোতের মতো, যাকে কখনো বেঁধে রাখা যায় না। তাই জীবনের এই মূল্যবান সময়গুলো অবহেলায় নষ্ট করা কোনো বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
জানাজার স্থানে যদি পর্দার খেলাপ কিংবা নারীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি ইসলাম দেয় না। জানাজার নামাজ যেহেতু নারীদের জন্য আবশ্যক নয়, তাই এতে অংশ নিতে গিয়ে কোনো ফরজ বিধান লঙ্ঘন করা বিধানসম্মত নয়।
২০ ঘণ্টা আগে