আরবি কায়লুলা শব্দের অর্থ দিবানিদ্রা, ভাতঘুম। দুপুরের খাবার গ্রহণ করার পর কিছুক্ষণ শোয়াকে কায়লুলা বলা হয়; ঘুম আসুক বা না আসুক। (উমদাতুল কারি) কায়লুলা মহানবী (সা.)-এর সুন্নত। সাহাবিরাও এই সুন্নত পালন করতেন। এর জন্য শুধু শোয়া যথেষ্ট; ঘুমানো আবশ্যক নয়।
দুপুরের খাবার গ্রহণ করার পর কিছুক্ষণ বিশ্রামের রয়েছে অনেক উপকারিতা। এর মাধ্যমে মস্তিষ্ক সতেজ হয়। মানসিক চাপ কমে। দীর্ঘসময় ধরে মস্তিষ্ক কর্মোদ্যম থাকে। শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এক হাদিসে মহানবী (সা.) কায়লুলার উপকারিতা এভাবে বর্ণনা করে বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাওয়ার মাধ্যমে দিনে রোজা রাখার জন্য এবং দিনে বিশ্রামের মাধ্যমে রাতে নামাজ পড়ার জন্য সামর্থ্য অর্জন করো।’ (ইবনে মাজাহ) সাহাবিরা সাধারণত শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিনে জোহরের নামাজের আগে খাবার গ্রহণ করে কায়লুলা করতেন। তবে শুক্রবারের ব্যাপারে বিভিন্ন বর্ণনায় পাওয়া যায়। সেদিন তাঁরা জুমার নামাজের পর খাবার গ্রহণ করতেন; এরপর কায়লুলা করতেন।
হজরত সাহল (রা.) বর্ণনা করেন, ‘জুমার নামাজের পরই আমরা কায়লুলা করতাম এবং দুপুরের খাবার গ্রহণ করতাম।’ (বুখারি) অন্য হাদিসে বর্ণিত আছে, আনাস (রা.) বলতেন, ‘আমরা সকাল সকাল জুমায় যেতাম; এরপর নামাজ শেষে কায়লুলা করতাম।’ (বুখারি) জোহরের নামাজের আগে খাবার গ্রহণ করে কায়লুলা করা উত্তম। তবে জোহরের পর খাবার গ্রহণ করে কায়লুলার নিয়তে শোয়ার মাধ্যমেও কায়লুলার সুন্নত আদায় হয়ে যাবে।
লেখক: শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

পৃথিবীর সূচনালগ্ন থেকেই আল্লাহ তাআলা বছরে মাসের সংখ্যা ১২টি নির্ধারণ করে রেখেছেন। প্রাচীনকাল থেকে সব নবীর শরিয়তেই ১২টি চন্দ্রমাসকে এক বছর হিসাবে গণনা করা হতো। এ মাসগুলোর মধ্যে চারটি মাস বিশেষ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী।
১ ঘণ্টা আগে
জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন মহান আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এই দিনগুলোতে নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। কোরবানির উদ্দেশ্যে যাঁরা পশু প্রস্তুত রেখেছেন বা কোরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তাঁদের জন্য জিলহজের ১ তারিখ থেকে কোরবানি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত চুল, নখ ও শরীরের পশম না কাটা একটি বিশেষ মুস্তাহাব আমল।
৩ ঘণ্টা আগে
পবিত্র হজব্রত পালনের মাস জিলহজ। ইসলামের বরকতময় মাসগুলোর মধ্যেও এটি অন্যতম। বিশেষত এ মাসের প্রথম দশ দিন আল্লাহ তাআলার নিকট অত্যন্ত প্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ। এই দিনগুলোকে নেক আমলের মৌসুম বলা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৪ ঘণ্টা আগে