
আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) উম্মতের জন্য আজীবন সত্য ও সুন্দরের দাওয়াত পেশ করেছেন। উম্মতকে মুক্তির উপায় বাতলে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুনিয়া হলো আখিরাতের শস্যক্ষেত্র। আর এই শস্যক্ষেত্র থেকেই উম্মতকে সঠিক পদ্ধতি, বিদআতমুক্ত খালেস আমল করে জান্নাত লাভ করতে হবে।
আর জান্নাত লাভের জন্য প্রিয় নবী (সা.) ছয়টি আমলের কথা বলেছেন। হজরত উবাদা ইবনে সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আমাকে ছয়টি আমলের ওয়াদা দাও; আমি তোমাদের জান্নাতের ওয়াদা দেব।’ (মুসনাদে আহমদ: ২২৭৫৭।)
আমলগুলো হলো
১. সত্য কথা বলা: সত্য মানুষকে মুক্তি দেয় আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে। তাই সত্য কথা এবং সত্যের পথে চলা সবার জন্য আবশ্যক। ২. ওয়াদা পূর্ণ করা: কাউকে কথা দিলে কথা রাখা এবং অঙ্গীকার পূর্ণ করা উচিত।
৩. আমানতের খেয়ানত না করা: আমানতের খেয়ানতকারী মুনাফিকের অন্তর্ভুক্ত। দুর্নীতি খেয়ানতের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
৪. লজ্জাস্থানের হেফাজত করা: নিজেকে চরিত্রবান হিসেবে গড়ে তুলতে লজ্জাস্থান হেফাজতের বিকল্প নেই। নারী-পুরুষ সবার জন্য এটি সমানভাবে প্রযোজ্য।
৫. দৃষ্টি অবনত রাখা: চোখের গুনাহ বড় গুনাহ। চোখের হেফাজতেও নারী-পুরুষ সমানভাবে আদিষ্ট।
৬. জুলুম থেকে বিরত থাকা: আল্লাহ তাআলার সঙ্গে শিরক করা সবচেয়ে বড় জুলুম। এ ছাড়া কাউকে নিপীড়ন করাও জুলুম। সব ধরনের জুলুম থেকে বিরত থাকা মুমিনের কর্তব্য।
প্রিয় নবী (সা.) যেহেতু এই ছয় আমলের বিনিময়ে জান্নাতের ওয়াদা করেছেন, তা পালন করা নিশ্চয়ই ফলদায়ক হবে ইনশা আল্লাহ। আল্লাহ তাআলা আমাদের এসব আমল যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দিন। আমিন।
হুসাইন আহমদ, ইসলামবিষয়ক গবেষক

ঘর হলো মানুষের ক্লান্তি দূর করার ও মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান আশ্রয়স্থল। নিজের ঘর হোক কিংবা অন্যের; সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর কিছু নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন...
৩ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৮ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১৬ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১৭ ঘণ্টা আগে