বিয়ে রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। বিয়ের মাধ্যমে দৃঢ় হয় সামাজিক বন্ধন। মানসিক ভারসাম্য, চারিত্রিক উৎকর্ষ রক্ষার অন্যতম উপায় বিয়ে। ইসলাম পবিত্র জীবনযাপনের জন্য নারী-পুরুষকে বিয়ের নির্দেশ দিয়েছে। বিয়ের পরকালীন উপকার তো রয়েছেই, পার্থিব দিক বিবেচনায়ও বিয়ের কিছু উপকার রয়েছে। এখানে কোরআন-হাদিসের আলোকে ৪টি উপকারের কথা তুলে ধরা হলো:
এক. সচ্ছলতা: বিয়ের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা দরিদ্রকে সচ্ছলতা দান করেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত (তারা পুরুষ হোক বা নারী) তাদের বিয়ে করিয়ে দাও এবং তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা বিয়ের উপযুক্ত, তাদেরও। তারা অভাবগ্রস্ত হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের অভাবমুক্ত করে দেবেন। আল্লাহ অতি প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা নুর: ৩২)
দুই. ধর্মের পূর্ণতা: বিয়ে ধর্মচর্চায় পূর্ণতা আনে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘বান্দা যখন বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়, তখন সে তার অর্ধেক দ্বীন পূর্ণ করে নেয়। অতএব তাকে তার অবশিষ্ট অর্ধেক দ্বীনের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করা উচিত।’ (বায়হাকি: ৫৪৮৬)
তিন. চরিত্র সুরক্ষা: বিয়ের মাধ্যমে দৃষ্টি সংযত থাকে এবং চরিত্র হেফাজত করা যায়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘হে যুবসমাজ, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিয়ে করার সামর্থ্য, রাখে সে যেন বিয়ে করে নেয়। কারণ বিয়ে দৃষ্টি সংযত রাখে এবং চরিত্র হেফাজত করে।’ (মুসলিম: ১৪০০)
চার. আত্মিক প্রশান্তি: বিয়ে করলে আত্মিক প্রশান্তি লাভ হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তাঁর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদেরই মধ্য থেকে স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে গিয়ে প্রশান্তি লাভ করো। তিনি তোমাদের পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয়ই এতে চিন্তকদের জন্য রয়েছে নিদর্শন।’ (সুরা রুম: ২১)
লেখক: শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম এবং মুমিনের জন্য শ্রেষ্ঠ ইবাদত। পবিত্র কোরআনে ৮২ বার সালাত কায়েমের নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘আর তোমরা আমার স্মরণার্থে নামাজ কায়েম করো।’ (সুরা তহা: ১৪)। নামাজের প্রতিটি রুকন সঠিকভাবে পালন করা নামাজ কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত। এর মধ্যে ‘রুকু’ অত্যন্ত...
৪ ঘণ্টা আগে
বিয়ে সামাজিক বন্ধন, অনন্য ইবাদত। বিয়ের আকদ বা মূল অনুষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত হলো বিয়ের খুতবা পাঠ করা। বর ও কনের ইজাব-কবুলের (প্রস্তাব ও গ্রহণ) ঠিক আগে আল্লাহর প্রশংসা ও কোরআনের আয়াত-সংবলিত এই খুতবা পাঠের মাধ্যমে একটি নতুন জীবনের বরকতময় সূচনা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
ইতিহাসের অন্যতম বিস্ময়কর ও শিক্ষণীয় ঘটনা হলো আসহাবুল ফিল বা হস্তী বাহিনীর ঘটনা। ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে ইয়েমেনের দাম্ভিক শাসক আবরাহা পবিত্র কাবা শরিফ ধ্বংসের উদ্দেশ্যে এক বিশাল বাহিনী নিয়ে মক্কায় অভিযান চালায়। মানুষের তৈরি বিশাল শক্তির বিরুদ্ধে মহান আল্লাহর কুদরতি শক্তির সেই লড়াইয়ের ইতিহাস আজও মুমিনদের...
৯ ঘণ্টা আগে
নামাজ মুমিনের মিরাজ এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। নামাজের প্রতিটি রুকন ও আমলের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য। এর মধ্যে নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ, যা দরুদে ইবরাহিম নামে পরিচিত। নবী করিম (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের শ্রেষ্ঠতম...
১৫ ঘণ্টা আগে