প্রতিদিনই জীবিকা, শিক্ষা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে আমাদের ঘর থেকে বের হতে হয়। কিন্তু বাইরের এ সময়টুকুতে আমরা কতটুকু নিরাপদ? দুর্ঘটনা, অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ; কিংবা শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে একজন মুমিনের প্রধান হাতিয়ার হলো আল্লাহর ওপর ভরসা বা তাওয়াক্কুল।
হাদিসে এসেছে, যদি কেউ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় নিচের দোয়াটি পড়ে, তবে তাকে আসমান থেকে বলা হয়—‘তোমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, তুমি সঠিক পথ পেয়েছ এবং তোমাকে রক্ষা করা হয়েছে।’ দোয়াটি হলো, ‘বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি, ওয়া লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি।’ অর্থ: ‘আল্লাহর নামে শুরু করছি, আল্লাহর ওপর ভরসা করছি। আল্লাহ ছাড়া আর কারও কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই।’ (আবু দাউদ: ৫০৯৫, তিরমিজি: ৩৪২৬)
উম্মে সালামা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখনই আমার ঘর থেকে বের হতেন, তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে এ দোয়াটি পড়তেন—‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা আন আদিল্লা, আউ উদাল্লা, আউ আজিল্লা আউ উজাল্লা, আউ আজলিমা আউ উজলামা, আউ আজহালা আউ ইউজহালা আলাইয়া।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে পথভ্রষ্ট হওয়া বা পথভ্রষ্ট করা, গুনাহ করা বা গুনাহের দিকে ধাবিত করা, জুলুম করা বা জুলুমের শিকার হওয়া, অজ্ঞতা প্রকাশ করা বা আমার সঙ্গে অজ্ঞতাপূর্ণ আচরণ করা থেকে আশ্রয় চাইছি।’ (সুনানে আবু দাউদ: ৫০৯৪)
ঘর থেকে বের হওয়ার সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের এই আমলটি আপনার সারা দিনের যাতায়াতকে নিরাপদ ও বরকতময় করে তুলতে পারে।

আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার জন্য নামাজ হলো সর্বোত্তম মাধ্যম। ফরজ নামাজ আদায় করে বান্দা আল্লাহর হুকুম পালন করে; তা ছাড়া নামাজের পর কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল তার জীবনকে আরও পরিশুদ্ধ করতে সহায়তা করতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
ঈদুল আজহার ফজিলতপূর্ণ আমল কোরবানি। কোরবানির সুবাস এখনো আমাদের আশপাশে ছড়িয়ে আছে। অনেকের হাঁড়িতে এখনো ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে কোরবানির মাংস। ত্যাগ ও উৎসবের আমেজে এক বছর পর আবার ফিরে আসবে কোরবানি। কিন্তু কোরবানি আমাদের সমাজে যে শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এসেছিল, তা আমরা কতটা অর্জন করতে পেরেছি?
২ দিন আগে