তওবা হলো নিজের ভুল স্বীকার করে সঠিক পথে ফিরে আসা। এটি এমন এক পবিত্র অঙ্গীকার, যার মাধ্যমে মানুষ পাপের পথ ছেড়ে আল্লাহর দিকে মুখ ফেরায়, তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং ভবিষ্যতে সেই পাপে না ফেরার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করে। একজন মুমিনের জীবনে তওবা একটি অপরিহার্য অধ্যায়।
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন।’ (সুরা বাকারা: ২২২)
এ ছাড়া নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘কোনো বান্দা পাপ করে ফেললে এরপর ভালোভাবে অজু করে যদি দুই রাকাত নামাজ আদায় করে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন।’ (সুনানে আবু দাউদ: ১৫২১)
নিয়ত কীভাবে করবেন?
নিয়ত মূলত অন্তরের বিষয়—মুখে বলা জরুরি নয়। আপনি শুধু মনে মনে এই ইচ্ছা রাখলেই যথেষ্ট: ‘হে আল্লাহ, আমি আমার কৃত গুনাহের জন্য লজ্জিত। আপনার ক্ষমা ও সন্তুষ্টির জন্য দুই রাকাত তওবার নামাজ আদায় করছি, আপনি তা কবুল করুন।’
সালাতুত তওবার নিয়ম
পাপ করার পর অনুশোচনা প্রকাশের অন্যতম উত্তম উপায় হলো সালাতুত তওবা বা তওবার নামাজ আদায় করা। এই দুই রাকাত নফল নামাজ গুনাহের সঙ্গে সঙ্গেই আদায় করা উচিত। এর মাধ্যমে বিগত জীবনের সকল গুনাহ থেকে তওবা করার সুযোগ পাওয়া যায়।
এই নামাজের জন্য ভালোভাবে গোসল বা অজু করা মুস্তাহাব। এরপর নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা বেঁধে নামাজ শুরু করবেন। অন্যান্য নফল নামাজের মতোই দুই রাকাতেই সুরা ফাতিহার পর অন্য কোনো সুরা মেলাবেন। নামাজের শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়াতু, দরুদ শরিফ ও দোয়ায়ে মাসুরা পড়ে সালাম ফেরাবেন।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৭ ঘণ্টা আগে
মানুষের জীবন এক অনিশ্চিত যাত্রা। কখন কোন বিপদ সামনে আসবে কিংবা কোন সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য অমঙ্গল ডেকে আনবে, তা আমরা কেউ জানি না। অনেক সময় মানুষের নিজের ভুল নয়, বরং মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষাস্বরূপ কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
১ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
ইসলামি সংস্কৃতিতে একে অপরের সঙ্গে দেখা হলে কুশল বিনিময়ের সর্বোত্তম মাধ্যম হলো সালাম। সালাম দেওয়া সুন্নত হলেও সালামের উত্তর দেওয়া ওয়াজিব বা আবশ্যক। তবে আমাদের মধ্যে অনেকেই সঠিক নিয়মে সালামের উত্তর দেওয়ার বিধান সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন।
২ দিন আগে