
হিজরি সনের তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল, যা মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময়। রবিউল আউয়ালের মর্যাদা নবী করিম (সা.)-এর পৃথিবীতে আগমন এবং ওফাতের কারণে। এ মাসেই তিনি মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন এবং মদিনায় ইন্তেকাল করেন।
বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এমন একটি প্রিয় নাম, যা প্রত্যেক মুসলিম তার হৃদয়ে গভীর ভালোবাসার সঙ্গে ধারণ করে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘হে রাসুল, আপনি বলুন—যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসো, তাহলে আমাকে অনুসরণ করো, যাতে আল্লাহও তোমাদের ভালোবাসেন এবং তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।’ (সুরা আলে ইমরান: ৩১)
এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, আল্লাহকে ভালোবাসার একমাত্র পথ হলো রাসুল (সা.)-এর অনুসরণ ও আনুগত্য। রাসুলকে ভালোবাসা ছাড়া তাঁর আনুগত্য করা সম্ভব নয়। তাই আল্লাহকে ভালোবাসার স্বাভাবিক পরিণতিই হলো রাসুল (সা.)কে ভালোবাসা। আমাদের ভালোবাসা রাসুল (সা.)-এর জন্য কতটা গভীর, তা যাচাই করার উপায় কী? এর হিসাব নেওয়া কঠিন নয়। আমাদের ভালোবাসা যদি পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি কিংবা অন্য যেকোনো মানুষের চেয়ে রাসুলের প্রতি বেশি হয়, তবেই আমরা সত্যিকার অর্থে মুমিন। হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত সত্যিকারের মুমিন হবে না, যতক্ষণ আমি তার কাছে নিজ পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি ও সব মানুষ থেকে প্রিয় না হব।’ (সহিহ্ বুখারি)।
আজকের বাস্তবতায় মুসলিম উম্মাহ নানা মতপার্থক্য ও বিভ্রান্তির মধ্যে নিমজ্জিত। এই অচলাবস্থা থেকে উত্তরণের পথ একটাই—রাসুল (সা.)-এর দেখানো আদর্শে ফিরে আসা। রবিউল আউয়াল আমাদের সে শিক্ষা দেয় যে, প্রকৃত ভালোবাসা কেবল অনুভূতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা প্রকাশ পায় আনুগত্য ও অনুসরণে। তাই এ মাসে আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক—রাসুল (সা.)-এর জীবনাদর্শকে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করা, তাঁর সিরাত থেকে শিক্ষা নিয়ে উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সর্বদা সচেষ্ট থাকা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রবিউল আউয়াল মাসের বরকত, রাসুলের মহব্বত ও পরকালীন নাজাত নসিব করুন।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২ ঘণ্টা আগে
একসঙ্গে একাধিক স্ত্রী গ্রহণের প্রথাটি ইসলাম-পূর্ব যুগেও বিশ্বের প্রায় সকল ধর্ম ও সমাজে প্রচলিত ছিল। আরব, ভারতীয় উপমহাদেশ, ইউরোপসহ বিভিন্ন সভ্যতায় এটি প্রচলিত ছিল কোনো প্রকার সংখ্যা নির্ধারণ বা বাধা-নিষেধ ছাড়াই। কিন্তু ইসলাম এই সীমাহীন প্রথায় নিয়ন্ত্রণ এনে নারী জাতির মর্যাদা রক্ষা এবং সমাজে...
১২ ঘণ্টা আগে
হজের প্রতিটি ধাপের রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম ও গভীর তাৎপর্য। ইহরাম বাঁধা থেকে শুরু করে আরাফার ময়দানে অবস্থান, মুজদালিফায় রাত যাপন, শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, কোরবানি, তাওয়াফ ও সাঈ—সবকিছুই মহান আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হয়। তাই হজ শুদ্ধ ও সুন্দরভাবে আদায় করতে হলে এর নিয়মকানুন ও করণীয় বিষয়গুলো...
১৭ ঘণ্টা আগে
মানুষ সব সময় নিজের ঘরে বসে থাকতে পারে না। জীবন-জীবিকার তাগিদে সবাইকেই ঘর ছেড়ে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। জীবনের প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়ার মতো সাধারণ কাজটিকেও ইসলাম ইবাদতে রূপান্তরিত করেছে কিছু সুন্দর দোয়া ও আদবের মাধ্যমে।
২১ ঘণ্টা আগে