আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতভিত্তিক ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মালিক ও কর্মীদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৯ মে) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, এই এজেন্সিগুলো জেনেশুনে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসনের সুবিধা দিচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির অংশ।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস এক বিবৃতিতে জানান, ভারতে মার্কিন মিশনের তথ্যের ভিত্তিতে অসংখ্য অজ্ঞাত ব্যক্তির ওপর ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টের অধীনে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মালিক, নির্বাহী ও সিনিয়র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রাখব, যাতে অবৈধ অভিবাসন নেটওয়ার্কগুলো বন্ধ করা যায়।’ তবে এজেন্সিগুলো কীভাবে অবৈধ অভিবাসনের সুবিধা দিয়েছে, তার বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেননি।
ওয়াশিংটন প্রায়ই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করে না। এই ক্ষেত্রেও কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা এজেন্সির নাম উল্লেখ করা হয়নি। মার্কিন দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞা অবৈধ অভিবাসন নেটওয়ার্ক বন্ধ করার জন্য একটি বৃহত্তর চেষ্টার অংশ।
নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাস তাদের সামাজিক মাধ্যমে বারবার ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সময় অনুমোদিত মেয়াদ অতিক্রম করে কেউ অবস্থান করবেন না। মেয়াদ অতিক্রম করলে বহিষ্কার ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে। এই সতর্কতা অবৈধ অভিবাসন রোধে মার্কিন সরকারের কঠোর অবস্থানেরই ইঙ্গিত দেয়। তবে এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কতটা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
আরও খবর পড়ুন:

ভারতভিত্তিক ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মালিক ও কর্মীদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৯ মে) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, এই এজেন্সিগুলো জেনেশুনে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসনের সুবিধা দিচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির অংশ।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস এক বিবৃতিতে জানান, ভারতে মার্কিন মিশনের তথ্যের ভিত্তিতে অসংখ্য অজ্ঞাত ব্যক্তির ওপর ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টের অধীনে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মালিক, নির্বাহী ও সিনিয়র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রাখব, যাতে অবৈধ অভিবাসন নেটওয়ার্কগুলো বন্ধ করা যায়।’ তবে এজেন্সিগুলো কীভাবে অবৈধ অভিবাসনের সুবিধা দিয়েছে, তার বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেননি।
ওয়াশিংটন প্রায়ই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করে না। এই ক্ষেত্রেও কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা এজেন্সির নাম উল্লেখ করা হয়নি। মার্কিন দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞা অবৈধ অভিবাসন নেটওয়ার্ক বন্ধ করার জন্য একটি বৃহত্তর চেষ্টার অংশ।
নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাস তাদের সামাজিক মাধ্যমে বারবার ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সময় অনুমোদিত মেয়াদ অতিক্রম করে কেউ অবস্থান করবেন না। মেয়াদ অতিক্রম করলে বহিষ্কার ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে। এই সতর্কতা অবৈধ অভিবাসন রোধে মার্কিন সরকারের কঠোর অবস্থানেরই ইঙ্গিত দেয়। তবে এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কতটা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
আরও খবর পড়ুন:

হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
১ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা যেকোনো দেশের ওপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশটিতে বিক্ষোভ সহিংসভাবে দমনের কারণে তেহরান সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে