আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ওবেসিটি বা স্থূলতা প্রতিরোধে ট্যাবলেট-জাতীয় ওষুধ দানুগ্লিপ্রন-এর উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজার। প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় এক রোগীর মধ্যে ওই ওষুধের কারণে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে—এমন লক্ষণ দেখা দিলে ফাইজার এই সিদ্ধান্ত নেয়। তবে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ওই রোগী ওষুধটি বন্ধ করার পর সুস্থ হয়ে ওঠেন বলে জানিয়েছে সিএনএন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ওষুধ একবার খাওয়ার উপযোগী পিল হিসেবে প্রাথমিক পরীক্ষাধীন ছিল। তখন গবেষকেরা রোগীদের জন্য উপযুক্ত ডোজ নির্ধারণের চেষ্টা করছিলেন। ফাইজার এটিকে শেষ পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল, যা সাধারণত সরকারিভাবে অনুমোদনের আগে একটি ওষুধ উন্নয়নের শেষ ধাপ।
কোম্পানির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দানুগ্লিপ্রনের উন্নয়ন বন্ধ করলেও ফাইজার স্থূলতা নিরাময়ে আরও কিছু সম্ভাব্য ওষুধের ওপর গবেষণা চালিয়ে যাবে, যা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
বর্তমানে স্থূলতা প্রতিরোধে ওষুধ তৈরি ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের সবচেয়ে লাভজনক ও প্রতিশ্রুতিশীল একটি ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। উদাহরণস্বরূপ, ইলাই লিলি কোম্পানির তৈরি জেপবাউন্ড ২০২৪ সালে বাজারে আসার প্রথম বছরেই প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে।
তবে জেপবাউন্ড এবং নোভো নরডিস্ক কোম্পানির তৈরি ওয়েগোভির মতো সফল ওষুধগুলো ইনজেকশনের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। ফলে বড়সংখ্যক রোগী পিল আকারে সহজে গ্রহণযোগ্য বিকল্প ওষুধের জন্য অপেক্ষা করছেন।
ইলাই লিলি কোম্পানিও কয়েকটি পিলজাতীয় ওষুধ নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে, ২০২৫ সালের মধ্যেই এর ফল পাওয়া যাবে।
তবে এসব জনপ্রিয় ওষুধের চাহিদা বাড়লেও রোগীদের জন্য তা সহজলভ্য নয়। অনেক সময় সরবরাহ ঘাটতি, আবার কখনো বিমা কভারেজ না থাকায় অনেকে এই ওষুধ পাওয়ার সুযোগ পান না। ইলাই লিলি ও নোভো নরডিস্ক সম্প্রতি তাদের ওষুধের মূল্য কমানোর ঘোষণা দিলেও বিমা ছাড়া অনেকের জন্য এগুলোর দাম এখনো মাসে কয়েক শ ডলার পর্যন্ত পড়ে যায়।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের শেষ দিকে দানুগ্লিপ্রনের দিনে দুইবার খাওয়ার সংস্করণটি বাতিল করেছিল ফাইজার। কারণ, একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অর্ধেকের বেশি রোগী মাঝপথে ওষুধ সেবন বন্ধ করে দিয়েছিলেন।
সর্বশেষ ঘোষণায় ফাইজার জানিয়েছে, এখন থেকে দানুগ্লিপ্রনকে অন্য কোনো ওষুধের সঙ্গে মিলিয়ে স্থূলতা চিকিৎসায় ব্যবহারের গবেষণাও আর চালানো হবে না।

ওবেসিটি বা স্থূলতা প্রতিরোধে ট্যাবলেট-জাতীয় ওষুধ দানুগ্লিপ্রন-এর উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজার। প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় এক রোগীর মধ্যে ওই ওষুধের কারণে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে—এমন লক্ষণ দেখা দিলে ফাইজার এই সিদ্ধান্ত নেয়। তবে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ওই রোগী ওষুধটি বন্ধ করার পর সুস্থ হয়ে ওঠেন বলে জানিয়েছে সিএনএন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ওষুধ একবার খাওয়ার উপযোগী পিল হিসেবে প্রাথমিক পরীক্ষাধীন ছিল। তখন গবেষকেরা রোগীদের জন্য উপযুক্ত ডোজ নির্ধারণের চেষ্টা করছিলেন। ফাইজার এটিকে শেষ পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল, যা সাধারণত সরকারিভাবে অনুমোদনের আগে একটি ওষুধ উন্নয়নের শেষ ধাপ।
কোম্পানির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দানুগ্লিপ্রনের উন্নয়ন বন্ধ করলেও ফাইজার স্থূলতা নিরাময়ে আরও কিছু সম্ভাব্য ওষুধের ওপর গবেষণা চালিয়ে যাবে, যা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
বর্তমানে স্থূলতা প্রতিরোধে ওষুধ তৈরি ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের সবচেয়ে লাভজনক ও প্রতিশ্রুতিশীল একটি ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। উদাহরণস্বরূপ, ইলাই লিলি কোম্পানির তৈরি জেপবাউন্ড ২০২৪ সালে বাজারে আসার প্রথম বছরেই প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে।
তবে জেপবাউন্ড এবং নোভো নরডিস্ক কোম্পানির তৈরি ওয়েগোভির মতো সফল ওষুধগুলো ইনজেকশনের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। ফলে বড়সংখ্যক রোগী পিল আকারে সহজে গ্রহণযোগ্য বিকল্প ওষুধের জন্য অপেক্ষা করছেন।
ইলাই লিলি কোম্পানিও কয়েকটি পিলজাতীয় ওষুধ নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে, ২০২৫ সালের মধ্যেই এর ফল পাওয়া যাবে।
তবে এসব জনপ্রিয় ওষুধের চাহিদা বাড়লেও রোগীদের জন্য তা সহজলভ্য নয়। অনেক সময় সরবরাহ ঘাটতি, আবার কখনো বিমা কভারেজ না থাকায় অনেকে এই ওষুধ পাওয়ার সুযোগ পান না। ইলাই লিলি ও নোভো নরডিস্ক সম্প্রতি তাদের ওষুধের মূল্য কমানোর ঘোষণা দিলেও বিমা ছাড়া অনেকের জন্য এগুলোর দাম এখনো মাসে কয়েক শ ডলার পর্যন্ত পড়ে যায়।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের শেষ দিকে দানুগ্লিপ্রনের দিনে দুইবার খাওয়ার সংস্করণটি বাতিল করেছিল ফাইজার। কারণ, একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অর্ধেকের বেশি রোগী মাঝপথে ওষুধ সেবন বন্ধ করে দিয়েছিলেন।
সর্বশেষ ঘোষণায় ফাইজার জানিয়েছে, এখন থেকে দানুগ্লিপ্রনকে অন্য কোনো ওষুধের সঙ্গে মিলিয়ে স্থূলতা চিকিৎসায় ব্যবহারের গবেষণাও আর চালানো হবে না।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে