
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে অর্ধাঙ্গ উন্মুক্ত রেখে ঘুরতে দেখা গেল ডেলাওয়্যারের সমুদ্রসৈকতে। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাইডেনের খালি গায়ের ছবি ভাইরাল হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নানা মত ব্যক্ত করেছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাঁর ডেলাওয়্যারের রিওবুথ এলাকার বাড়ির কাছের সমুদ্রসৈকতে গিয়েছিলেন বেড়াতে। সেখানে শার্ট খুলে সূর্যরশ্মি গায়ে মাখছিলেন। কিন্তু পাপারাজ্জিরা সুযোগটা নিতে মোটেও ভুল করেনি। একাধিক ছবি তুলেছেন একজন সাংবাদিক।
বাইডেনের ছবিগুলো পোস্ট করেছেন এরিক গেলার নামে ওই সাংবাদিক। তিনিও ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন রিওবুথে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মোট তিনটি ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিগুলোর একটিতে দেখা যায়, বাইডেন একটি নীলরঙা সুইমিং হাফপ্যান্ট, একই রঙের টেনিস শু পরেছেন। একই সঙ্গে তার মাথার পেছন দিকে ঘোরানো একটি বেসবল ক্যাপ এবং চোখে রোদচশমা। কিন্তু তাঁর ঊর্ধ্বাঙ্গে আর কিছুই নেই। অপর একটি ছবিতে বাইডেনকে একটি চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়।
ছবিগুলোর ক্যাপশনে এরিক গেলার লেখেন, ‘রিওবুথের সমুদ্রসৈকতে দারুণ একটি দিন উপভোগ করছেন বাইডেন।’
এর আগে, ২০০৯ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন উদাম গায়ে ঘোড়ায় চড়ে ছবি তুলেছিলেন। পরে সেগুলোও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকে বলে থাকেন, পুতিন লোক দেখানোর জন্য এমনটা করেছেন। তবে বাইডেন তাঁর শরীর দেখানোর জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কাজ করেননি বলেই মনে হয়। কারণ ছবিগুলো তাঁর অমনোযোগী অবস্থায় তোলা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে অর্ধাঙ্গ উন্মুক্ত রেখে ঘুরতে দেখা গেল ডেলাওয়্যারের সমুদ্রসৈকতে। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাইডেনের খালি গায়ের ছবি ভাইরাল হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নানা মত ব্যক্ত করেছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাঁর ডেলাওয়্যারের রিওবুথ এলাকার বাড়ির কাছের সমুদ্রসৈকতে গিয়েছিলেন বেড়াতে। সেখানে শার্ট খুলে সূর্যরশ্মি গায়ে মাখছিলেন। কিন্তু পাপারাজ্জিরা সুযোগটা নিতে মোটেও ভুল করেনি। একাধিক ছবি তুলেছেন একজন সাংবাদিক।
বাইডেনের ছবিগুলো পোস্ট করেছেন এরিক গেলার নামে ওই সাংবাদিক। তিনিও ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন রিওবুথে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মোট তিনটি ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিগুলোর একটিতে দেখা যায়, বাইডেন একটি নীলরঙা সুইমিং হাফপ্যান্ট, একই রঙের টেনিস শু পরেছেন। একই সঙ্গে তার মাথার পেছন দিকে ঘোরানো একটি বেসবল ক্যাপ এবং চোখে রোদচশমা। কিন্তু তাঁর ঊর্ধ্বাঙ্গে আর কিছুই নেই। অপর একটি ছবিতে বাইডেনকে একটি চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়।
ছবিগুলোর ক্যাপশনে এরিক গেলার লেখেন, ‘রিওবুথের সমুদ্রসৈকতে দারুণ একটি দিন উপভোগ করছেন বাইডেন।’
এর আগে, ২০০৯ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন উদাম গায়ে ঘোড়ায় চড়ে ছবি তুলেছিলেন। পরে সেগুলোও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকে বলে থাকেন, পুতিন লোক দেখানোর জন্য এমনটা করেছেন। তবে বাইডেন তাঁর শরীর দেখানোর জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কাজ করেননি বলেই মনে হয়। কারণ ছবিগুলো তাঁর অমনোযোগী অবস্থায় তোলা হয়েছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে