
এবার যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় রাশিয়ার বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে দেশটি। দেশটির উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন সরকারের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কানাডাও অনুরূপ পদক্ষেপ নিয়েছে। এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও সেই তালিকায় যুক্ত হলো। তবে এই নিষেধাজ্ঞা কবে বা কখন থেকে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনো মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সিএনএনের আলাদা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট আজ তাঁর স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি ঘোষণা করতে পারেন।
এর আগে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি মার্কিন আকাশসীমায় রুশ বিমান নিষিদ্ধ করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন। সাকি বলেছিলেন, যেকোনো কিছুই হতে পারে। তবে তিনি আরও জানান, মার্কিন অনেক বিমান সংস্থাকে রুশ আকাশসীমা ব্যবহার করতে হয় এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অংশে যাওয়ার জন্য। এটিকে তিনি নো ফ্লাই জোন না ঘোষণার একটি সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এদিক ইউক্রেনের আকাশসীমায় রাশিয়ার যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হোয়াইট হাউসকে অনুরোধ করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তবে তাঁর অনুরোধের জবাবে শীতল প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গত সোমবার হোয়াইট হাউসের কাছে ইউক্রেনের আকাশসীমায় রুশ বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করতে নো ফ্লাই জোন ঘোষণার আহ্বান জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। কিন্তু তাঁর এই আহ্বান নাকচ করে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অংশগ্রহণ করা মানে মস্কোর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে নামা, যা ওয়াশিংটন চায় না।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি সাংবাদিকদের বলেছেন, ইউক্রেনের আকাশসীমায় নো ফ্লাই জোন বাস্তবায়ন করা রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন সেনা পাঠানোর মতো পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
জেন সাকি বলেন, ‘নো ফ্লাই জোন বাস্তবায়ন প্রয়োজন এবং তা করতে গেলে মার্কিন সেনা মোতায়েন করতে হতে পারে, যার অর্থ হবে সম্ভাব্য সরাসরি সংঘর্ষে নামা এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য একটি যুদ্ধ, যা আমরা কোনোভাবেই চাইছি না।’

এবার যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় রাশিয়ার বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে দেশটি। দেশটির উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন সরকারের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কানাডাও অনুরূপ পদক্ষেপ নিয়েছে। এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও সেই তালিকায় যুক্ত হলো। তবে এই নিষেধাজ্ঞা কবে বা কখন থেকে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনো মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সিএনএনের আলাদা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট আজ তাঁর স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি ঘোষণা করতে পারেন।
এর আগে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি মার্কিন আকাশসীমায় রুশ বিমান নিষিদ্ধ করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন। সাকি বলেছিলেন, যেকোনো কিছুই হতে পারে। তবে তিনি আরও জানান, মার্কিন অনেক বিমান সংস্থাকে রুশ আকাশসীমা ব্যবহার করতে হয় এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অংশে যাওয়ার জন্য। এটিকে তিনি নো ফ্লাই জোন না ঘোষণার একটি সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এদিক ইউক্রেনের আকাশসীমায় রাশিয়ার যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হোয়াইট হাউসকে অনুরোধ করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তবে তাঁর অনুরোধের জবাবে শীতল প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গত সোমবার হোয়াইট হাউসের কাছে ইউক্রেনের আকাশসীমায় রুশ বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করতে নো ফ্লাই জোন ঘোষণার আহ্বান জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। কিন্তু তাঁর এই আহ্বান নাকচ করে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অংশগ্রহণ করা মানে মস্কোর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে নামা, যা ওয়াশিংটন চায় না।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি সাংবাদিকদের বলেছেন, ইউক্রেনের আকাশসীমায় নো ফ্লাই জোন বাস্তবায়ন করা রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন সেনা পাঠানোর মতো পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
জেন সাকি বলেন, ‘নো ফ্লাই জোন বাস্তবায়ন প্রয়োজন এবং তা করতে গেলে মার্কিন সেনা মোতায়েন করতে হতে পারে, যার অর্থ হবে সম্ভাব্য সরাসরি সংঘর্ষে নামা এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য একটি যুদ্ধ, যা আমরা কোনোভাবেই চাইছি না।’

গাজায় ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ধসে পড়ে অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া তীব্র ঠান্ডায় প্রাণ হারিয়েছে আরও অন্তত ছয় শিশু। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে তেহরানের দমনপীড়নের মুখে বিক্ষোভকারীদের ‘আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন’ বলে আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ‘আশ্বাস দিয়ে’ বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
৩ ঘণ্টা আগে
মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে