
ডেমোক্রেটিক পার্টির জাতীয় সম্মেলনে যোগদান করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। সেখানে ক্ষমতাসীন দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে সমর্থনের পাশাপাশি তাঁর হয়ে জনগণের কাছে ভোট চেয়েছেন তিনি। কমলাকে প্রেসিডেন্ট করে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ইতিহাস সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন এই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
স্থানীয় সময় গত সোমবার (১৯ আগস্ট) ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্মেলন শুরু হয়। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার মঞ্চে আসেন ওবামা। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মিশেল ওবামাও। চার দিন ধরে চলবে এই সম্মেলন। এই সম্মেলন থেকে আগামী নির্বাচনে দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে কমলার নাম ঘোষণা করা হবে।
রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে কমলার জয় ছিনিয়ে আনা যে কঠিন হবে, সেটা নিজ মুখেই স্বীকার করেছেন ওবামা। তবে বিশ্বাস করা যায়, এমন একটি আমেরিকার জন্য লড়াই করার পাশাপাশি কমলার পক্ষে ভোট দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ওবামা বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতাকে নিজের স্বার্থ উদ্ধারের মাধ্যম ছাড়া আর কিছুই ভাবেন না। আমাদের আর চার বছরের ধোঁয়াশা, হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলার দরকার নেই। আমরা এই মুভি আগেই দেখে ফেলেছি। আর আমরা সবাই জানি যে সিক্যুয়েল সাধারণত খারাপ হয়। আমেরিকা নতুন অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুত। নতুন গল্পের জন্য প্রস্তুত। আমরা প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের জন্য প্রস্তুত।’
এদিন মঞ্চে উঠে দেড় ঘণ্টা কথা বলেন ৬৩ বছর বয়সী ওবামা। কমলা হ্যারিসের পেছনে বেশ শক্তভাবেই দাঁড়িয়েছেন তিনি। দেড় ঘণ্টার ভাষণে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনেরও বেশ প্রশংসা করেন এই সাবেক প্রেসিডেন্ট।
প্রাক নির্বাচনী জরিপে হ্যারিস জাতীয়ভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে বেশি জনপ্রিয়। নির্বাচিত হলে তিনি আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হবেন। তবে মার্কিন নির্বাচনের ফলাফল নির্ভর করবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের ওপর, যেগুলোর ভোট বেশ অনিশ্চিত।

ডেমোক্রেটিক পার্টির জাতীয় সম্মেলনে যোগদান করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। সেখানে ক্ষমতাসীন দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে সমর্থনের পাশাপাশি তাঁর হয়ে জনগণের কাছে ভোট চেয়েছেন তিনি। কমলাকে প্রেসিডেন্ট করে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ইতিহাস সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন এই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
স্থানীয় সময় গত সোমবার (১৯ আগস্ট) ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্মেলন শুরু হয়। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার মঞ্চে আসেন ওবামা। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মিশেল ওবামাও। চার দিন ধরে চলবে এই সম্মেলন। এই সম্মেলন থেকে আগামী নির্বাচনে দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে কমলার নাম ঘোষণা করা হবে।
রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে কমলার জয় ছিনিয়ে আনা যে কঠিন হবে, সেটা নিজ মুখেই স্বীকার করেছেন ওবামা। তবে বিশ্বাস করা যায়, এমন একটি আমেরিকার জন্য লড়াই করার পাশাপাশি কমলার পক্ষে ভোট দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ওবামা বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতাকে নিজের স্বার্থ উদ্ধারের মাধ্যম ছাড়া আর কিছুই ভাবেন না। আমাদের আর চার বছরের ধোঁয়াশা, হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলার দরকার নেই। আমরা এই মুভি আগেই দেখে ফেলেছি। আর আমরা সবাই জানি যে সিক্যুয়েল সাধারণত খারাপ হয়। আমেরিকা নতুন অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুত। নতুন গল্পের জন্য প্রস্তুত। আমরা প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের জন্য প্রস্তুত।’
এদিন মঞ্চে উঠে দেড় ঘণ্টা কথা বলেন ৬৩ বছর বয়সী ওবামা। কমলা হ্যারিসের পেছনে বেশ শক্তভাবেই দাঁড়িয়েছেন তিনি। দেড় ঘণ্টার ভাষণে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনেরও বেশ প্রশংসা করেন এই সাবেক প্রেসিডেন্ট।
প্রাক নির্বাচনী জরিপে হ্যারিস জাতীয়ভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে বেশি জনপ্রিয়। নির্বাচিত হলে তিনি আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হবেন। তবে মার্কিন নির্বাচনের ফলাফল নির্ভর করবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের ওপর, যেগুলোর ভোট বেশ অনিশ্চিত।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে