আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলায় বিরোধী নেত্রী শান্তিতে নোবেলবিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর প্রতি দেশের ভেতরে পর্যাপ্ত সমর্থন নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি জানান, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের অভিযানের আগে মাচাদোর সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ করা হয়নি।
গতকাল শনিবার মার-আ-লাগোতে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, মাচাদোর পক্ষে ভেনেজুয়েলার নেতৃত্ব নেওয়া কঠিন হবে। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘আমি মনে করি, তাঁর পক্ষে নেতা হওয়া খুবই কঠিন। দেশের ভেতরে তাঁর সমর্থন নেই, সম্মানও নেই।’
অভিযানের বিষয়ে বা ভবিষ্যতে ভেনেজুয়েলার নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গেও মাচাদোর সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন কোনো আলোচনা করেনি বলে জানান তিনি। ট্রাম্প বলেন, তাঁর বদলে মাদুরোর উত্তরসূরি হিসেবে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের ওপর ভরসা করছেন। রদ্রিগেজ এরইমধ্যে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা ‘পরিচালনা’ করবে এবং এই সময়ে তিনি দেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে কাজ করবেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি মাত্রই তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। ভেনেজুয়েলাকে আবার মহান করতে যা যা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন, তা করতে তিনি প্রস্তুত। বিষয়টা খুবই সহজ।’
তবে এরপর এক টেলিভিশন ভাষণে ট্রাম্পের মন্তব্য উড়িয়ে দেন দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি বলেন, নিকোলাস মাদুরোই ভেনেজুয়েলার ‘একমাত্র প্রেসিডেন্ট’।
মাদুরোর আটকের কয়েক ঘণ্টা পর ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো বলেন, ‘মুক্তির ক্ষণ এসে গেছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ শেয়ার করা এক বার্তায় মাচাদো বলেন, ‘আজ আমরা আমাদের ম্যান্ডেট কার্যকর করতে এবং ক্ষমতা গ্রহণ করতে প্রস্তুত। গণতান্ত্রিক রূপান্তর বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সজাগ, সক্রিয় ও সংগঠিত থাকতে হবে। এই রূপান্তরের জন্য আমাদের সবার প্রয়োজন।’
মাচাদো বিরোধী নেতা এদমুন্দো গঞ্জালেস উরুতিয়ার প্রতি তাঁর সমর্থন জানান। ২০২৪ সালের ভেনেজুয়েলার নির্বাচনে ব্যাপক ভোট জালিয়াতির অভিযোগের মধ্যেই মাদুরো তাঁকে পরাজিত করেছিলেন। মাচাদোর মতে, উরুতিয়াকে জাতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে সব কর্মকর্তা ও সেনাসদস্যের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।
ইউরোপে অবস্থানরত মাচাদো জানান, মাদুরো ক্ষমতায় থাকুন বা না থাকুন, তিনি ভেনেজুয়েলায় ফিরবেন। তবে বর্তমানে তিনি ঠিক কোথায় আছেন, তা জানা যায়নি।
গতকাল শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে একাধিক হামলার পর মার্কিন সেনারা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে। মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স মাদুরোর আবাসিক কম্পাউন্ড থেকে তাঁদের আটক করে ইউএসএস আইও জিমা জাহাজে তোলে। জাহাজটি নিউইয়র্কের দিকে যাচ্ছে। সেখানে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
এদিকে এই অভিযানের নিন্দা জানিয়েছেন লাতিন আমেরিকার একাধিক নেতা।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ বলেন, তাঁর দেশের সরকার ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর একতরফাভাবে চালানো সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দা ও প্রত্যাখ্যান জানাচ্ছে। এটি জাতিসংঘ সনদের ২ নম্বর অনুচ্ছেদের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা লিখেছেন, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বের ওপর মারাত্মক আঘাত এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক আরেকটি নজির। প্রকাশ্যে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে কোনো দেশে আক্রমণ করা সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীলতার এক বিশ্বে প্রবেশের প্রথম ধাপ, যেখানে বহুপক্ষীয়তার বদলে শক্তিশালীর আইনই প্রাধান্য পায়।’
ভেনেজুয়েলায় চলমান এই সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানান চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক ফন্ত। তিনি এক্স-এ লেখেন, ‘চিলি আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতিগুলোর প্রতি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। যার মধ্যে রয়েছে বলপ্রয়োগের নিষেধাজ্ঞা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি এবং রাষ্ট্রগুলোর আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার সংকটের সমাধান হতে হবে সংলাপ ও বহুপক্ষীয়তার সমর্থনের মাধ্যমে, সহিংসতা বা বিদেশি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে নয়।’

ভেনেজুয়েলায় বিরোধী নেত্রী শান্তিতে নোবেলবিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর প্রতি দেশের ভেতরে পর্যাপ্ত সমর্থন নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি জানান, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের অভিযানের আগে মাচাদোর সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ করা হয়নি।
গতকাল শনিবার মার-আ-লাগোতে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, মাচাদোর পক্ষে ভেনেজুয়েলার নেতৃত্ব নেওয়া কঠিন হবে। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘আমি মনে করি, তাঁর পক্ষে নেতা হওয়া খুবই কঠিন। দেশের ভেতরে তাঁর সমর্থন নেই, সম্মানও নেই।’
অভিযানের বিষয়ে বা ভবিষ্যতে ভেনেজুয়েলার নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গেও মাচাদোর সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন কোনো আলোচনা করেনি বলে জানান তিনি। ট্রাম্প বলেন, তাঁর বদলে মাদুরোর উত্তরসূরি হিসেবে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের ওপর ভরসা করছেন। রদ্রিগেজ এরইমধ্যে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা ‘পরিচালনা’ করবে এবং এই সময়ে তিনি দেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে কাজ করবেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি মাত্রই তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। ভেনেজুয়েলাকে আবার মহান করতে যা যা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন, তা করতে তিনি প্রস্তুত। বিষয়টা খুবই সহজ।’
তবে এরপর এক টেলিভিশন ভাষণে ট্রাম্পের মন্তব্য উড়িয়ে দেন দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি বলেন, নিকোলাস মাদুরোই ভেনেজুয়েলার ‘একমাত্র প্রেসিডেন্ট’।
মাদুরোর আটকের কয়েক ঘণ্টা পর ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো বলেন, ‘মুক্তির ক্ষণ এসে গেছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ শেয়ার করা এক বার্তায় মাচাদো বলেন, ‘আজ আমরা আমাদের ম্যান্ডেট কার্যকর করতে এবং ক্ষমতা গ্রহণ করতে প্রস্তুত। গণতান্ত্রিক রূপান্তর বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সজাগ, সক্রিয় ও সংগঠিত থাকতে হবে। এই রূপান্তরের জন্য আমাদের সবার প্রয়োজন।’
মাচাদো বিরোধী নেতা এদমুন্দো গঞ্জালেস উরুতিয়ার প্রতি তাঁর সমর্থন জানান। ২০২৪ সালের ভেনেজুয়েলার নির্বাচনে ব্যাপক ভোট জালিয়াতির অভিযোগের মধ্যেই মাদুরো তাঁকে পরাজিত করেছিলেন। মাচাদোর মতে, উরুতিয়াকে জাতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে সব কর্মকর্তা ও সেনাসদস্যের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।
ইউরোপে অবস্থানরত মাচাদো জানান, মাদুরো ক্ষমতায় থাকুন বা না থাকুন, তিনি ভেনেজুয়েলায় ফিরবেন। তবে বর্তমানে তিনি ঠিক কোথায় আছেন, তা জানা যায়নি।
গতকাল শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে একাধিক হামলার পর মার্কিন সেনারা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে। মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স মাদুরোর আবাসিক কম্পাউন্ড থেকে তাঁদের আটক করে ইউএসএস আইও জিমা জাহাজে তোলে। জাহাজটি নিউইয়র্কের দিকে যাচ্ছে। সেখানে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
এদিকে এই অভিযানের নিন্দা জানিয়েছেন লাতিন আমেরিকার একাধিক নেতা।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ বলেন, তাঁর দেশের সরকার ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর একতরফাভাবে চালানো সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দা ও প্রত্যাখ্যান জানাচ্ছে। এটি জাতিসংঘ সনদের ২ নম্বর অনুচ্ছেদের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা লিখেছেন, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বের ওপর মারাত্মক আঘাত এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক আরেকটি নজির। প্রকাশ্যে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে কোনো দেশে আক্রমণ করা সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীলতার এক বিশ্বে প্রবেশের প্রথম ধাপ, যেখানে বহুপক্ষীয়তার বদলে শক্তিশালীর আইনই প্রাধান্য পায়।’
ভেনেজুয়েলায় চলমান এই সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানান চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক ফন্ত। তিনি এক্স-এ লেখেন, ‘চিলি আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতিগুলোর প্রতি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। যার মধ্যে রয়েছে বলপ্রয়োগের নিষেধাজ্ঞা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি এবং রাষ্ট্রগুলোর আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার সংকটের সমাধান হতে হবে সংলাপ ও বহুপক্ষীয়তার সমর্থনের মাধ্যমে, সহিংসতা বা বিদেশি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে নয়।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রোববার জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো গ্রেপ্তার হওয়ার পর দেশটির প্রশাসনের বাকি সদস্যরা যদি পরিস্থিতি ‘ঠিকঠাক’ করার কাজে সহযোগিতা না করেন, তবে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে আবারও সামরিক হামলা চালাতে পারে।
১৯ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নয়াদিল্লি যদি রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখে, তবে ওয়াশিংটন ভারতের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে দেবে। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানতেন যে ‘তিনি (ট্রাম্প) খুশি নন’ এবং নয়াদিল্লি তাঁকে ‘খুশি করতে’ চেয়েছিল।
৩৬ মিনিট আগে
কারাকাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার সময় নিজেদের ৩২ জন নাগরিকের মৃত্যুর কথা ঘোষণা করেছে কিউবা সরকার। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, কিউবায় হামলা চালানোর দরকার নেই। দেশটি এমনিতেই পড়ে যাবে।
১ ঘণ্টা আগে
ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ভেনেজুয়েলার নেতাকে বন্দি করার ঘটনার প্রেক্ষাপটে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকে হুমকি দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন যে, কিউবার সরকারেরও খুব শিগগির পতন হতে যাচ্ছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
২ ঘণ্টা আগে