
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই দুনিয়ায় জাকারবার্গের নাম কে না জানে। বর্তমানে তিনি মেটার সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মাধ্যমে একসঙ্গে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো জনপ্রিয় তিনটি মাধ্যমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এই টেক জায়ান্ট। তবে প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের বাইরেও জাকারবার্গের আরও অনেক দিকে আগ্রহ রয়েছে। এই আগ্রহের ফল হিসেবে এবার নিজ বাড়িতেই পরিচয় সংকটে পড়লেন ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
জানা গেছে, বাবাকে একজন ‘পশু-পালক’ মনে করে জাকারবার্গের মেয়েরা। সাম্প্রতিক সময়ে শখের বশে মার্শাল আর্ট, হাইড্রোফিলিংয়ের পাশাপাশি গরু পালনেও মন দিয়েছিলেন জাকারবার্গ। আর এতেই মেটার মতো জটিল বিষয় নিয়ে ভাবনা-চিন্তা না করা জাকারবার্গের মেয়েরা বাবাকে একজন পশু-পালক হিসেবেই ধরে নিয়েছে।
মর্নিং ব্রিউ ডেইলি নামে একটি পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বিষয়টি ফাঁস করেছেন জাকারবার্গ নিজেই। সাক্ষাৎকারে মেটা বিষয়টিকে অনুধাবনের বিষয়ে উপস্থাপককে তিনি বলেন, ‘আপনি যদি বাচ্চাদের মতো হন, যেমনটি আমার কন্যারা, মেটা বিষয়টি আপনার মাথায় ঢোকানো কঠিন হবে, তাই না? এটা খুবই বিমূর্ত অ্যাপ। আমার মেয়েরা ভেবে বসেছে, আমি একজন গরু পালনকারী।’
গরু পালন নিয়ে অবশ্য জাকারবার্গের মেয়েরাও খুব উৎসাহী। এ বিষয়ে তারা বাবাকে সাধ্যমতো সহযোগিতাও করে। আর পারিবারিক এমন উৎসাহ পেয়েই হয়তো জাকারবার্গ ভাবছেন, ভবিষ্যতে তিনি ‘মার্কস মিট’ নামে উন্নতমানের গরুর মাংস উৎপাদন এবং বিপণন করবেন।
গরু বিষয়ক প্রকল্পে সফলতা পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই নিজের খামারে থাকা গরুগুলোকে অভিনব উপায়ে খাবার সরবরাহ করছেন জাকারবার্গ। তিনি তাঁর পোষা গরুগুলোকে পানীয় হিসেবে বিয়ার সরবরাহ করা ছাড়াও খাদ্য হিসেবে উন্নতমানের ম্যাকাডেমিয়া বাদাম সরবরাহ করেন।
সে যা-ই হোক, মর্নিং ব্রিউ ডেইলি পডকাস্টে কথা বলা সময় বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়েও কথা বলেন জাকারবার্গ। তিনি জানান, এই প্রবণতা সহসাই থেমে যাবে না। কারণ কোম্পানিগুলো তাদের কাজের ধরনে বদল আনছে। মহামারি পরবর্তী সময়ে একটি নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে এসব কোম্পানি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই দুনিয়ায় জাকারবার্গের নাম কে না জানে। বর্তমানে তিনি মেটার সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মাধ্যমে একসঙ্গে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো জনপ্রিয় তিনটি মাধ্যমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এই টেক জায়ান্ট। তবে প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের বাইরেও জাকারবার্গের আরও অনেক দিকে আগ্রহ রয়েছে। এই আগ্রহের ফল হিসেবে এবার নিজ বাড়িতেই পরিচয় সংকটে পড়লেন ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
জানা গেছে, বাবাকে একজন ‘পশু-পালক’ মনে করে জাকারবার্গের মেয়েরা। সাম্প্রতিক সময়ে শখের বশে মার্শাল আর্ট, হাইড্রোফিলিংয়ের পাশাপাশি গরু পালনেও মন দিয়েছিলেন জাকারবার্গ। আর এতেই মেটার মতো জটিল বিষয় নিয়ে ভাবনা-চিন্তা না করা জাকারবার্গের মেয়েরা বাবাকে একজন পশু-পালক হিসেবেই ধরে নিয়েছে।
মর্নিং ব্রিউ ডেইলি নামে একটি পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বিষয়টি ফাঁস করেছেন জাকারবার্গ নিজেই। সাক্ষাৎকারে মেটা বিষয়টিকে অনুধাবনের বিষয়ে উপস্থাপককে তিনি বলেন, ‘আপনি যদি বাচ্চাদের মতো হন, যেমনটি আমার কন্যারা, মেটা বিষয়টি আপনার মাথায় ঢোকানো কঠিন হবে, তাই না? এটা খুবই বিমূর্ত অ্যাপ। আমার মেয়েরা ভেবে বসেছে, আমি একজন গরু পালনকারী।’
গরু পালন নিয়ে অবশ্য জাকারবার্গের মেয়েরাও খুব উৎসাহী। এ বিষয়ে তারা বাবাকে সাধ্যমতো সহযোগিতাও করে। আর পারিবারিক এমন উৎসাহ পেয়েই হয়তো জাকারবার্গ ভাবছেন, ভবিষ্যতে তিনি ‘মার্কস মিট’ নামে উন্নতমানের গরুর মাংস উৎপাদন এবং বিপণন করবেন।
গরু বিষয়ক প্রকল্পে সফলতা পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই নিজের খামারে থাকা গরুগুলোকে অভিনব উপায়ে খাবার সরবরাহ করছেন জাকারবার্গ। তিনি তাঁর পোষা গরুগুলোকে পানীয় হিসেবে বিয়ার সরবরাহ করা ছাড়াও খাদ্য হিসেবে উন্নতমানের ম্যাকাডেমিয়া বাদাম সরবরাহ করেন।
সে যা-ই হোক, মর্নিং ব্রিউ ডেইলি পডকাস্টে কথা বলা সময় বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়েও কথা বলেন জাকারবার্গ। তিনি জানান, এই প্রবণতা সহসাই থেমে যাবে না। কারণ কোম্পানিগুলো তাদের কাজের ধরনে বদল আনছে। মহামারি পরবর্তী সময়ে একটি নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে এসব কোম্পানি।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৯ ঘণ্টা আগে