আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) গভর্নর লিসা কুক। তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁকে অপসারণ করার প্রেসিডেন্টের কোনো সাংবিধানিক ক্ষমতা নেই। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দীর্ঘদিনের স্বাধীনতার রীতি নতুন করে আইনি পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে।
মামলায় কুক উল্লেখ করেছেন, আইন অনুযায়ী কেবল ‘যথাযথ কারণ’ দেখিয়ে ফেড গভর্নরকে অপসারণ করা যায়। কিন্তু ট্রাম্প গত সোমবার (২৫ আগস্ট) নজিরবিহীনভাবে ঘোষণা দেন, তিনি কুককে বরখাস্ত করবেন। ট্রাম্পের অভিযোগ, ফেডে যোগদানের আগে ২০২১ সালে মর্টগেজ জালিয়াতি করেছিলেন কুক। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করে কুক বলছেন, এমনকি অভিযোগ সত্যও হলেও তা তাঁর অপসারণের ‘বৈধ কারণ’ হতে পারে না।
ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা ও এর ওপর অস্থায়ী স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন কুক। মামলার চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত ফেড যেন তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারে, আবেদনে সেই আদেশ চাওয়া হয়েছে।
আইনজীবীরা তাঁর মামলায় উল্লেখ করেছেন, কলেজজীবনে কারও জেব্রা ক্রসিং ভেঙে যাওয়ার মতো অপরাধ থাকলেও তা ফেড গভর্নরকে অপসারণের কারণ হতে পারে না।
মামলাটি শুনানির জন্য মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক জিয়া কবে, যিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিয়োগপ্রাপ্ত, তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আইনি বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে গড়াতে পারে। আদালত সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ফেড তার বিশেষ কাঠামো ও ঐতিহাসিক ভূমিকার কারণে প্রেসিডেন্টের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ থেকে ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাজারেও প্রভাব পড়েছে। ট্রাম্পের বরখাস্তের ঘোষণা দেওয়ার পর মার্কিন ডলার অন্যান্য প্রধান মুদ্রার বিপরীতে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন, ফেড আগামী মাসে সুদের হার কমাতে পারে।
লিসা কুক ২০২২ সালে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের মনোনয়নে ফেড গভর্নর হিসেবে যোগ দেন। তিনি এ পদে দায়িত্ব পাওয়া প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী। এর আগে ট্রাম্প একইভাবে ন্যাশনাল লেবার রিলেশনস বোর্ডের (এনএলআরবি) প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী সদস্য গুইন উইলকক্সকেও বরখাস্ত করেছিলেন।
আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেডের আইনে ‘কারণ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। এখন আদালতকে ব্যাখ্যা করতে হবে যে কুকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্যিই যথেষ্ট কারণ হিসেবে গণ্য করা যায় কি না।
ফেড মুখপাত্র জানিয়েছেন, আদালতের যেকোনো রায় তারা মেনে নেবে। তবে হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। কুকের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের এ পদক্ষেপ শুধু যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও এক অনিশ্চিত পরিস্থিতি তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) গভর্নর লিসা কুক। তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁকে অপসারণ করার প্রেসিডেন্টের কোনো সাংবিধানিক ক্ষমতা নেই। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দীর্ঘদিনের স্বাধীনতার রীতি নতুন করে আইনি পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে।
মামলায় কুক উল্লেখ করেছেন, আইন অনুযায়ী কেবল ‘যথাযথ কারণ’ দেখিয়ে ফেড গভর্নরকে অপসারণ করা যায়। কিন্তু ট্রাম্প গত সোমবার (২৫ আগস্ট) নজিরবিহীনভাবে ঘোষণা দেন, তিনি কুককে বরখাস্ত করবেন। ট্রাম্পের অভিযোগ, ফেডে যোগদানের আগে ২০২১ সালে মর্টগেজ জালিয়াতি করেছিলেন কুক। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করে কুক বলছেন, এমনকি অভিযোগ সত্যও হলেও তা তাঁর অপসারণের ‘বৈধ কারণ’ হতে পারে না।
ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা ও এর ওপর অস্থায়ী স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন কুক। মামলার চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত ফেড যেন তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারে, আবেদনে সেই আদেশ চাওয়া হয়েছে।
আইনজীবীরা তাঁর মামলায় উল্লেখ করেছেন, কলেজজীবনে কারও জেব্রা ক্রসিং ভেঙে যাওয়ার মতো অপরাধ থাকলেও তা ফেড গভর্নরকে অপসারণের কারণ হতে পারে না।
মামলাটি শুনানির জন্য মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক জিয়া কবে, যিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিয়োগপ্রাপ্ত, তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আইনি বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে গড়াতে পারে। আদালত সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ফেড তার বিশেষ কাঠামো ও ঐতিহাসিক ভূমিকার কারণে প্রেসিডেন্টের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ থেকে ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাজারেও প্রভাব পড়েছে। ট্রাম্পের বরখাস্তের ঘোষণা দেওয়ার পর মার্কিন ডলার অন্যান্য প্রধান মুদ্রার বিপরীতে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন, ফেড আগামী মাসে সুদের হার কমাতে পারে।
লিসা কুক ২০২২ সালে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের মনোনয়নে ফেড গভর্নর হিসেবে যোগ দেন। তিনি এ পদে দায়িত্ব পাওয়া প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী। এর আগে ট্রাম্প একইভাবে ন্যাশনাল লেবার রিলেশনস বোর্ডের (এনএলআরবি) প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী সদস্য গুইন উইলকক্সকেও বরখাস্ত করেছিলেন।
আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেডের আইনে ‘কারণ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। এখন আদালতকে ব্যাখ্যা করতে হবে যে কুকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্যিই যথেষ্ট কারণ হিসেবে গণ্য করা যায় কি না।
ফেড মুখপাত্র জানিয়েছেন, আদালতের যেকোনো রায় তারা মেনে নেবে। তবে হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। কুকের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের এ পদক্ষেপ শুধু যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও এক অনিশ্চিত পরিস্থিতি তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৬ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৮ ঘণ্টা আগে