
গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে বলে মনে করে না যুক্তরাষ্ট্র। এমনটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, তবে ইসরায়েলকে অবশ্যই গাজায় বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় আরও সচেষ্ট হতে হবে। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গাজায় চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ এবং হামাসের হাতে থাকা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্ত করতে যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলার মধ্যেই রাফাহে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে বলা হচ্ছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার সব দায়দায়িত্ব এখন হামাসের কাঁধে।
সংবাদ সম্মেলনে জেক সুলিভান বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণে ইসরায়েলের তরফ থেকে আরও অনেক কিছু করার আছে। তবে আমরা বিশ্বাস করি না যে, গাজায় যা ঘটছে (ইসরায়েল ঘটাচ্ছে) তা কোনোভাবে গণহত্যা।’
এ সময় জেক সুলিভান জানান, কোনো হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা বলে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড তা ব্যবহার করেই যুক্তরাষ্ট্র এই মূল্যায়নে পৌঁছেছে। তিনি জানান, মূলত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আরও জানান, বাইডেন হামাসকে পরাজিত দেখতে চেয়েছিলেন কিন্তু পরে তিনি বুঝতে পারেন যে, ফিলিস্তিনি বেসামরিক লোকেরা এক ‘নারকীয়’ অবস্থার মধ্যে আছে।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম গাজায় পারমাণবিক বোমা ফেলতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘পার্ল হারবারে হামলার পর জাতি হিসেবে আমরা যখন জার্মানি ও জাপানের মোকাবিলায় ধ্বংসের মুখোমুখি হয়েছিলাম, তখন আমরা হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমা ফেলে যুদ্ধ শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। সেটি সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।’
মার্কিন এই সিনেটর আরও বলেন, ‘তাই ইসরায়েলকে (পারমাণবিক) বোমা দেওয়া উচিত, যাতে তারা এই যুদ্ধ শেষ করতে পারে। তারা (ইসরায়েল) এখানে হারতে পারে না।’ লিন্ডসে গ্রাহাম ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সুতরাং ইসরায়েল, ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকার জন্য যা কিছু করতে হয়, তা তোমরা করো। তোমাকে করতে হবে।’
সাক্ষাৎকারে লিন্ডসে গ্রাহাম গাজায় বেসামরিক প্রাণহানির জন্য হামাসকেই দায়ী করেন। তিনি অভিযোগ করেন, হামাস বেসামরিক নাগরিকদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, যতক্ষণ পর্যন্ত হামাস তাদের নিজ জনগণকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে ততক্ষণ গাজায় বেসামরিক মৃত্যু কমানো অসম্ভব।’

গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে বলে মনে করে না যুক্তরাষ্ট্র। এমনটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, তবে ইসরায়েলকে অবশ্যই গাজায় বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় আরও সচেষ্ট হতে হবে। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গাজায় চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ এবং হামাসের হাতে থাকা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্ত করতে যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলার মধ্যেই রাফাহে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে বলা হচ্ছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার সব দায়দায়িত্ব এখন হামাসের কাঁধে।
সংবাদ সম্মেলনে জেক সুলিভান বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণে ইসরায়েলের তরফ থেকে আরও অনেক কিছু করার আছে। তবে আমরা বিশ্বাস করি না যে, গাজায় যা ঘটছে (ইসরায়েল ঘটাচ্ছে) তা কোনোভাবে গণহত্যা।’
এ সময় জেক সুলিভান জানান, কোনো হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা বলে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড তা ব্যবহার করেই যুক্তরাষ্ট্র এই মূল্যায়নে পৌঁছেছে। তিনি জানান, মূলত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আরও জানান, বাইডেন হামাসকে পরাজিত দেখতে চেয়েছিলেন কিন্তু পরে তিনি বুঝতে পারেন যে, ফিলিস্তিনি বেসামরিক লোকেরা এক ‘নারকীয়’ অবস্থার মধ্যে আছে।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম গাজায় পারমাণবিক বোমা ফেলতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘পার্ল হারবারে হামলার পর জাতি হিসেবে আমরা যখন জার্মানি ও জাপানের মোকাবিলায় ধ্বংসের মুখোমুখি হয়েছিলাম, তখন আমরা হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমা ফেলে যুদ্ধ শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। সেটি সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।’
মার্কিন এই সিনেটর আরও বলেন, ‘তাই ইসরায়েলকে (পারমাণবিক) বোমা দেওয়া উচিত, যাতে তারা এই যুদ্ধ শেষ করতে পারে। তারা (ইসরায়েল) এখানে হারতে পারে না।’ লিন্ডসে গ্রাহাম ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সুতরাং ইসরায়েল, ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকার জন্য যা কিছু করতে হয়, তা তোমরা করো। তোমাকে করতে হবে।’
সাক্ষাৎকারে লিন্ডসে গ্রাহাম গাজায় বেসামরিক প্রাণহানির জন্য হামাসকেই দায়ী করেন। তিনি অভিযোগ করেন, হামাস বেসামরিক নাগরিকদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, যতক্ষণ পর্যন্ত হামাস তাদের নিজ জনগণকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে ততক্ষণ গাজায় বেসামরিক মৃত্যু কমানো অসম্ভব।’

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
২ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে