
আবারও প্রশান্ত মহাসাগরে নৌযানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মাদক বহনকারী দাবি করে চালানো এ হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন বলে এএফপির প্রতিবেদনে জানা গেছে। এ নিয়ে গত পাঁচ দিনে পঞ্চমবারের মতো দেশটিতে এ ধরনের প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটল।
যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসী সংগঠনের’ মাধ্যমে পরিচালিত একটি নৌকায় তারা ‘প্রাণঘাতী গতিশীল হামলা’ (লিথাল কাইনেটিক স্ট্রাইক) চালিয়েছে। তবে ‘সন্ত্রাসী’ গোষ্ঠীটির নাম প্রকাশ করেনি তারা।
পোস্টে আরও বলা হয়, ‘এই অভিযানে তিনজন পুরুষ মাদক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।’ সবশেষ এই হামলার পর নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে।
গত সোমবার মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পাচারের অভিযোগে দুটি নৌকা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে মোট পাঁচজন নিহত হন এবং একজন জীবিত উদ্ধার হন। এরপর মঙ্গলবার দেশটির সামরিক বাহিনী জানায়, তারা একই এলাকায় আরও চারজনকে হত্যা করেছে।
ট্রাম্প প্রশাসন জোর দিয়ে বলছে, লাতিন আমেরিকায় সক্রিয় তথাকথিত ‘মাদক সন্ত্রাসীদের’ বিরুদ্ধে তারা কার্যত যুদ্ধে লিপ্ত। তবে যেসব নৌকাকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, সেগুলো মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত কি না এ বিষয়ে কোনো অকাট্য প্রমাণ তারা দিতে পারেনি। ফলে এসব অভিযানের বৈধতা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এই হামলাগুলো সম্ভবত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শামিল। কারণ, আপাতদৃষ্টে এমন সব বেসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি ছিলেন না।
গত জানুয়ারিতে ক্যারিবীয় সাগরে একটি ছোট নৌকায় হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি ফেডারেল মামলা দায়ের করেন আইনজীবীরা। গত অক্টোবরের ওই হামলায় ত্রিনিদাদের একটি গ্রামের দুই ব্যক্তি নিহত হন। নিহতদের পরিবারের পক্ষে করা ওই মামলায় বলা হয়, ‘পরিকল্পিত ও ইচ্ছাকৃতভাবে করা এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে যুক্তিসংগত কোনো আইনি ভিত্তি নেই।’
আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ) গত ডিসেম্বরে বলেছে, ‘যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের পরিচয় নিয়ে প্রশাসন ভিত্তিহীন ও আতঙ্ক সৃষ্টিকারী দাবি করে যাচ্ছে। অথচ তদন্তে দেখা গেছে, নিহতদের মধ্যে কেউ কেউ ছিলেন সাধারণ জেলে, যারা স্রেফ পরিবারের ভরণপোষণের চেষ্টা করছিলেন।’
গত মাসে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতিনিধি জোয়াকিন কাস্ত্রো এবং সারা জ্যাকবস ইন্টার-আমেরিকান কমিশন অন হিউম্যান রাইটসের কাছে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিঠি লিখেছেন। সেখানে তাঁরা উল্লেখ করেন, নিহতদের অধিকাংশেরই নাম ও জাতীয়তা এখনো অজানা রয়ে গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যস্ত থাকলেও লাতিন আমেরিকায় নৌকায় হামলার এই হামলার ধারা অব্যাহত রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি চেয়েছিলেন—সিরিয়া লেবাননে প্রবেশ করে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান চালাক। তাঁর দাবি, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন বাহিনী এই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের তুলনায় আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারত। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
৩১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে একটি কাঠামোগত চুক্তিতে পৌঁছানোর পর আরও আলোচনা শুরু হবে আগামী শুক্রবার। তবে তার দুই দিন আগেই ইরানের তেল বহনকারী কয়েকটি ট্যাংকার হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধসীমা অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে একটি জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট। কাতারভিত্তিক
১ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্সের এভিয়ঁ-লে-বঁ শহরে চলতি সপ্তাহে জি৭ সম্মেলনে বিশ্বের নেতারা জড়ো হয়েছিলেন। আলোচনার কেন্দ্র ছিল নানা গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যু। কিন্তু আনুষ্ঠানিক বৈঠক আর নীতিনির্ধারণী আলোচনা থেকে একটু দূরে ঘটে যাওয়া একটি মুহূর্তই সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এক ঘোষণা ঘিরে সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস (ইএফআর)। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এটি সাধারণ শাখায় পরিণত হয়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে