
কানাডার টরন্টো পিয়ারসন বিমানবন্দরে ডেলটা এয়ারলাইনসের একটি আঞ্চলিক জেট বিমান অবতরণের সময় উল্টে যায়। তুষারঝড়ের পর তীব্র বাতাসের মধ্যে এই দুর্ঘটনায় বিমানের ৮০ জন যাত্রী ও ক্রু সদস্যের মধ্যে ১৮ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, যাদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।
কানাডীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কর্মকর্তারা জানান, ১৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ডেলটা এয়ারলাইনসের সহযোগী সংস্থা এনডেভার এয়ারের পরিচালিত একটি সিআরজে-৯০০ বিমান গতকাল সোমবার এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। বিমানটিতে ৭৬ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু ছিলেন।
১৬ বছর যাত্রী পরিবহন পরিষেবায় রয়েছে বিমানটি। এটি কানাডীয় কোম্পানি বোম্বার্ডিয়ার তৈরি। ইঞ্জিন জিই অ্যারোস্পেস। দুর্ঘটনার পর ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিমানের অন্তত একটি ডানা ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
কানাডীয় কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করছে। ওই বিমানের যাত্রী জন নেলসন সিএনএনকে বলেন, অবতরণের আগে কোনো অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা মাটিতে আঘাত করলাম এবং আমরা পাশে সরে গেলাম, এরপর উল্টে গেলাম। আমি সিট বেল্ট খুলে মাটিতে পড়ে গেলাম। কিছু লোক ঝুলছিল। অন্যরা নিজেরাই নেমে আসতে পেরেছিলেন।’
গতকাল সোমবার সকালে পিয়ারসন বিমানবন্দর জানায়, তীব্র বাতাস এবং ঠান্ডা তাপমাত্রার কারণে তারা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। সপ্তাহান্তের তুষারঝড়ে বিমানবন্দরে ২২ সেন্টিমিটার (৮.৬ ইঞ্চি) তুষারপাত হয়, যার ফলে অনেক ফ্লাইট বাতিল হয়। ফ্লাইটরাডার ২৪ ডেটা অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় আবহাওয়া ছিল তীব্র তুষারঝড় এবং এলোপাতাড়ি ঝোড়ো হাওয়া।
সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর আমেরিকায় বেশ কয়েকটি বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। ওয়াশিংটনে একটি সামরিক হেলিকপ্টার একটি সিআরজে-৭০০ যাত্রীবাহী জেটের সঙ্গে সংঘর্ষে ৬৭ জন নিহত হয়। ফিলাডেলফিয়ায় একটি মেডিকেল ট্রান্সপোর্ট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে কমপক্ষে ৭ জন এবং আলাস্কায় একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১০ জন নিহত হয়।

কানাডার টরন্টো পিয়ারসন বিমানবন্দরে ডেলটা এয়ারলাইনসের একটি আঞ্চলিক জেট বিমান অবতরণের সময় উল্টে যায়। তুষারঝড়ের পর তীব্র বাতাসের মধ্যে এই দুর্ঘটনায় বিমানের ৮০ জন যাত্রী ও ক্রু সদস্যের মধ্যে ১৮ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, যাদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।
কানাডীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কর্মকর্তারা জানান, ১৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ডেলটা এয়ারলাইনসের সহযোগী সংস্থা এনডেভার এয়ারের পরিচালিত একটি সিআরজে-৯০০ বিমান গতকাল সোমবার এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। বিমানটিতে ৭৬ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু ছিলেন।
১৬ বছর যাত্রী পরিবহন পরিষেবায় রয়েছে বিমানটি। এটি কানাডীয় কোম্পানি বোম্বার্ডিয়ার তৈরি। ইঞ্জিন জিই অ্যারোস্পেস। দুর্ঘটনার পর ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিমানের অন্তত একটি ডানা ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
কানাডীয় কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করছে। ওই বিমানের যাত্রী জন নেলসন সিএনএনকে বলেন, অবতরণের আগে কোনো অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা মাটিতে আঘাত করলাম এবং আমরা পাশে সরে গেলাম, এরপর উল্টে গেলাম। আমি সিট বেল্ট খুলে মাটিতে পড়ে গেলাম। কিছু লোক ঝুলছিল। অন্যরা নিজেরাই নেমে আসতে পেরেছিলেন।’
গতকাল সোমবার সকালে পিয়ারসন বিমানবন্দর জানায়, তীব্র বাতাস এবং ঠান্ডা তাপমাত্রার কারণে তারা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। সপ্তাহান্তের তুষারঝড়ে বিমানবন্দরে ২২ সেন্টিমিটার (৮.৬ ইঞ্চি) তুষারপাত হয়, যার ফলে অনেক ফ্লাইট বাতিল হয়। ফ্লাইটরাডার ২৪ ডেটা অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় আবহাওয়া ছিল তীব্র তুষারঝড় এবং এলোপাতাড়ি ঝোড়ো হাওয়া।
সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর আমেরিকায় বেশ কয়েকটি বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। ওয়াশিংটনে একটি সামরিক হেলিকপ্টার একটি সিআরজে-৭০০ যাত্রীবাহী জেটের সঙ্গে সংঘর্ষে ৬৭ জন নিহত হয়। ফিলাডেলফিয়ায় একটি মেডিকেল ট্রান্সপোর্ট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে কমপক্ষে ৭ জন এবং আলাস্কায় একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১০ জন নিহত হয়।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৬ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৬ ঘণ্টা আগে