
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যে বন্দুকধারীদের গুলিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত চার সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত চারজন। নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, একটি গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বন্দুকধারীদের একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশের অনুমান, এ ঘটনায় অন্তত দুজন জড়িত ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর এমন ভয়াবহ আক্রমণ বিগত কয়েক দশকের মধ্যে ঘটেনি।
শার্লট–মেকলেনবার্গ পুলিশ বিভাগের প্রধান জনি জেনিংস সংবাদ সম্মেলনে জানান, আগ্নেয়াস্ত্র রাখার দায়ে দোষী সাব্যস্ত এক অপরাধীকে ধরতে একটি বাড়িতে গিয়েছিলেন নিহত কর্মকর্তারা। কিন্তু বাড়িটিতে ঢোকার পর তাদের ওপর গুলি শুরু করেন। কিছুক্ষণ ধরে গোলাগুলি চলে। পরে স্পেশাল উইপনস অ্যান্ড ট্যাকটিকসের (সোয়াট) একটি দল সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
চারজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জনি জেনিংস বলেন, ‘আজ আমরা কয়েকজন বীরকে হারিয়েছি। যারা স্রেফ আমাদের কমিউনিটিকে রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন।’ এ সময় তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিগত ৩০ বছরের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এমন হামলা খুব কমই হয়েছে।
জনি জেনিংস জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে থেমে থেমে গোলাগুলি হয়েছে। পরে পুলিশ শ্যানন পার্কের আশপাশের গ্যালাওয়ে সড়কে অবস্থিত বাড়িটিতে সাঁজোয়া যান ব্যবহার করে বাড়ির প্রবেশেপথ, জানালা-দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এক ব্যক্তিসহ এক কিশোর ও নারীকে আটক করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তিন কর্মকর্তা নিহত হওয়া ছাড়াও বন্দুকধারীদের গুলিতে শার্লট-মেকলেনবার্গসহ পুলিশ বিভাগের চারজন সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বন্দুক হামলায় নিহতরা যুক্তরাষ্ট্রের মার্শাল টাস্কফোর্সের সদস্য। বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে এই টাস্কফোর্স ঘঠন করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যে বন্দুকধারীদের গুলিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত চার সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত চারজন। নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, একটি গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বন্দুকধারীদের একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশের অনুমান, এ ঘটনায় অন্তত দুজন জড়িত ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর এমন ভয়াবহ আক্রমণ বিগত কয়েক দশকের মধ্যে ঘটেনি।
শার্লট–মেকলেনবার্গ পুলিশ বিভাগের প্রধান জনি জেনিংস সংবাদ সম্মেলনে জানান, আগ্নেয়াস্ত্র রাখার দায়ে দোষী সাব্যস্ত এক অপরাধীকে ধরতে একটি বাড়িতে গিয়েছিলেন নিহত কর্মকর্তারা। কিন্তু বাড়িটিতে ঢোকার পর তাদের ওপর গুলি শুরু করেন। কিছুক্ষণ ধরে গোলাগুলি চলে। পরে স্পেশাল উইপনস অ্যান্ড ট্যাকটিকসের (সোয়াট) একটি দল সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
চারজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জনি জেনিংস বলেন, ‘আজ আমরা কয়েকজন বীরকে হারিয়েছি। যারা স্রেফ আমাদের কমিউনিটিকে রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন।’ এ সময় তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিগত ৩০ বছরের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এমন হামলা খুব কমই হয়েছে।
জনি জেনিংস জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে থেমে থেমে গোলাগুলি হয়েছে। পরে পুলিশ শ্যানন পার্কের আশপাশের গ্যালাওয়ে সড়কে অবস্থিত বাড়িটিতে সাঁজোয়া যান ব্যবহার করে বাড়ির প্রবেশেপথ, জানালা-দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এক ব্যক্তিসহ এক কিশোর ও নারীকে আটক করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তিন কর্মকর্তা নিহত হওয়া ছাড়াও বন্দুকধারীদের গুলিতে শার্লট-মেকলেনবার্গসহ পুলিশ বিভাগের চারজন সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বন্দুক হামলায় নিহতরা যুক্তরাষ্ট্রের মার্শাল টাস্কফোর্সের সদস্য। বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে এই টাস্কফোর্স ঘঠন করা হয়।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে