
অস্ত্র আইনে ও কর ফাঁকির অভিযোগে মামলায় দণ্ডের মুখে থাকা ছেলে হান্টারকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমা করবেন কি না—এ প্রশ্নের জবাবে জোরালোভাবে ‘না’ বলেছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জ্যঁ-পিয়েরে। গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান বলে সিএনএন এক প্রতিবেদনে বলেছে।
ব্রিফিংয়ের আগে গত বুধবার ফেডারেল আদালতে শুনানির পর বাইডেন ছেলের সঙ্গে কথা বলেছেন কি না, সে বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি জ্যঁ-পিয়েরে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জ্যঁ-পিয়েরে বলেন, ‘আমি গতকাল যা বলেছি তার চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাইছি না। এটি হান্টার ও বাইডেনের ব্যক্তিগত বিষয়। বিচার বিভাগ এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি ট্রাম্পের নিযুক্ত প্রসিকিউটর পরিচালনা করেছে।’
গত মাসে হান্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ওঠার পর হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ইয়ান সামস এক বিবৃতিতে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘প্রেসিডেন্ট এবং ফার্স্ট লেডি তাদের ছেলেকে ভালোবাসেন এবং তাকে সমর্থন করেন। কারণ হান্টার জীবন নতুন করে গড়ার চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে আমাদের আর কোনো মন্তব্য নেই।’
তবে হোয়াইট হাউস হান্টারের আইনি সমস্যার বিষয়ে মন্তব্য করা এড়িয়ে গেছে। এ বিষয়ে জানতে বিচার বিভাগ এবং হান্টার-বাইডেনের ব্যক্তিগত আইনি দলকে জিজ্ঞাসার জন্য অনুরোধ করেছে।
গত বুধবার দুটি কর ফাঁকি মামলায় হান্টারের দোষ স্বীকারের পর প্রসিকিউটরেরা তাঁর জামিনের জন্য সুপারিশের চেষ্টা করেছিলেন। তবে শুনানির একপর্যায়ে জামিনের আদেশ বাতিল করেন বিচারক।
ট্রাম্প যুগের বিচার বিভাগ ২০১৮ সালে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। হান্টারের শত মিলিয়ন ডলারের বিদেশি ব্যবসায়িক লেনদেনের সঙ্গে মানি লন্ডারিং এবং বিদেশি লবিং আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না তা তদন্ত করেছে। ফেডারেল তদন্তকারীরা হান্টার বাইডেনের অবৈতনিক কর এবং অস্বাভাবিক ব্যয়ের দিকেও নজর দিয়েছিলেন।
তদন্তে নেতৃত্ব দিয়েছেন মার্কিন অ্যাটর্নি ডেভিড ওয়েইস। তাকে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিযুক্ত করেছিলেন। তবে জো বাইডেন বা হোয়াইট হাউস কখনো তদন্তে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করেছে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এদিকে তদন্ত চলকালে হান্টার বাইডেন সুদ এবং জরিমানাসহ সব ট্যাক্স বিল সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ করেছিলেন।

অস্ত্র আইনে ও কর ফাঁকির অভিযোগে মামলায় দণ্ডের মুখে থাকা ছেলে হান্টারকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমা করবেন কি না—এ প্রশ্নের জবাবে জোরালোভাবে ‘না’ বলেছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জ্যঁ-পিয়েরে। গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান বলে সিএনএন এক প্রতিবেদনে বলেছে।
ব্রিফিংয়ের আগে গত বুধবার ফেডারেল আদালতে শুনানির পর বাইডেন ছেলের সঙ্গে কথা বলেছেন কি না, সে বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি জ্যঁ-পিয়েরে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জ্যঁ-পিয়েরে বলেন, ‘আমি গতকাল যা বলেছি তার চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাইছি না। এটি হান্টার ও বাইডেনের ব্যক্তিগত বিষয়। বিচার বিভাগ এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি ট্রাম্পের নিযুক্ত প্রসিকিউটর পরিচালনা করেছে।’
গত মাসে হান্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ওঠার পর হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ইয়ান সামস এক বিবৃতিতে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘প্রেসিডেন্ট এবং ফার্স্ট লেডি তাদের ছেলেকে ভালোবাসেন এবং তাকে সমর্থন করেন। কারণ হান্টার জীবন নতুন করে গড়ার চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে আমাদের আর কোনো মন্তব্য নেই।’
তবে হোয়াইট হাউস হান্টারের আইনি সমস্যার বিষয়ে মন্তব্য করা এড়িয়ে গেছে। এ বিষয়ে জানতে বিচার বিভাগ এবং হান্টার-বাইডেনের ব্যক্তিগত আইনি দলকে জিজ্ঞাসার জন্য অনুরোধ করেছে।
গত বুধবার দুটি কর ফাঁকি মামলায় হান্টারের দোষ স্বীকারের পর প্রসিকিউটরেরা তাঁর জামিনের জন্য সুপারিশের চেষ্টা করেছিলেন। তবে শুনানির একপর্যায়ে জামিনের আদেশ বাতিল করেন বিচারক।
ট্রাম্প যুগের বিচার বিভাগ ২০১৮ সালে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। হান্টারের শত মিলিয়ন ডলারের বিদেশি ব্যবসায়িক লেনদেনের সঙ্গে মানি লন্ডারিং এবং বিদেশি লবিং আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না তা তদন্ত করেছে। ফেডারেল তদন্তকারীরা হান্টার বাইডেনের অবৈতনিক কর এবং অস্বাভাবিক ব্যয়ের দিকেও নজর দিয়েছিলেন।
তদন্তে নেতৃত্ব দিয়েছেন মার্কিন অ্যাটর্নি ডেভিড ওয়েইস। তাকে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিযুক্ত করেছিলেন। তবে জো বাইডেন বা হোয়াইট হাউস কখনো তদন্তে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করেছে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এদিকে তদন্ত চলকালে হান্টার বাইডেন সুদ এবং জরিমানাসহ সব ট্যাক্স বিল সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ করেছিলেন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে