
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও। এতে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে কমলা হ্যারিসের সম্ভাবনা আরও বেড়ে গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক টুইটে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা লেখেন, ‘চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে আমি ও মিশেল (ওবামা) আমাদের বন্ধু কমলা হ্যারিসকে ফোন করেছিলাম। আমরা তাঁকে বলেছি যে আমরা মনে করি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দারুণ একজন প্রেসিডেন্ট হবেন এবং এ কারণে তাঁর প্রতি আমাদের পূর্ণাঙ্গ সমর্থন আছে।’
কমলা হ্যারিসের প্রতি সমর্থন নিশ্চিত করে বারাক ওবামা আরও লেখেন, ‘আমাদের দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে তিনি যেন নভেম্বরের নির্বাচনে জিততে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আমরা সবকিছুই করব। আশা করব তিনিও শিগগির আমাদের (মার্কিন প্রেসিডেন্টের তালিকায়) সঙ্গে যুক্ত হবেন।’
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বারাক ওবামা এখনো অনেক বেশি প্রভাবশালী। বিশেষ করে ডেমোক্রেটিক পার্টিতে তাঁর প্রভাব অন্য যেকোনো সাবেক প্রেসিডেন্টের চেয়ে বেশি। এরই মধ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টির অনেক হেভিওয়েট নেতাই কমলা হ্যারিসকে সমর্থন দিয়েছেন। কিন্তু বারাক ওবামার সমর্থন পেতে দেরি হচ্ছিল তাঁর। বিষয়টি মার্কিন রাজনীতিতে বেশ আলোচনা-গুঞ্জনের জন্ম দিয়েছিল। বারাক ওবামার এই সমর্থন কমলাকে ব্যাপকভাবে এগিয়ে দেবে চূড়ান্তভাবে মনোনীত হওয়ার ক্ষেত্রে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহের রোববার ৮১ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর ৫৯ বছর বয়সী কমলা হ্যারিসকে সমর্থন দেন পরবর্তী প্রার্থী হিসেবে। তবে এখনো কমলার মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়নি। আগামী ১ থেকে ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ডেমোক্রেটিক পার্টির জাতীয় সম্মেলনে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। তবে ডেমোক্রেটিক পার্টির অধিকাংশ অঙ্গরাজ্যের চেয়াররা এরই মধ্যে কমলাকে সমর্থন দেওয়ায় তাঁর মনোনয়ন এখন কেবলই আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও। এতে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে কমলা হ্যারিসের সম্ভাবনা আরও বেড়ে গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক টুইটে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা লেখেন, ‘চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে আমি ও মিশেল (ওবামা) আমাদের বন্ধু কমলা হ্যারিসকে ফোন করেছিলাম। আমরা তাঁকে বলেছি যে আমরা মনে করি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দারুণ একজন প্রেসিডেন্ট হবেন এবং এ কারণে তাঁর প্রতি আমাদের পূর্ণাঙ্গ সমর্থন আছে।’
কমলা হ্যারিসের প্রতি সমর্থন নিশ্চিত করে বারাক ওবামা আরও লেখেন, ‘আমাদের দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে তিনি যেন নভেম্বরের নির্বাচনে জিততে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আমরা সবকিছুই করব। আশা করব তিনিও শিগগির আমাদের (মার্কিন প্রেসিডেন্টের তালিকায়) সঙ্গে যুক্ত হবেন।’
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বারাক ওবামা এখনো অনেক বেশি প্রভাবশালী। বিশেষ করে ডেমোক্রেটিক পার্টিতে তাঁর প্রভাব অন্য যেকোনো সাবেক প্রেসিডেন্টের চেয়ে বেশি। এরই মধ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টির অনেক হেভিওয়েট নেতাই কমলা হ্যারিসকে সমর্থন দিয়েছেন। কিন্তু বারাক ওবামার সমর্থন পেতে দেরি হচ্ছিল তাঁর। বিষয়টি মার্কিন রাজনীতিতে বেশ আলোচনা-গুঞ্জনের জন্ম দিয়েছিল। বারাক ওবামার এই সমর্থন কমলাকে ব্যাপকভাবে এগিয়ে দেবে চূড়ান্তভাবে মনোনীত হওয়ার ক্ষেত্রে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহের রোববার ৮১ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর ৫৯ বছর বয়সী কমলা হ্যারিসকে সমর্থন দেন পরবর্তী প্রার্থী হিসেবে। তবে এখনো কমলার মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়নি। আগামী ১ থেকে ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ডেমোক্রেটিক পার্টির জাতীয় সম্মেলনে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। তবে ডেমোক্রেটিক পার্টির অধিকাংশ অঙ্গরাজ্যের চেয়াররা এরই মধ্যে কমলাকে সমর্থন দেওয়ায় তাঁর মনোনয়ন এখন কেবলই আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
১০ ঘণ্টা আগে