
ফ্লোরিডায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাড়ি মার–এ–লাগোয় অবৈধভাবে সরকারি ও গোপনীয় নথি সংরক্ষণের ঘটনার মামলায় সাক্ষী করা হতে পারে তাঁরই দুই আইনজীবীকে। ক্রিস্টিনা বব এবং ইভান কোরকোরান। এফবিআইয়ের তদন্ত কার্যক্রমে তাঁর দুই আইনজীবীকে সাক্ষী করা হতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ওই সব গোপন নথি সরানোর সঙ্গে আইনজীবীদের সম্পৃক্ততা থাকার কারণেই তাঁদের টার্গেট করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই দুই আইনজীবী ট্রাম্পের মার-এ-লাগো বাড়ি থেকে নথিপত্র পুনরুদ্ধারের সরকারি প্রচেষ্টার সময় বিচার বিভাগের সঙ্গে নিজে থেকেই যোগাযোগ করেছিলেন।
ট্রাম্পের বাড়ির সার্চ ওয়ারেন্ট এবং আদালতের অনুসন্ধান প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ট্রাম্পের আইনজীবীরা যেভাবে সরকারি নথি ফেরতের বিরোধিতা করেছিলেন সেটি বিচারের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বাধা ছিল কিনা তাও তদন্ত করা হচ্ছে।
এর আগে, ফ্লোরিডার একটি আদালতে করা এক মামলার অভিযোগনামায় মার্কিন বিচার বিভাগ দাবি করে ট্রাম্প ও তাঁর সহযোগীরা দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) কাছে থেকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্পর্শকাতর নথিপত্র ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছিলেন। এফবিআইয়ের তদন্তে বাধা দিতেই তা করা হয়েছিল।
গত জুন মাসে গোপন নথি সম্পর্কে জানতে প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে তল্লাশির জন্য এফবিআইয়ের কর্মকর্তারা। তখন ট্রাম্পের সহযোগীরা জানিয়েছিলেন, হোয়াইট হাউস থেকে আনা সব নথি ফেরত দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরে ৮ আগস্ট ট্রাম্পের বাড়ি থেকে তল্লাশি অনেকগুলো স্পর্শকাতর ফাইল উদ্ধার করা হয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৫৪ পৃষ্ঠার ওই অভিযোগনামায় বলা হয়েছে—গত বছরের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউস ত্যাগের সময় ট্রাম্পে যেসব সরকারি নথিপত্র নিজের বাসায় নিয়ে যান, সেগুলো উদ্ধার জন্য চলতি বছরের জুনে এফবিআইয়ের সদস্যরা প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়ি মার-এ-লাগোয় যান। তখন ট্রাম্পের সহযোগীরা এফবিআইয়ের কর্মকর্তাদের বলেছিলেন, হোয়াইট হাউস থেকে যেসব নথি আনা হয়েছিল, তার সবগুলোই ইতিমধ্যে ফেরত দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ ফ্লোরিডার একটি ডিস্ট্রিক্ট আদালতে এ অভিযোগ করা হয়।

ফ্লোরিডায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাড়ি মার–এ–লাগোয় অবৈধভাবে সরকারি ও গোপনীয় নথি সংরক্ষণের ঘটনার মামলায় সাক্ষী করা হতে পারে তাঁরই দুই আইনজীবীকে। ক্রিস্টিনা বব এবং ইভান কোরকোরান। এফবিআইয়ের তদন্ত কার্যক্রমে তাঁর দুই আইনজীবীকে সাক্ষী করা হতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ওই সব গোপন নথি সরানোর সঙ্গে আইনজীবীদের সম্পৃক্ততা থাকার কারণেই তাঁদের টার্গেট করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই দুই আইনজীবী ট্রাম্পের মার-এ-লাগো বাড়ি থেকে নথিপত্র পুনরুদ্ধারের সরকারি প্রচেষ্টার সময় বিচার বিভাগের সঙ্গে নিজে থেকেই যোগাযোগ করেছিলেন।
ট্রাম্পের বাড়ির সার্চ ওয়ারেন্ট এবং আদালতের অনুসন্ধান প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ট্রাম্পের আইনজীবীরা যেভাবে সরকারি নথি ফেরতের বিরোধিতা করেছিলেন সেটি বিচারের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বাধা ছিল কিনা তাও তদন্ত করা হচ্ছে।
এর আগে, ফ্লোরিডার একটি আদালতে করা এক মামলার অভিযোগনামায় মার্কিন বিচার বিভাগ দাবি করে ট্রাম্প ও তাঁর সহযোগীরা দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) কাছে থেকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্পর্শকাতর নথিপত্র ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছিলেন। এফবিআইয়ের তদন্তে বাধা দিতেই তা করা হয়েছিল।
গত জুন মাসে গোপন নথি সম্পর্কে জানতে প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে তল্লাশির জন্য এফবিআইয়ের কর্মকর্তারা। তখন ট্রাম্পের সহযোগীরা জানিয়েছিলেন, হোয়াইট হাউস থেকে আনা সব নথি ফেরত দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরে ৮ আগস্ট ট্রাম্পের বাড়ি থেকে তল্লাশি অনেকগুলো স্পর্শকাতর ফাইল উদ্ধার করা হয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৫৪ পৃষ্ঠার ওই অভিযোগনামায় বলা হয়েছে—গত বছরের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউস ত্যাগের সময় ট্রাম্পে যেসব সরকারি নথিপত্র নিজের বাসায় নিয়ে যান, সেগুলো উদ্ধার জন্য চলতি বছরের জুনে এফবিআইয়ের সদস্যরা প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়ি মার-এ-লাগোয় যান। তখন ট্রাম্পের সহযোগীরা এফবিআইয়ের কর্মকর্তাদের বলেছিলেন, হোয়াইট হাউস থেকে যেসব নথি আনা হয়েছিল, তার সবগুলোই ইতিমধ্যে ফেরত দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ ফ্লোরিডার একটি ডিস্ট্রিক্ট আদালতে এ অভিযোগ করা হয়।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে