আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার আবারও হুমকি দিয়ে বলেছেন, ব্রিকস জোটভুক্ত দেশগুলোর পণ্যে তিনি ১০ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করবেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এই দেশগুলো যদি কোনো অর্থবহ জোট হিসেবে গঠিত হয়ে থাকে, তাহলে তা খুব দ্রুতই ভেঙে যাবে। অর্থাৎ, দেশগুলোর মধ্যে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হয়ে জোটটি ভেঙে যাবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বলেছেন—‘আমি যখন এই ব্রিকস নামের ছয় দেশের জোটের কথা শুনেছি, তখনই আমি তাদের খুব, খুব শক্তভাবে আঘাত করেছি। আর যদি তারা সত্যিকার অর্থেই অর্থপূর্ণ কোনো জোট গঠন করে, তাহলে সেটা খুব দ্রুত ভেঙে যাবে।’ এ সময় তিনি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে বলেন, ‘আমরা কখনো কাউকে আমাদের সঙ্গে খেলা করতে দেব না।’
ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি মার্কিন ডলারের বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রার মর্যাদা ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর এবং কখনোই যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা চালুর অনুমতি দেবেন না। গত ৬ জুলাই ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ব্রিকস জোটের কথিত ‘আমেরিকা বিরোধী নীতির’ সঙ্গে যারা একমত, এমন দেশগুলোর আমদানির ওপর নতুন এই ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে।
জি-৭ ও জি-২০ এর মতো আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোটগুলো যখন অভ্যন্তরীণ বিভাজন আর ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কারণে কার্যকারিতা হারাচ্ছে, তখন ব্রিকস নিজেকে বহুপক্ষীয় কূটনীতির একটি বিকল্প মঞ্চ হিসেবে তুলে ধরছে।
শুল্কের হুমকির পর ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন ব্রিকস গঠিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ডলারের বৈশ্বিক ভূমিকার ক্ষতি করার জন্য। তবে যদিও তার পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাননি তিনি। তবে ব্রিকস নেতারা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন, এই জোট কোনোভাবেই আমেরিকাবিরোধী নয়।
চলতি বছরের শুরুতে ব্রাজিল জানিয়েছে, তারা এ বছর ব্রিকসের একটি অভিন্ন মুদ্রার প্রস্তাব আর সামনে আনবে না। তবে জোটটি বর্তমানে ‘ব্রিকস পে’ নামে একটি আন্তসীমান্ত লেনদেনব্যবস্থা চালুর কাজ এগিয়ে নিচ্ছে, যার মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো নিজেদের স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন করতে পারবে।
গত বছর ব্রিকস জোট ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও ইরান ও ইন্দোনেশিয়ার মতো নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করেছে। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ ব্রিকস সম্মেলনে নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও বাণিজ্য নীতির প্রতি পরোক্ষ সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প শুধু ব্রিকস নয়, ব্রাজিলকে লক্ষ্য করেও সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী আগস্ট থেকে ব্রাজিলের আমদানিপণ্যে ৫০ শতাংশ হারে শুল্ক বসানো হবে। একই সঙ্গে তিনি ব্রাজিলের ‘অন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন’ তদন্তেও নির্দেশ দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার আবারও হুমকি দিয়ে বলেছেন, ব্রিকস জোটভুক্ত দেশগুলোর পণ্যে তিনি ১০ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করবেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এই দেশগুলো যদি কোনো অর্থবহ জোট হিসেবে গঠিত হয়ে থাকে, তাহলে তা খুব দ্রুতই ভেঙে যাবে। অর্থাৎ, দেশগুলোর মধ্যে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হয়ে জোটটি ভেঙে যাবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বলেছেন—‘আমি যখন এই ব্রিকস নামের ছয় দেশের জোটের কথা শুনেছি, তখনই আমি তাদের খুব, খুব শক্তভাবে আঘাত করেছি। আর যদি তারা সত্যিকার অর্থেই অর্থপূর্ণ কোনো জোট গঠন করে, তাহলে সেটা খুব দ্রুত ভেঙে যাবে।’ এ সময় তিনি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে বলেন, ‘আমরা কখনো কাউকে আমাদের সঙ্গে খেলা করতে দেব না।’
ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি মার্কিন ডলারের বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রার মর্যাদা ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর এবং কখনোই যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা চালুর অনুমতি দেবেন না। গত ৬ জুলাই ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ব্রিকস জোটের কথিত ‘আমেরিকা বিরোধী নীতির’ সঙ্গে যারা একমত, এমন দেশগুলোর আমদানির ওপর নতুন এই ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে।
জি-৭ ও জি-২০ এর মতো আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোটগুলো যখন অভ্যন্তরীণ বিভাজন আর ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কারণে কার্যকারিতা হারাচ্ছে, তখন ব্রিকস নিজেকে বহুপক্ষীয় কূটনীতির একটি বিকল্প মঞ্চ হিসেবে তুলে ধরছে।
শুল্কের হুমকির পর ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন ব্রিকস গঠিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ডলারের বৈশ্বিক ভূমিকার ক্ষতি করার জন্য। তবে যদিও তার পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাননি তিনি। তবে ব্রিকস নেতারা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন, এই জোট কোনোভাবেই আমেরিকাবিরোধী নয়।
চলতি বছরের শুরুতে ব্রাজিল জানিয়েছে, তারা এ বছর ব্রিকসের একটি অভিন্ন মুদ্রার প্রস্তাব আর সামনে আনবে না। তবে জোটটি বর্তমানে ‘ব্রিকস পে’ নামে একটি আন্তসীমান্ত লেনদেনব্যবস্থা চালুর কাজ এগিয়ে নিচ্ছে, যার মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো নিজেদের স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন করতে পারবে।
গত বছর ব্রিকস জোট ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও ইরান ও ইন্দোনেশিয়ার মতো নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করেছে। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ ব্রিকস সম্মেলনে নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও বাণিজ্য নীতির প্রতি পরোক্ষ সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প শুধু ব্রিকস নয়, ব্রাজিলকে লক্ষ্য করেও সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী আগস্ট থেকে ব্রাজিলের আমদানিপণ্যে ৫০ শতাংশ হারে শুল্ক বসানো হবে। একই সঙ্গে তিনি ব্রাজিলের ‘অন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন’ তদন্তেও নির্দেশ দিয়েছেন।

কানাডা ও চীন বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং ক্যানোলা (সরিষার মতো তেলবীজ) পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার চীন সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ কথা জানিয়েছেন। দুই দেশই বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে।
৩২ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর কড়া সমালোচক মাচাদো গত বছর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন। এখন তিনি সেই পদক হোয়াইট হাউসে রেখে গেলেন এই আশায়, এই সৌজন্যের বিনিময়ে হয়তো আরও মূল্যবান কিছু মিলবে।
৪৩ মিনিট আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সামরিক আইন (মার্শাল ল) ঘোষণা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ ফেরত দিতে পরিবারের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ দাবি করছে কর্তৃপক্ষ। বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
৩ ঘণ্টা আগে