
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ২০২৪ সালের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি না জিতলে রক্তগঙ্গা বইয়ে যাবে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি শিল্পের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি এ কথা বলেছে। স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার ওহাইও অঙ্গরাজ্যে এক নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি এ কথা বলেন।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওহাইওর ভ্যান্ডালিয়ায় আয়োজিত ওই সভায় ট্রাম্প বলেছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যেসব গাড়ি উৎপাদিত হয়ে দেশটিতে প্রবেশ করবে সেগুলোর ওপর তিনি ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘যেসব গাড়ি দেশের বাইরে থেকে আসবে, সেগুলোর প্রতিটির ওপর আমরা ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করব।’ এ সময় তিনি বিদেশি গাড়ি নির্মাতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে, আপনারা এখানকার গ্রাহকদের কাছে গাড়ি বিক্রয় করতে পারবেন না।’
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এই প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘এখন, আমি যদি নির্বাচিত না হই তাহলে সব মিলিয়ে একটা রক্তগঙ্গা বইয়ে যাবে। এটি হবে সবচেয়ে ন্যূনতম ক্ষতি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশেই একটি রক্তগঙ্গা বইয়ে যাবে। এটাই হবে সবচেয়ে কম।’
ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন একসময়ে এল, যখন মেক্সিকোর বৈদ্যুতিক ও অন্যান্য গাড়ি নির্মাতা কারখানা একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি মূলত, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষুব্ধ গাড়ি নির্মাণ শিল্পের শ্রমিকদের পক্ষে দাঁড়িয়ে তাঁদের তাঁর পক্ষে টানার চেষ্টা করছেন। এর আগে, ট্রাম্প সিএনবিসিকে জানিয়েছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে মেক্সিকো থেকে আসা চীনা গাড়ির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ২০২৪ সালের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি না জিতলে রক্তগঙ্গা বইয়ে যাবে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি শিল্পের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি এ কথা বলেছে। স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার ওহাইও অঙ্গরাজ্যে এক নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি এ কথা বলেন।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওহাইওর ভ্যান্ডালিয়ায় আয়োজিত ওই সভায় ট্রাম্প বলেছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যেসব গাড়ি উৎপাদিত হয়ে দেশটিতে প্রবেশ করবে সেগুলোর ওপর তিনি ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘যেসব গাড়ি দেশের বাইরে থেকে আসবে, সেগুলোর প্রতিটির ওপর আমরা ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করব।’ এ সময় তিনি বিদেশি গাড়ি নির্মাতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে, আপনারা এখানকার গ্রাহকদের কাছে গাড়ি বিক্রয় করতে পারবেন না।’
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এই প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘এখন, আমি যদি নির্বাচিত না হই তাহলে সব মিলিয়ে একটা রক্তগঙ্গা বইয়ে যাবে। এটি হবে সবচেয়ে ন্যূনতম ক্ষতি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশেই একটি রক্তগঙ্গা বইয়ে যাবে। এটাই হবে সবচেয়ে কম।’
ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন একসময়ে এল, যখন মেক্সিকোর বৈদ্যুতিক ও অন্যান্য গাড়ি নির্মাতা কারখানা একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি মূলত, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষুব্ধ গাড়ি নির্মাণ শিল্পের শ্রমিকদের পক্ষে দাঁড়িয়ে তাঁদের তাঁর পক্ষে টানার চেষ্টা করছেন। এর আগে, ট্রাম্প সিএনবিসিকে জানিয়েছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে মেক্সিকো থেকে আসা চীনা গাড়ির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৪২ মিনিট আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১২ ঘণ্টা আগে