
ঢাকা: মার্কিন কোম্পানি নোভাভ্যাক্সের তৈরি কোভিড টিকা ৯০ শতাংশের বেশি কার্যকর। এমনকি এটি করোনাভাইরাসের সবচেয়ে মারাত্মক ধরনগুলোর বিরুদ্ধে সংক্রমণ প্রতিরোধী ব্যবস্থা তৈরিতে সক্ষম। আজ সোমবার নোভাভ্যাক্সের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নোভাভ্যাক্সের শেষ ধাপের ট্রায়ালে এ ফল পাওয়া গেছে।
কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং মেক্সিকোর প্রায় ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে তাঁদের তৈরি টিকার ট্রায়াল চালানো হয়। এতে খুব কমসংখ্যক মানুষেরই গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মাথাব্যথা, ক্লান্তি ও কাঁধে ব্যথার মতো মৃদু অসুবিধা বোধ করেছে কিছু স্বেচ্ছাসেবী।
এখন অনুমোদন পেলে ২০২১ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের শেষ নাগাদ প্রতি মাসে ১০ কোটি ও চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে প্রতি মাসে ১৫ কোটি ডোজ টিকা উৎপাদনের করার পরিকল্পনা করছে নোভাভ্যাক্স।
নোভাভ্যাক্সের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রধান ডা. গ্রেগরি গ্লেন রয়টার্সকে বলেন, ট্রায়ালে তাদের টিকা ব্রাজিল, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের ধরনগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করার সক্ষমতা দেখিয়েছে। অর্থাৎ দ্রুত সংক্রমণ বিস্তারে সক্ষম সব ধরনের সংক্রমণ ঠেকাতে টিকাটি কার্যকর।
গ্লেন বলেন, ট্রায়ালে তাঁদের টিকা উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা স্বেচ্ছাসেবীর ক্ষেত্রে সংক্রমণ ঠেকাতে ৯১ শতাংশ এবং প্রতিরোধযোগ্য মাঝারি ও গুরুতর সংক্রমণ ঠেকাতে শতভাগ কার্যকর। ট্রায়ালের সময় নোভাভ্যাক্স যেসব ধরন শনাক্ত করতে পারেনি সেগুলোর বিরুদ্ধেও টিকাটি ৭০ শতাংশ কার্যকর।
করোনার নতুন ধরনগুলোর প্রসঙ্গে মার্কিন ডা. গ্রেগরি গ্লেন বলেন, সত্যিকার অর্থে বলতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, করোনার যে ধরনগুলো বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ সংক্রমণ বিস্তারের পরিস্থিতি তৈরি করেছে এই টিকা সেসব ঠেকাতে সক্ষম।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরের শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে নোভাভ্যাক্সের টিকার তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেতে পারে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

ঢাকা: মার্কিন কোম্পানি নোভাভ্যাক্সের তৈরি কোভিড টিকা ৯০ শতাংশের বেশি কার্যকর। এমনকি এটি করোনাভাইরাসের সবচেয়ে মারাত্মক ধরনগুলোর বিরুদ্ধে সংক্রমণ প্রতিরোধী ব্যবস্থা তৈরিতে সক্ষম। আজ সোমবার নোভাভ্যাক্সের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নোভাভ্যাক্সের শেষ ধাপের ট্রায়ালে এ ফল পাওয়া গেছে।
কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং মেক্সিকোর প্রায় ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে তাঁদের তৈরি টিকার ট্রায়াল চালানো হয়। এতে খুব কমসংখ্যক মানুষেরই গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মাথাব্যথা, ক্লান্তি ও কাঁধে ব্যথার মতো মৃদু অসুবিধা বোধ করেছে কিছু স্বেচ্ছাসেবী।
এখন অনুমোদন পেলে ২০২১ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের শেষ নাগাদ প্রতি মাসে ১০ কোটি ও চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে প্রতি মাসে ১৫ কোটি ডোজ টিকা উৎপাদনের করার পরিকল্পনা করছে নোভাভ্যাক্স।
নোভাভ্যাক্সের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রধান ডা. গ্রেগরি গ্লেন রয়টার্সকে বলেন, ট্রায়ালে তাদের টিকা ব্রাজিল, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের ধরনগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করার সক্ষমতা দেখিয়েছে। অর্থাৎ দ্রুত সংক্রমণ বিস্তারে সক্ষম সব ধরনের সংক্রমণ ঠেকাতে টিকাটি কার্যকর।
গ্লেন বলেন, ট্রায়ালে তাঁদের টিকা উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা স্বেচ্ছাসেবীর ক্ষেত্রে সংক্রমণ ঠেকাতে ৯১ শতাংশ এবং প্রতিরোধযোগ্য মাঝারি ও গুরুতর সংক্রমণ ঠেকাতে শতভাগ কার্যকর। ট্রায়ালের সময় নোভাভ্যাক্স যেসব ধরন শনাক্ত করতে পারেনি সেগুলোর বিরুদ্ধেও টিকাটি ৭০ শতাংশ কার্যকর।
করোনার নতুন ধরনগুলোর প্রসঙ্গে মার্কিন ডা. গ্রেগরি গ্লেন বলেন, সত্যিকার অর্থে বলতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, করোনার যে ধরনগুলো বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ সংক্রমণ বিস্তারের পরিস্থিতি তৈরি করেছে এই টিকা সেসব ঠেকাতে সক্ষম।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরের শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে নোভাভ্যাক্সের টিকার তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেতে পারে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে