
নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। এর ঠিক আগে তাঁকে এক দুর্ঘটনার মুখোমুখি হতে হলো। আমেরিকার লাস ভেগাসে তাঁর হোটেল ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনালের সামনে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। সেই গাড়িটি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান টেসলার একটি সাইবার ট্রাক। এ ঘটনার সঙ্গে ট্রাম্প বা মাস্কের কোনো সংযোগ আছে কি না খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
লাস ভেগাস পুলিশের বরাতে এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানায়, গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে এই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ট্রাকটির চালক নিহত এবং সাতজন আহত হয়েছেন। তবে আহতদের অবস্থা তেমন গুরুতর নয়।
পুলিশ জানায়, কলোরাডো থেকে ভাড়া করা ট্রাকটি গতকাল সকালে লাস ভেগাসে পৌঁছায়। এর দুই ঘণ্টা পর দ্য ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল হোটেলের কাছে ট্রাকটি পার্ক করা হয়। ট্রাকটিতে ফুয়েলে ভরা ক্যানিস্টার ও আতশবাজি ছিল। ট্রাকটি থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের করতে শুরু করে এবং পরে বিস্ফোরিত হয়।
বিকেলের এক সংবাদ সম্মেলনে শেরিফ কেভিন ম্যাকমাহিল বিস্ফোরণের ফুটেজ এবং ঘটনার পরের ছবিগুলো প্রকাশ করেন। সেসব ফুটেজ ও ছবিতে ট্রাকে ক্যানিস্টার ও বড় আকারের আতশবাজি দেখা গেছে। তদন্তকারীরা ট্রাকে গ্যাস ও ফুয়েল ক্যানিস্টার এবং আতশবাজির ধ্বংসাবশেষ পেয়েছেন তাঁরা।
এ ঘটনার সঙ্গে হোটেলটির মালিক ডোনাল্ড ট্রাম্প বা টেসলার মালিক ইলন মাস্কের কোনো সংযোগ থাকতে পারে কি না তা-ও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান ম্যাকমাহিল। তিনি বলেন, ‘স্পষ্টতই, একটি সাইবারট্রাক, ট্রাম্পের হোটেল—এমন অনেক প্রশ্ন রয়েছে, যেগুলোর উত্তর আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।’
লুইজিয়ানার নিউ অরলিন্সে নববর্ষের আয়োজনে ভিড়ের ওপর গাড়ি উঠিয়ে দেওয়ার ঘটনার সঙ্গে এ বিস্ফোরণের সংযোগ আছে কি না তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ওই ঘটনাস্থলের কাছাকাছি কিছু প্রাথমিক বিস্ফোরক ডিভাইস পাওয়া গিয়েছিল। অরলিন্সের ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এফবিআই জানিয়েছে, এটি সন্ত্রাসী হামলা কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত চালকের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি, যিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ছাড়া, এই ঘটনার সঙ্গে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। এফবিআইর বিশেষ এজেন্ট জেরেমি শোয়ার্জ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা জানি সন্ত্রাসী হামলা কি না—এটা জানতে সবাই আগ্রহী। আমাদের লক্ষ এটি নিশ্চিত করা এবং সঠিক উত্তর বের করা।’
শেরিফ ম্যাকমাহিল জানান, নিউ অরলিন্সে হামলা চালানো গাড়িটি এবং টেসলার সাইবারট্রাক—দুটিই টুরো নামক একটি অ্যাপভিত্তিক গাড়ি ভাড়া কোম্পানি থেকে ভাড়া করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে টুরো এক বিবৃতিতে জানায়, এ ব্যাপারে তাঁরা লাস ভেগাস ও নিউ অরলিন্সের কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছে। যাঁরা গাড়িগুলো ভাড়া করেছিলেন, তাঁদের কোনো অপরাধমূলক পটভূমি পাওয়া যায়নি, যা নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। গাড়ি ভাড়া নেওয়া ব্যক্তির নাম জানা গেলেও গাড়ি তিনি চালাচ্ছিলেন কি না—এ বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়নি।
এই হোটেলটি আংশিকভাবে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোম্পানির মালিকানাধীন। এক্সে একটি পোস্টে ট্রাম্পের পুত্র এরিক ট্রাম্প জানান, ‘ট্রাম্প লাস ভেগাসের পোর্ট কশেয়ারে একটি বিদ্যুৎচালিত গাড়িতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। অতিথি ও কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লাস ভেগাস ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এবং স্থানীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দ্রুত এবং পেশাদার প্রতিক্রিয়ার জন্য আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’
ট্রাম্প টাওয়ারের ৫৩তলা থেকে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছিলেন স্টিফেন ফেরল্যান্ডো। তিনি ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, ‘এটি নিশ্চিতভাবেই একটি বিস্ফোরণ ছিল। জানালাগুলো পর্যন্ত কাঁপতে শুরু করেছিল।’
ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার শুরু থেকেই তাঁর পাশে ছিলেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। ট্রাম্প তাঁর সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতাবিষয়ক উপদেষ্টা কমিশনে যৌথ নেতৃত্বে মাস্ককে নিযুক্ত করেছেন। ট্রাম্পের সঙ্গে মাস্কের ঘনিষ্ঠতা এতটাই বেড়েছে যে ট্রাম্পের বাড়িতেই থাকতে শুরু করেছেন তিনি। ফ্লোরিডার পাম বিচে ট্রাম্পের মার-এ-লাগোর একটি কটেজ ভাড়া নিয়ে থাকছেন টেসলা মালিক ইলন মাস্ক। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠতাই প্রশ্ন তুলছে, এই বিস্ফোরণ নিছক দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত হামলা বা পরোক্ষ হুমকি।

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। এর ঠিক আগে তাঁকে এক দুর্ঘটনার মুখোমুখি হতে হলো। আমেরিকার লাস ভেগাসে তাঁর হোটেল ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনালের সামনে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। সেই গাড়িটি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান টেসলার একটি সাইবার ট্রাক। এ ঘটনার সঙ্গে ট্রাম্প বা মাস্কের কোনো সংযোগ আছে কি না খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
লাস ভেগাস পুলিশের বরাতে এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানায়, গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে এই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ট্রাকটির চালক নিহত এবং সাতজন আহত হয়েছেন। তবে আহতদের অবস্থা তেমন গুরুতর নয়।
পুলিশ জানায়, কলোরাডো থেকে ভাড়া করা ট্রাকটি গতকাল সকালে লাস ভেগাসে পৌঁছায়। এর দুই ঘণ্টা পর দ্য ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল হোটেলের কাছে ট্রাকটি পার্ক করা হয়। ট্রাকটিতে ফুয়েলে ভরা ক্যানিস্টার ও আতশবাজি ছিল। ট্রাকটি থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের করতে শুরু করে এবং পরে বিস্ফোরিত হয়।
বিকেলের এক সংবাদ সম্মেলনে শেরিফ কেভিন ম্যাকমাহিল বিস্ফোরণের ফুটেজ এবং ঘটনার পরের ছবিগুলো প্রকাশ করেন। সেসব ফুটেজ ও ছবিতে ট্রাকে ক্যানিস্টার ও বড় আকারের আতশবাজি দেখা গেছে। তদন্তকারীরা ট্রাকে গ্যাস ও ফুয়েল ক্যানিস্টার এবং আতশবাজির ধ্বংসাবশেষ পেয়েছেন তাঁরা।
এ ঘটনার সঙ্গে হোটেলটির মালিক ডোনাল্ড ট্রাম্প বা টেসলার মালিক ইলন মাস্কের কোনো সংযোগ থাকতে পারে কি না তা-ও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান ম্যাকমাহিল। তিনি বলেন, ‘স্পষ্টতই, একটি সাইবারট্রাক, ট্রাম্পের হোটেল—এমন অনেক প্রশ্ন রয়েছে, যেগুলোর উত্তর আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।’
লুইজিয়ানার নিউ অরলিন্সে নববর্ষের আয়োজনে ভিড়ের ওপর গাড়ি উঠিয়ে দেওয়ার ঘটনার সঙ্গে এ বিস্ফোরণের সংযোগ আছে কি না তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ওই ঘটনাস্থলের কাছাকাছি কিছু প্রাথমিক বিস্ফোরক ডিভাইস পাওয়া গিয়েছিল। অরলিন্সের ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এফবিআই জানিয়েছে, এটি সন্ত্রাসী হামলা কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত চালকের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি, যিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ছাড়া, এই ঘটনার সঙ্গে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। এফবিআইর বিশেষ এজেন্ট জেরেমি শোয়ার্জ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা জানি সন্ত্রাসী হামলা কি না—এটা জানতে সবাই আগ্রহী। আমাদের লক্ষ এটি নিশ্চিত করা এবং সঠিক উত্তর বের করা।’
শেরিফ ম্যাকমাহিল জানান, নিউ অরলিন্সে হামলা চালানো গাড়িটি এবং টেসলার সাইবারট্রাক—দুটিই টুরো নামক একটি অ্যাপভিত্তিক গাড়ি ভাড়া কোম্পানি থেকে ভাড়া করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে টুরো এক বিবৃতিতে জানায়, এ ব্যাপারে তাঁরা লাস ভেগাস ও নিউ অরলিন্সের কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছে। যাঁরা গাড়িগুলো ভাড়া করেছিলেন, তাঁদের কোনো অপরাধমূলক পটভূমি পাওয়া যায়নি, যা নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। গাড়ি ভাড়া নেওয়া ব্যক্তির নাম জানা গেলেও গাড়ি তিনি চালাচ্ছিলেন কি না—এ বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়নি।
এই হোটেলটি আংশিকভাবে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোম্পানির মালিকানাধীন। এক্সে একটি পোস্টে ট্রাম্পের পুত্র এরিক ট্রাম্প জানান, ‘ট্রাম্প লাস ভেগাসের পোর্ট কশেয়ারে একটি বিদ্যুৎচালিত গাড়িতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। অতিথি ও কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লাস ভেগাস ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এবং স্থানীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দ্রুত এবং পেশাদার প্রতিক্রিয়ার জন্য আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’
ট্রাম্প টাওয়ারের ৫৩তলা থেকে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছিলেন স্টিফেন ফেরল্যান্ডো। তিনি ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, ‘এটি নিশ্চিতভাবেই একটি বিস্ফোরণ ছিল। জানালাগুলো পর্যন্ত কাঁপতে শুরু করেছিল।’
ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার শুরু থেকেই তাঁর পাশে ছিলেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। ট্রাম্প তাঁর সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতাবিষয়ক উপদেষ্টা কমিশনে যৌথ নেতৃত্বে মাস্ককে নিযুক্ত করেছেন। ট্রাম্পের সঙ্গে মাস্কের ঘনিষ্ঠতা এতটাই বেড়েছে যে ট্রাম্পের বাড়িতেই থাকতে শুরু করেছেন তিনি। ফ্লোরিডার পাম বিচে ট্রাম্পের মার-এ-লাগোর একটি কটেজ ভাড়া নিয়ে থাকছেন টেসলা মালিক ইলন মাস্ক। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠতাই প্রশ্ন তুলছে, এই বিস্ফোরণ নিছক দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত হামলা বা পরোক্ষ হুমকি।

লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৩ ঘণ্টা আগে
লাতিন আমেরিকায় দেশ ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন সামরিক হস্তক্ষেপের পর নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কিউবার প্রেসিডেন্ট করার একটি প্রস্তাবের জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, বিষয়টি তাঁর কাছে বেশ পছন্দ হয়েছে। আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল
৩ ঘণ্টা আগে