
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সমর্থন দিচ্ছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। অথচ, তাঁরই কোম্পানিগুলোর—টেসলা, স্পেসএক্স এবং এক্স—কর্মীরা তহবিল জোগাচ্ছেন ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ও ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাস্কের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার কর্মীরা কমলা হ্যারিসের নির্বাচনী তহবিলে ৪২ হাজার ৮২৪ ডলার অনুদান দিয়েছেন। বিপরীতে ট্রাম্পের তহবিলে কোম্পানিটির কর্মীরা দিয়েছেন এর প্রায় অর্ধেক—২৪ হাজার ৮৪০ ডলার। মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওপেনসিক্রেট এই তথ্য জানিয়েছে।
ইলন মাস্কের আরেক কোম্পানি স্পেসএক্সের কর্মীরা কমলা হ্যারিসের নির্বাচনী তহবিলে অনুদান দিয়েছেন ৩৪ হাজার ৫২৬ ডলার এবং বিপরীতে ট্রাম্পের তহবিলে গেছে মাত্র ৭ হাজার ৬৫২ ডলার। পাশাপাশি মাস্কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্সের কর্মীরা হ্যারিসের তহবিলে দিয়েছেন ১৩ হাজার ২১৩ ডলার এবং ট্রাম্পকে দিয়েছেন মাত্র ৫০০ ডলার।
যদিও মাস্কের কর্মীদের তরফ থেকে কমলা হ্যারিসকে দেওয়া এই নির্বাচনী তহবিল পরিমাণে খুবই ছোট, কিন্তু এই বিষয়টি থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, তাঁর প্রতিষ্ঠার কর্মীরা রাজনৈতিক জায়গায় তাঁর বিরোধী মতকেও প্রাধান্য দেয়। এই বিষয়ে জানতে চেয়ে মাস্কের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি জবাব দেননি।
এর আগে, ২০২০ সালের নির্বাচনে মাস্ক ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে সমর্থন দিয়েছিলেন। কিন্তু তার পর থেকেই তিনি নিজেকে ঘুরিয়ে নেন এবং ট্রাম্পকে সমর্থন দিতে শুরু করেন। কিছুদিন আগে, ট্রাম্প জানিয়েছিলেন—তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ইলন মাস্ককে তাঁর প্রশাসনের দক্ষতা বিষয়ক কমিশনের উপদেষ্টা নিয়োগ করবেন।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সমর্থন দিচ্ছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। অথচ, তাঁরই কোম্পানিগুলোর—টেসলা, স্পেসএক্স এবং এক্স—কর্মীরা তহবিল জোগাচ্ছেন ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ও ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাস্কের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার কর্মীরা কমলা হ্যারিসের নির্বাচনী তহবিলে ৪২ হাজার ৮২৪ ডলার অনুদান দিয়েছেন। বিপরীতে ট্রাম্পের তহবিলে কোম্পানিটির কর্মীরা দিয়েছেন এর প্রায় অর্ধেক—২৪ হাজার ৮৪০ ডলার। মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওপেনসিক্রেট এই তথ্য জানিয়েছে।
ইলন মাস্কের আরেক কোম্পানি স্পেসএক্সের কর্মীরা কমলা হ্যারিসের নির্বাচনী তহবিলে অনুদান দিয়েছেন ৩৪ হাজার ৫২৬ ডলার এবং বিপরীতে ট্রাম্পের তহবিলে গেছে মাত্র ৭ হাজার ৬৫২ ডলার। পাশাপাশি মাস্কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্সের কর্মীরা হ্যারিসের তহবিলে দিয়েছেন ১৩ হাজার ২১৩ ডলার এবং ট্রাম্পকে দিয়েছেন মাত্র ৫০০ ডলার।
যদিও মাস্কের কর্মীদের তরফ থেকে কমলা হ্যারিসকে দেওয়া এই নির্বাচনী তহবিল পরিমাণে খুবই ছোট, কিন্তু এই বিষয়টি থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, তাঁর প্রতিষ্ঠার কর্মীরা রাজনৈতিক জায়গায় তাঁর বিরোধী মতকেও প্রাধান্য দেয়। এই বিষয়ে জানতে চেয়ে মাস্কের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি জবাব দেননি।
এর আগে, ২০২০ সালের নির্বাচনে মাস্ক ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে সমর্থন দিয়েছিলেন। কিন্তু তার পর থেকেই তিনি নিজেকে ঘুরিয়ে নেন এবং ট্রাম্পকে সমর্থন দিতে শুরু করেন। কিছুদিন আগে, ট্রাম্প জানিয়েছিলেন—তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ইলন মাস্ককে তাঁর প্রশাসনের দক্ষতা বিষয়ক কমিশনের উপদেষ্টা নিয়োগ করবেন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে