Ajker Patrika

ইরানের বিদুৎ স্থাপনায় মার্কিন হামলা স্থগিতাদেশের সময়সীমা ১০ দিন বাড়ালেন ট্রাম্প

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২৬, ১০: ২০
ইরানের বিদুৎ স্থাপনায় মার্কিন হামলা স্থগিতাদেশের সময়সীমা ১০ দিন বাড়ালেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার জন্য নিজের নির্ধারিত সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ করেছেন। তিনি নতুন সময়সীমা হিসেবে ৬ এপ্রিল নির্ধারণ করেছেন। অর্থাৎ এই সময় পর্যন্ত ইরানের বিদুৎ স্থাপনায় কোনো মার্কিন হামলা হবে না। দেশটিতে চলমান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে আলোচনায় অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এল, যখন তিনি তেল-গ্যাস যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য ইরানের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছেন।

ট্রাম্প নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে লিখেছেন, ‘ইরান সরকারের অনুরোধে, অনুগ্রহ করে এই বিবৃতির মাধ্যমে জেনে নিন যে আমি জ্বালানি কেন্দ্র ধ্বংসের সময়কাল ১০ দিনের জন্য স্থগিত করছি। এই স্থগিতাদেশ সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬—পূর্বঞ্চলীয় সময় (যুক্তরাষ্ট্রের) রাত ৮টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।’

ট্রাম্প আরও যোগ করেন, ‘আলোচনা চলছে এবং ফেক নিউজ মিডিয়া ও অন্যদের ভুল বক্তব্য সত্ত্বেও এই আলোচনা বেশ ভালোভাবেই এগোচ্ছে।’ ইরানের জ্বালানি ব্যবস্থায় হামলার হুমকি দেওয়ার পর ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এটি ছিল সর্বশেষ স্থগিতাদেশ।

এর আগে গত রোববার ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া না হলে তিনি ইরানের বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলা চালাবেন। তিনি লিখেছিলেন, তিনি জ্বালানি কেন্দ্রগুলোতে আঘাত করবেন এবং তা ‘সবচেয়ে বড়টি দিয়ে শুরু’ হবে।

এরপর সোমবার তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো এবং ফলপ্রসূ আলোচনার’ ভিত্তিতে তিনি এই হামলা আরও পাঁচ দিন পিছিয়ে দিচ্ছেন, যদিও ইরান এ ধরনের কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে। বৃহস্পতিবারের ঘোষণাটি ছিল এই ধরণের দ্বিতীয় বিলম্ব।

ট্রাম্প প্রশাসন প্রায়ই এই যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরান আক্রমণ করার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূচনা হয়। তবে ইরানের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হলে সামগ্রিক এই সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে সমালোচনা আরও তীব্র হতে পারে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত