
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে প্রাসাদোপম বাড়ি থেকে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক দম্পতি ও তাঁদের মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাকেশ কামাল (৫৭), তাঁর স্ত্রী টিনা (৫৪) ও তাঁদের মেয়ে আরিয়ানার (১৮) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর এনডিটিভির।
ভার্জিনিয়ার নরফোক ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি (ডিএ) মাইকেল মরিস সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো মারাত্মক পারিবারিক সহিংসতার জেরে এবং বাইরের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছাড়াই এ ঘটনা ঘটেছে।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত পরিবারটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি শিল্পে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তাঁরা এডুনোভা নামের একটি শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করতেন। প্রতিষ্ঠানটি এখন বিলুপ্ত।
বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী রাকেশ কামাল এমআইটি স্লোন স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা করেছেন। শিক্ষাবিষয়ক পরামর্শে তাঁর বিস্তৃত ক্যারিয়ার ছিল। তিনি ২০১৬ সালে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মিলে এড-টেক নামের একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
বোস্টন গ্লোব সংবাদপত্রের প্রতিবেদন অনুসারে, এডুনোভা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চবিদ্যালয় এবং কলেজ শিক্ষার্থীদের গ্রেড উন্নয়নে শিক্ষাসহায়ক প্ল্যাটফর্ম।
শুরুতে কোম্পানিটি বেশ ভালোই করছিল। ২০১৯ সালে কামাল ডোভারে ৪০ লাখ ডলার মূল্যের ১৯ হাজার বর্গফুটের ১১টি বেডরুম বিশিষ্ট একটি বাড়ি কেনেন।
তবে নথিপত্র অনুসারে, ২০২১ সালে কোম্পানিটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। এ থেকেই কামাল পরিবারে আর্থিক অনটনের শুরু। দম্পতিটি রিক এবং টিনা নামে পরিচিত ছিলেন।
এক বছর আগে তাঁদের প্রাসাদতুল্য বাড়িটি নিলামে তোলা হয় এবং ম্যাসাচুসেটসভিত্তিক আইনি সংস্থা উইলসোনডেল অ্যাসোসিয়েটস এলএলসি ৩০ লাখ ডলারের বিনিময়ে বাড়িটি কিনে নেয়। বিক্রির সময় সম্পত্তিটির মূল্য আনুমানিক ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী টিনা কামাল ২০২২ সালে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেন। এ থেকে দম্পতিটি ব্যাপক আর্থিক অনটনের মধ্য ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৮ বছর বয়সী আরিয়ানা মিডলবারি কলেজে নিউরোসায়েন্স বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন। এটি ভারমন্টের একটি বেসরকারি কলেজ, সেখানে বছরে ৬৪ হাজার ৮০০ ডলার খরচ হয়।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৪ মিনিটে কামালের এক আত্মীয় পুলিশকে ফোন করেন। বেশ কয়েক দিন ধরে কোনো ধরনের যোগাযোগ করতে না পারায় তাঁরা কামালের বাড়িতে খোঁজ নিতে যান।
পুলিশ বলছে, ওই সময় বাড়িতে শুধু পরিবারের এ সদস্যরাই থাকতেন। ডোভার এলাকাটি ম্যাসাচুসেটসের সবচেয়ে ধনী এলাকার মধ্যে একটি।
পুলিশ বাড়ির ভেতর থেকে রাকেশ, টিনা ও আরিয়ানার লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে এ ঘটনার নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব হবে। ময়নাতদন্ত শেষেই বলা যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।
তবে রাকেশের মৃতদেহের পাশে একটি বন্দুক পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মরিস বলেন, ‘ঘটনাস্থলে একটি বন্দুক পাওয়া গেছে।’
পুলিশের মতে, ২০২০ সাল থেকেই ডোভারে কোনো হত্যার ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনাটি বেশ মর্মান্তিক।
মরিস সাংবাদিকদের বলেন, ‘নরফোক কাউন্টিতে বিশেষ করে ডোভারে এ ধরনের সহিংসতার ঘটনা খুবই বিরল।’

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে প্রাসাদোপম বাড়ি থেকে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক দম্পতি ও তাঁদের মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাকেশ কামাল (৫৭), তাঁর স্ত্রী টিনা (৫৪) ও তাঁদের মেয়ে আরিয়ানার (১৮) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর এনডিটিভির।
ভার্জিনিয়ার নরফোক ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি (ডিএ) মাইকেল মরিস সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো মারাত্মক পারিবারিক সহিংসতার জেরে এবং বাইরের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছাড়াই এ ঘটনা ঘটেছে।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত পরিবারটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি শিল্পে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তাঁরা এডুনোভা নামের একটি শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করতেন। প্রতিষ্ঠানটি এখন বিলুপ্ত।
বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী রাকেশ কামাল এমআইটি স্লোন স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা করেছেন। শিক্ষাবিষয়ক পরামর্শে তাঁর বিস্তৃত ক্যারিয়ার ছিল। তিনি ২০১৬ সালে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মিলে এড-টেক নামের একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
বোস্টন গ্লোব সংবাদপত্রের প্রতিবেদন অনুসারে, এডুনোভা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চবিদ্যালয় এবং কলেজ শিক্ষার্থীদের গ্রেড উন্নয়নে শিক্ষাসহায়ক প্ল্যাটফর্ম।
শুরুতে কোম্পানিটি বেশ ভালোই করছিল। ২০১৯ সালে কামাল ডোভারে ৪০ লাখ ডলার মূল্যের ১৯ হাজার বর্গফুটের ১১টি বেডরুম বিশিষ্ট একটি বাড়ি কেনেন।
তবে নথিপত্র অনুসারে, ২০২১ সালে কোম্পানিটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। এ থেকেই কামাল পরিবারে আর্থিক অনটনের শুরু। দম্পতিটি রিক এবং টিনা নামে পরিচিত ছিলেন।
এক বছর আগে তাঁদের প্রাসাদতুল্য বাড়িটি নিলামে তোলা হয় এবং ম্যাসাচুসেটসভিত্তিক আইনি সংস্থা উইলসোনডেল অ্যাসোসিয়েটস এলএলসি ৩০ লাখ ডলারের বিনিময়ে বাড়িটি কিনে নেয়। বিক্রির সময় সম্পত্তিটির মূল্য আনুমানিক ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী টিনা কামাল ২০২২ সালে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেন। এ থেকে দম্পতিটি ব্যাপক আর্থিক অনটনের মধ্য ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৮ বছর বয়সী আরিয়ানা মিডলবারি কলেজে নিউরোসায়েন্স বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন। এটি ভারমন্টের একটি বেসরকারি কলেজ, সেখানে বছরে ৬৪ হাজার ৮০০ ডলার খরচ হয়।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৪ মিনিটে কামালের এক আত্মীয় পুলিশকে ফোন করেন। বেশ কয়েক দিন ধরে কোনো ধরনের যোগাযোগ করতে না পারায় তাঁরা কামালের বাড়িতে খোঁজ নিতে যান।
পুলিশ বলছে, ওই সময় বাড়িতে শুধু পরিবারের এ সদস্যরাই থাকতেন। ডোভার এলাকাটি ম্যাসাচুসেটসের সবচেয়ে ধনী এলাকার মধ্যে একটি।
পুলিশ বাড়ির ভেতর থেকে রাকেশ, টিনা ও আরিয়ানার লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে এ ঘটনার নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব হবে। ময়নাতদন্ত শেষেই বলা যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।
তবে রাকেশের মৃতদেহের পাশে একটি বন্দুক পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মরিস বলেন, ‘ঘটনাস্থলে একটি বন্দুক পাওয়া গেছে।’
পুলিশের মতে, ২০২০ সাল থেকেই ডোভারে কোনো হত্যার ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনাটি বেশ মর্মান্তিক।
মরিস সাংবাদিকদের বলেন, ‘নরফোক কাউন্টিতে বিশেষ করে ডোভারে এ ধরনের সহিংসতার ঘটনা খুবই বিরল।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে