
ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সাতটি সুইং বা দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যেই বিজয় নিশ্চিত করেছেন। গতকাল শনিবার অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে জয়লাভের মধ্য দিয়ে এই রেকর্ড গড়লেন তিনি।
২০২০ সালে অ্যারিজোনায় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হন ট্রাম্প। তবে এবার তিনি অঙ্গরাজ্যটির ১১টি ইলেক্টোরাল ভোট পুনরুদ্ধার করেছেন।
ডেমোক্র্যাটিক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে পরাজিত করে ট্রাম্প অ্যারিজোনায় দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। ২০১৬ সালের পর এটি তাঁর জন্য অনেক বড় সাফল্য।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প এখন পর্যন্ত ৩১২টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়েছেন, যা হোয়াইট হাউসে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৭০ ভোটের চেয়ে অনেক বেশি। ২০১৬ সালের নির্বাচনে তাঁর প্রাপ্ত ইলেক্টোরাল ভোট ছিল ৩০৪ টি।
মার্কিন গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এরই মধ্যে ৫০টি অঙ্গরাজ্যের অর্ধেকেরও বেশি রাজ্যে বিজয় লাভ করেছেন। এসব অঙ্গরাজ্যর মধ্যে রয়েছে জর্জিয়া, পেনসিলভানিয়া, মিশিগান ও উইসকনসিনের মতো দোদুল্যমান রাজ্য। আসনগুলো গত নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ঝুলিতে ছিল। এ ছাড়া তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্য নর্থ ক্যারোলাইনা ও নেভাদায়ও জয়লাভ করেছেন।
একটি ফৌজদারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত ও দুটি অভিশংসন থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্প বিজয়ী হয়েছেন।
অন্যদিকে ৮১ বছর বয়সী বাইডেনের পরিবর্তে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া কমলা হ্যারিস বর্তমানে ২২৬টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়েছেন।
কমলার পরাজয়ে চতুর্থবারের মতো রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্টরা পালাক্রমে হোয়াইট হাউসের ক্ষমতা গ্রহণ করছেন। মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রায় ১৯ শতকের শেষ ভাগ থেকে এ রকম পালাবদল দেখা যায়নি।
বয়সজনিত কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জো বাইডেনের সঙ্গে আগামী বুধবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ
আগামী বছরের ২০ জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এখন থেকেই দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসন গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
এরই মধ্যে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে ক্যাম্পেইন ম্যানেজার সুসি উইলসকে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি। ৬৭ বছর বয়সী উইলস এই উচ্চপদে প্রথম নারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ট্রাম্পের প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে আরও গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে পারেন ইলন মাস্ক। মার্কিন সরকারের অপচয় পর্যালোচনার একটি পদে তাঁকে নিয়োগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া সাবেক জার্মানির রাষ্ট্রদূত রিক গ্রেনেল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন এবং স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ ভূমিকা রাখতে রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রকেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সাতটি সুইং বা দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যেই বিজয় নিশ্চিত করেছেন। গতকাল শনিবার অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে জয়লাভের মধ্য দিয়ে এই রেকর্ড গড়লেন তিনি।
২০২০ সালে অ্যারিজোনায় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হন ট্রাম্প। তবে এবার তিনি অঙ্গরাজ্যটির ১১টি ইলেক্টোরাল ভোট পুনরুদ্ধার করেছেন।
ডেমোক্র্যাটিক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে পরাজিত করে ট্রাম্প অ্যারিজোনায় দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। ২০১৬ সালের পর এটি তাঁর জন্য অনেক বড় সাফল্য।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প এখন পর্যন্ত ৩১২টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়েছেন, যা হোয়াইট হাউসে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৭০ ভোটের চেয়ে অনেক বেশি। ২০১৬ সালের নির্বাচনে তাঁর প্রাপ্ত ইলেক্টোরাল ভোট ছিল ৩০৪ টি।
মার্কিন গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এরই মধ্যে ৫০টি অঙ্গরাজ্যের অর্ধেকেরও বেশি রাজ্যে বিজয় লাভ করেছেন। এসব অঙ্গরাজ্যর মধ্যে রয়েছে জর্জিয়া, পেনসিলভানিয়া, মিশিগান ও উইসকনসিনের মতো দোদুল্যমান রাজ্য। আসনগুলো গত নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ঝুলিতে ছিল। এ ছাড়া তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্য নর্থ ক্যারোলাইনা ও নেভাদায়ও জয়লাভ করেছেন।
একটি ফৌজদারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত ও দুটি অভিশংসন থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্প বিজয়ী হয়েছেন।
অন্যদিকে ৮১ বছর বয়সী বাইডেনের পরিবর্তে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া কমলা হ্যারিস বর্তমানে ২২৬টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়েছেন।
কমলার পরাজয়ে চতুর্থবারের মতো রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্টরা পালাক্রমে হোয়াইট হাউসের ক্ষমতা গ্রহণ করছেন। মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রায় ১৯ শতকের শেষ ভাগ থেকে এ রকম পালাবদল দেখা যায়নি।
বয়সজনিত কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জো বাইডেনের সঙ্গে আগামী বুধবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ
আগামী বছরের ২০ জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এখন থেকেই দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসন গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
এরই মধ্যে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে ক্যাম্পেইন ম্যানেজার সুসি উইলসকে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি। ৬৭ বছর বয়সী উইলস এই উচ্চপদে প্রথম নারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ট্রাম্পের প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে আরও গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে পারেন ইলন মাস্ক। মার্কিন সরকারের অপচয় পর্যালোচনার একটি পদে তাঁকে নিয়োগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া সাবেক জার্মানির রাষ্ট্রদূত রিক গ্রেনেল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন এবং স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ ভূমিকা রাখতে রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রকেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবার নিয়ম অনুযায়ী, মার্কিন নাগরিকের স্বামী বা স্ত্রী ‘ইমিডিয়েট রিলেটিভ’ বা নিকটাত্মীয় ক্যাটাগরিতে পড়েন এবং তাঁরা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনের যোগ্য। তবে ৩০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অভিবাসন আইনজীবী ব্র্যাড বার্নস্টাইন সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাস
২৩ মিনিট আগে
রোলেক্স ঘড়ি, লুই ভিটন ব্যাগ কিংবা আইফোন—মহামূল্যবান ব্র্যান্ডের এসব পণ্য অনেকেরই কেনার সাধ্য নেই। তবে মানুষের আগ্রহের কারণে এসব পণ্যের ‘সেকেন্ড হ্যান্ড’ বাজারও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ব্যবহৃত বিলাসী পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে এখন ক্রেতাদের কাছে এক নতুন মানদণ্ড হয়ে উঠেছে ‘ইউজড ইন জাপান’।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন পরিদর্শন করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। মিশন প্রাঙ্গণে রাখা শোক বইয়ে স্বাক্ষর করে তিনি বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী এই রাজনৈতিক
২ ঘণ্টা আগে
গত বছরের নভেম্বরে ইউরোপের বাইরে ১৯টি দেশের নাগরিকদের সব ধরনের ভিসা আবেদন স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে গ্রিন কার্ড ও মার্কিন নাগরিকত্বের আবেদনও ছিল। জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার উদ্বেগ দেখিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেয়। তালিকায় আফ্রিকার একাধিক দেশও ছিল।
২ ঘণ্টা আগে