এএফপি, ওয়াশিংটন

মার্কিন কংগ্রেস শুক্রবার মধ্যরাতে শাটডাউন ঠেকাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করেছে। দীর্ঘ আলোচনার পর পাস হওয়া এই বিলটি ফেডারেল সংস্থাগুলোর অর্থায়ন আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত নিশ্চিত করেছে। মধ্যরাতের সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সিনেটররা প্রথাগত নিয়ম এড়িয়ে দ্রুত ভোট দেন। এর ফলে সরকারি কার্যক্রম বন্ধের প্রস্তুতি থেমে যায় এবং ৮ লাখেরও বেশি কর্মীর জন্য ক্রিসমাসের ছুটিকে রক্ষা করা সম্ভব হয়, যাদের বেতন বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি ছিল।
সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেমোক্র্যাটিক নেতা চাক শুমার সিনেট বক্তৃতায় বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা সফল হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র এবং এর জনগণের জন্য ভালো ফলাফল নিয়ে এসেছে।’
সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ থাকায় বিলটি পাস হওয়া অনেকটা নিশ্চিত ছিল। এর আগে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত হাউসেও এই প্যাকেজ পাস করাতে ডেমোক্র্যাটদের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তবে জটিল আইন পাস করতে সিনেটরদের সময়ক্ষেপণের প্রবণতার কারণে আশঙ্কা ছিল-বিষয়টি আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াতে পারে। এমনটি হলে, অপ্রয়োজনীয় সরকারি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেত এবং প্রায় ৮ লাখ ৭৫ হাজার কর্মী বাধ্যতামূলক ছুটিতে যেতে বাধ্য হতেন আর প্রায় ১৪ লাখ কর্মীকে বেতন ছাড়া কাজ করতে হতো।
সরকারি বাজেট বরাদ্দের কাজ মার্কিন কংগ্রেসের জন্য সবসময়ই একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। এইবারের ক্ষেত্রে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে তীব্র বিভাজনের পাশাপাশি অন্য একটি বড় বিষয় যুক্ত হয়েছিল—ইলন মাস্ক এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ।
এ বিষয়ে জর্জিয়ার রিপাবলিকান প্রতিনিধি রিচ ম্যাককরমিক বলেন, ‘শেষবার যখন দেখেছিলাম, ইলন মাস্কের কংগ্রেসে ভোট দেওয়ার কোনো অধিকার নেই। তার প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু আমার ৭ লাখ ৬০ হাজার ভোটারের জন্য কাজ করা আমার দায়িত্ব।’

মার্কিন কংগ্রেস শুক্রবার মধ্যরাতে শাটডাউন ঠেকাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করেছে। দীর্ঘ আলোচনার পর পাস হওয়া এই বিলটি ফেডারেল সংস্থাগুলোর অর্থায়ন আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত নিশ্চিত করেছে। মধ্যরাতের সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সিনেটররা প্রথাগত নিয়ম এড়িয়ে দ্রুত ভোট দেন। এর ফলে সরকারি কার্যক্রম বন্ধের প্রস্তুতি থেমে যায় এবং ৮ লাখেরও বেশি কর্মীর জন্য ক্রিসমাসের ছুটিকে রক্ষা করা সম্ভব হয়, যাদের বেতন বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি ছিল।
সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেমোক্র্যাটিক নেতা চাক শুমার সিনেট বক্তৃতায় বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা সফল হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র এবং এর জনগণের জন্য ভালো ফলাফল নিয়ে এসেছে।’
সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ থাকায় বিলটি পাস হওয়া অনেকটা নিশ্চিত ছিল। এর আগে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত হাউসেও এই প্যাকেজ পাস করাতে ডেমোক্র্যাটদের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তবে জটিল আইন পাস করতে সিনেটরদের সময়ক্ষেপণের প্রবণতার কারণে আশঙ্কা ছিল-বিষয়টি আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াতে পারে। এমনটি হলে, অপ্রয়োজনীয় সরকারি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেত এবং প্রায় ৮ লাখ ৭৫ হাজার কর্মী বাধ্যতামূলক ছুটিতে যেতে বাধ্য হতেন আর প্রায় ১৪ লাখ কর্মীকে বেতন ছাড়া কাজ করতে হতো।
সরকারি বাজেট বরাদ্দের কাজ মার্কিন কংগ্রেসের জন্য সবসময়ই একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। এইবারের ক্ষেত্রে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে তীব্র বিভাজনের পাশাপাশি অন্য একটি বড় বিষয় যুক্ত হয়েছিল—ইলন মাস্ক এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ।
এ বিষয়ে জর্জিয়ার রিপাবলিকান প্রতিনিধি রিচ ম্যাককরমিক বলেন, ‘শেষবার যখন দেখেছিলাম, ইলন মাস্কের কংগ্রেসে ভোট দেওয়ার কোনো অধিকার নেই। তার প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু আমার ৭ লাখ ৬০ হাজার ভোটারের জন্য কাজ করা আমার দায়িত্ব।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতে বিক্ষোভকারীরা সহিংস কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বিক্ষোভকারীদের ‘দাঙ্গাবাজ’ অভিহিত করে তিনি বলেন, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতেই এসব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত।
২৬ মিনিট আগে
ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
১০ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে