আজকের পত্রিকা ডেস্ক

এক বাংলাদেশি যাত্রী দুবাই থেকে দেশে ফিরে দেখেন তাঁর সঙ্গের একটি ব্যাগ আসলে তাঁর নয়! সেই ব্যাগে আবার বিপুল পরিমাণ হিরার গয়না! পরে অবশ্য দুবাই ও বাংলাদেশ পুলিশের সহযোগিতায় সেই গয়না ফেরত পান প্রকৃত মালিক।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন দুবাই-প্রবাসী একজন গয়না ব্যবসায়ী একটি প্রদর্শনীতে অংশ নিতে জিসিসিভুক্ত একটি দেশে যান। তাঁর সঙ্গে প্রায় ১১ লাখ দিরহাম (৩ কোটি ৬৮ লাখ প্রায়) মূল্যের হিরার গয়না ভর্তি চারটি ব্যাগ ছিল। গন্তব্যে পৌঁছে তিনি হতবাক হয়ে দেখেন, হাতের একটি ব্যাগ তাঁর নিজের নয়।
পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে, ওই গয়না ব্যবসায়ী সেদিনই সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফিরে আসেন এবং বিমানবন্দর নিরাপত্তা বিভাগে রিপোর্ট করেন। তাৎক্ষণিকভাবে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। তদন্তে জানা যায়, নিরাপত্তা তল্লাশির সময় একজন বাংলাদেশি যাত্রী ভুলবশত গয়না ব্যবসায়ীর ব্যাগটি নিয়ে নিয়েছিলেন। ব্যাগ দুটি দেখতে প্রায় একই রকম হওয়ায় এই বিভ্রান্তি ঘটেছিল। এরপর ওই বাংলাদেশি যাত্রী নিজের মনে করে ব্যাগটি নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন। আর গয়না ব্যবসায়ী অজান্তেই ওই ব্যক্তির একই রকম দেখতে ব্যাগটি নিয়ে নেন।
দুবাই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ঢাকার সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাস এবং সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করে জুয়েলারি ব্যাগটি সফলভাবে খুঁজে বের করা হয়। পরে সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
গয়না ব্যবসায়ী দুবাই পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার মতো কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। আপনাদের অসাধারণ মনোযোগ এবং মানুষকে খুশি করার আন্তরিক অঙ্গীকার সত্যিই প্রশংসার ঊর্ধ্বে।’
দুবাই পুলিশ বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের ‘চমৎকার’ সহযোগিতারও প্রশংসা করেছে।

এক বাংলাদেশি যাত্রী দুবাই থেকে দেশে ফিরে দেখেন তাঁর সঙ্গের একটি ব্যাগ আসলে তাঁর নয়! সেই ব্যাগে আবার বিপুল পরিমাণ হিরার গয়না! পরে অবশ্য দুবাই ও বাংলাদেশ পুলিশের সহযোগিতায় সেই গয়না ফেরত পান প্রকৃত মালিক।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন দুবাই-প্রবাসী একজন গয়না ব্যবসায়ী একটি প্রদর্শনীতে অংশ নিতে জিসিসিভুক্ত একটি দেশে যান। তাঁর সঙ্গে প্রায় ১১ লাখ দিরহাম (৩ কোটি ৬৮ লাখ প্রায়) মূল্যের হিরার গয়না ভর্তি চারটি ব্যাগ ছিল। গন্তব্যে পৌঁছে তিনি হতবাক হয়ে দেখেন, হাতের একটি ব্যাগ তাঁর নিজের নয়।
পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে, ওই গয়না ব্যবসায়ী সেদিনই সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফিরে আসেন এবং বিমানবন্দর নিরাপত্তা বিভাগে রিপোর্ট করেন। তাৎক্ষণিকভাবে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। তদন্তে জানা যায়, নিরাপত্তা তল্লাশির সময় একজন বাংলাদেশি যাত্রী ভুলবশত গয়না ব্যবসায়ীর ব্যাগটি নিয়ে নিয়েছিলেন। ব্যাগ দুটি দেখতে প্রায় একই রকম হওয়ায় এই বিভ্রান্তি ঘটেছিল। এরপর ওই বাংলাদেশি যাত্রী নিজের মনে করে ব্যাগটি নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন। আর গয়না ব্যবসায়ী অজান্তেই ওই ব্যক্তির একই রকম দেখতে ব্যাগটি নিয়ে নেন।
দুবাই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ঢাকার সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাস এবং সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করে জুয়েলারি ব্যাগটি সফলভাবে খুঁজে বের করা হয়। পরে সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
গয়না ব্যবসায়ী দুবাই পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার মতো কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। আপনাদের অসাধারণ মনোযোগ এবং মানুষকে খুশি করার আন্তরিক অঙ্গীকার সত্যিই প্রশংসার ঊর্ধ্বে।’
দুবাই পুলিশ বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের ‘চমৎকার’ সহযোগিতারও প্রশংসা করেছে।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৪ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৭ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৮ ঘণ্টা আগে