
অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় নিরাপদ অঞ্চল বলে ঘোষণা করা হয়েছিল মিসর সীমান্ত সংলগ্ন রাফাহকে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল প্রায় ১৪ লাখ মানুষ। এবার সেই রাফাহতে আবারও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল বৃহস্পতিবার সেখানে বিমান হামলা চালায় দেশটি। এমন সময়ে এই হামলা চালানো হলো যখন ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে শান্তি আলোচনা চলছে।
এদিকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে লোহিতসাগরে। সেখানে দুটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ফ্রান্স। এ ছাড়া হুতিদের স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
রাফাহতে ইসরায়েল অভিযান চালাবে—সেই ঘোষণা বেশ আগেই দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সেখানে স্থলবাহিনী পাঠাতে চেয়েছিলেন তিনি। যদিও এই রাফাহ শহরেই এখন প্রায় ১৪ লাখ শরণার্থীর বসবাস। এই পরিস্থিতিতে সেখানে অভিযান না চালানোর আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল। তবে এই আহ্বান উপেক্ষা করে গতকাল সেখানে বিমান হামলা চালানো হয়।
গত বুধবার রাতেও রাফাহ এলাকায় শরণার্থীশিবিরে হামলা চালায় ইসরায়েল। সেখান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপির এক সাংবাদিক জানান, বুধবার রাতের পর গতকাল ভোরের দিকেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে। ওই এলাকায় বসবাসরত রামি আল-শায়ের বলেন, ‘আমি বিস্ফোরণের শব্দে উঠি। মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হচ্ছে। আগুন, ধোঁয়া এবং ধুলোয় ভরে গেছে পুরো এলাকা।’
এর আগে, ১১ ফেব্রুয়ারিও রাফাহ এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। সে সময় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী জানিয়েছিল, তারা হামাসের বেশ কয়েকটি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। কিন্তু সেই হামলায় হামাসের আদৌ কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল কি না, তা জানায়নি ইসরায়েল। তবে সেই হামলায় দক্ষিণ রাফাহর শাবোরা এলাকায় অন্তত ৫২ জন নিহত হয়।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৯৭ জন মারা গেছে। গত ৭ অক্টোবর হামলা শুরুর পর এ নিয়ে ২৯ হাজার ৪১০ জন মারা গেল। নিহতদের ৭০ শতাংশেরই বেশি শিশু ও নারী। এ ছাড়া ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ৭০ হাজারের বেশি।
এদিকে গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তাল হয়েছে লোহিতসাগর। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, আত্মরক্ষার জন্য তারা ইয়েমেনের হুতিদের স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হুতিরা যেখান থেকে জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে সেখানে হামলা চালানো হয়েছে।
তবে এই হামলার পরপরই ইয়েমেনের উপকূলে এডেন উপসাগরে একটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। জাহাজটি যুক্তরাজ্যের বলে জানা গেছে। যুক্তরাজ্যের একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাহাজটি থাইল্যান্ড থেকে লোহিতসাগরের দিকে আগাচ্ছিল।
অপরদিকে ফিলিস্তিনি নারীরা ধর্ষণের স্বীকার হয়েছেন, গাজায় নির্বিচার আটক, দমনপীড়নের ঘটনা ঘটেছে—জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এমন অভিযোগ তোলার পর নতুন অভিযোগ তুলেছে ইসরায়েল। দেশটির অ্যাসোসিয়েশন অব রেপ ক্রাইসিস সেন্টার গত বুধবার অভিযোগ করেছে, গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার সময় বেসামরিক ইসরায়েলিরা পদ্ধতিগত যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।
এর আগে, গত সপ্তাহে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তা শিগগিরই তদন্তের আহ্বান জানান। এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুই দেশও গাজায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় নিরাপদ অঞ্চল বলে ঘোষণা করা হয়েছিল মিসর সীমান্ত সংলগ্ন রাফাহকে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল প্রায় ১৪ লাখ মানুষ। এবার সেই রাফাহতে আবারও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল বৃহস্পতিবার সেখানে বিমান হামলা চালায় দেশটি। এমন সময়ে এই হামলা চালানো হলো যখন ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে শান্তি আলোচনা চলছে।
এদিকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে লোহিতসাগরে। সেখানে দুটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ফ্রান্স। এ ছাড়া হুতিদের স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
রাফাহতে ইসরায়েল অভিযান চালাবে—সেই ঘোষণা বেশ আগেই দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সেখানে স্থলবাহিনী পাঠাতে চেয়েছিলেন তিনি। যদিও এই রাফাহ শহরেই এখন প্রায় ১৪ লাখ শরণার্থীর বসবাস। এই পরিস্থিতিতে সেখানে অভিযান না চালানোর আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল। তবে এই আহ্বান উপেক্ষা করে গতকাল সেখানে বিমান হামলা চালানো হয়।
গত বুধবার রাতেও রাফাহ এলাকায় শরণার্থীশিবিরে হামলা চালায় ইসরায়েল। সেখান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপির এক সাংবাদিক জানান, বুধবার রাতের পর গতকাল ভোরের দিকেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে। ওই এলাকায় বসবাসরত রামি আল-শায়ের বলেন, ‘আমি বিস্ফোরণের শব্দে উঠি। মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হচ্ছে। আগুন, ধোঁয়া এবং ধুলোয় ভরে গেছে পুরো এলাকা।’
এর আগে, ১১ ফেব্রুয়ারিও রাফাহ এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। সে সময় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী জানিয়েছিল, তারা হামাসের বেশ কয়েকটি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। কিন্তু সেই হামলায় হামাসের আদৌ কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল কি না, তা জানায়নি ইসরায়েল। তবে সেই হামলায় দক্ষিণ রাফাহর শাবোরা এলাকায় অন্তত ৫২ জন নিহত হয়।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৯৭ জন মারা গেছে। গত ৭ অক্টোবর হামলা শুরুর পর এ নিয়ে ২৯ হাজার ৪১০ জন মারা গেল। নিহতদের ৭০ শতাংশেরই বেশি শিশু ও নারী। এ ছাড়া ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ৭০ হাজারের বেশি।
এদিকে গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তাল হয়েছে লোহিতসাগর। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, আত্মরক্ষার জন্য তারা ইয়েমেনের হুতিদের স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হুতিরা যেখান থেকে জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে সেখানে হামলা চালানো হয়েছে।
তবে এই হামলার পরপরই ইয়েমেনের উপকূলে এডেন উপসাগরে একটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। জাহাজটি যুক্তরাজ্যের বলে জানা গেছে। যুক্তরাজ্যের একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাহাজটি থাইল্যান্ড থেকে লোহিতসাগরের দিকে আগাচ্ছিল।
অপরদিকে ফিলিস্তিনি নারীরা ধর্ষণের স্বীকার হয়েছেন, গাজায় নির্বিচার আটক, দমনপীড়নের ঘটনা ঘটেছে—জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এমন অভিযোগ তোলার পর নতুন অভিযোগ তুলেছে ইসরায়েল। দেশটির অ্যাসোসিয়েশন অব রেপ ক্রাইসিস সেন্টার গত বুধবার অভিযোগ করেছে, গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার সময় বেসামরিক ইসরায়েলিরা পদ্ধতিগত যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।
এর আগে, গত সপ্তাহে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তা শিগগিরই তদন্তের আহ্বান জানান। এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুই দেশও গাজায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
৩৫ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে