
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন শেষ করার লক্ষ্যে যুদ্ধবিরতির যে আলোচনা চলছে, তা যেকোনো সময়ে ভেস্তে যেতে পারে। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-মায়েদিনকে এ কথা বলেছেন। গত রোববার ওই নেতা এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
হামাসের ওই শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েলি দখলদারদের সঙ্গে চলমান আলোচনা যেকোনো সময় ভেস্তে যেতে পারে। আল-মায়েদিনকে ওই নেতা বলেছেন, ‘হামাস দৃঢ়ভাবে মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়ে দিয়েছে যে, যতক্ষণ (গাজায় ইসরায়েলি) হত্যাকাণ্ড ও প্রতিদিনের নৃশংসতা অব্যাহত থাকবে, ততক্ষণ আলোচনার কোনো ফল আসবে না।’
সূত্রটি আরও বলেছেন, ‘আলোচনা ব্যাহত করার লক্ষ্যে ইসরায়েলি পক্ষের স্থবির কৌশলে ব্যাপকভাবে হতাশ হামাস।’ তাঁর এই বক্তব্য এমন সময়ে এল, যার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে পশ্চিম খান ইউনিসের আল-মাওয়াসিতে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। এরই মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে হামাস নিজেদের আলোচনা থেকে সরিয়ে নিতে পারে।
বার্তা সংস্থা এএফপি ও অন্যান্য গণমাধ্যমগুলো এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। তবে তবে এ সংক্রান্ত এ বিবৃতিতে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইজ্জাত আল-রাশাক বলেছেন, হামাস পশ্চিম খান ইউনিসে আল-মাওয়াসি গণহত্যার প্রতিক্রিয়া হিসেবে আলোচনা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এ ধরনের প্রতিবেদন ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’।
আল-রাশাক জোর দিয়ে বলেন, ‘ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী (বেনিয়ামিন) নেতানিয়াহু ও তাঁর নাৎসি সরকার আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে যে নাৎসি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তার লক্ষ্য আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বন্ধ করার জন্য যেকোনো চুক্তির প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করা এবং এই বিষয়টি সবার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে।’

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন শেষ করার লক্ষ্যে যুদ্ধবিরতির যে আলোচনা চলছে, তা যেকোনো সময়ে ভেস্তে যেতে পারে। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-মায়েদিনকে এ কথা বলেছেন। গত রোববার ওই নেতা এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
হামাসের ওই শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েলি দখলদারদের সঙ্গে চলমান আলোচনা যেকোনো সময় ভেস্তে যেতে পারে। আল-মায়েদিনকে ওই নেতা বলেছেন, ‘হামাস দৃঢ়ভাবে মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়ে দিয়েছে যে, যতক্ষণ (গাজায় ইসরায়েলি) হত্যাকাণ্ড ও প্রতিদিনের নৃশংসতা অব্যাহত থাকবে, ততক্ষণ আলোচনার কোনো ফল আসবে না।’
সূত্রটি আরও বলেছেন, ‘আলোচনা ব্যাহত করার লক্ষ্যে ইসরায়েলি পক্ষের স্থবির কৌশলে ব্যাপকভাবে হতাশ হামাস।’ তাঁর এই বক্তব্য এমন সময়ে এল, যার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে পশ্চিম খান ইউনিসের আল-মাওয়াসিতে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। এরই মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে হামাস নিজেদের আলোচনা থেকে সরিয়ে নিতে পারে।
বার্তা সংস্থা এএফপি ও অন্যান্য গণমাধ্যমগুলো এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। তবে তবে এ সংক্রান্ত এ বিবৃতিতে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইজ্জাত আল-রাশাক বলেছেন, হামাস পশ্চিম খান ইউনিসে আল-মাওয়াসি গণহত্যার প্রতিক্রিয়া হিসেবে আলোচনা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এ ধরনের প্রতিবেদন ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’।
আল-রাশাক জোর দিয়ে বলেন, ‘ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী (বেনিয়ামিন) নেতানিয়াহু ও তাঁর নাৎসি সরকার আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে যে নাৎসি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তার লক্ষ্য আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বন্ধ করার জন্য যেকোনো চুক্তির প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করা এবং এই বিষয়টি সবার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে।’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে