
সবচেয়ে মারাত্মক হামলার শিকার হয়ে ইসরায়েলিদের ক্রোধে অন্ধ না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ২০০১ সালে টুইন টাওয়ার হামলার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এক সতর্কবার্তায় তিনি জানান, সে সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ভুল করেছিল।
বাইডেন বলেন, ‘আমি সতর্ক করছি, রাগান্বিত হলে এর দ্বারা প্রভাবিত হবেন না। ৯/১১ হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমরাও ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম। যখন আমরা ন্যায়বিচার চেয়েছিলাম—ন্যায়বিচার পেয়েছি, তখন আমরাও ভুলও করেছি।’
ভারতীয় এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েল সফরে গিয়ে এসব মন্তব্য করেছেন। ইসরায়েলের তেল আবিবে দেওয়া ভাষণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে রাগের বশে যুদ্ধের আইনগুলো ভুলে না যাওয়ারও পরামর্শ দেন বাইডেন।
ইসরায়েল সফরে গিয়ে জো বাইডেন আরও বলেছেন, ‘গাজার হাসপাতালে বোমা হামলা দেখে আমি ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত হয়েছি। যা দেখেছি, তাতে মনে হচ্ছে, গাজার হাসপাতালে ইসরায়েল নয়, অন্য দল হামলা করেছে। তবে এখনো অনেক মানুষই বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত নয়।’
গাজা উপত্যকায় আল-আহলি হাসপাতালে বিস্ফোরণে শত শত লোক নিহত হওয়ার পর বাইডেন জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েল সফর করেন। হামাস এই বিস্ফোরণের জন্য ইসরায়েলি বিমান হামলাকে দায়ী করেছে। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করছে, ফিলিস্তিনি কোনো সশস্ত্র বাহিনীর ছোড়া রকেট ব্যর্থ হয়ে হাসপাতালে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে।
আজ বুধবার ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে পৌঁছেছেন জো বাইডেন। এরপর তিনি এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় হামাসের হামলায় ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা, হামাসের নৃশংসতা এবং শিশুদের ওপর এই হামলার প্রভাব নিয়ে কথা বলেন তাঁরা। তেল আবিবে পৌঁছানোর পর হামাসের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলের প্রতি নিজের সমর্থনও প্রকাশ করেন বাইডেন।

সবচেয়ে মারাত্মক হামলার শিকার হয়ে ইসরায়েলিদের ক্রোধে অন্ধ না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ২০০১ সালে টুইন টাওয়ার হামলার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এক সতর্কবার্তায় তিনি জানান, সে সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ভুল করেছিল।
বাইডেন বলেন, ‘আমি সতর্ক করছি, রাগান্বিত হলে এর দ্বারা প্রভাবিত হবেন না। ৯/১১ হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমরাও ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম। যখন আমরা ন্যায়বিচার চেয়েছিলাম—ন্যায়বিচার পেয়েছি, তখন আমরাও ভুলও করেছি।’
ভারতীয় এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েল সফরে গিয়ে এসব মন্তব্য করেছেন। ইসরায়েলের তেল আবিবে দেওয়া ভাষণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে রাগের বশে যুদ্ধের আইনগুলো ভুলে না যাওয়ারও পরামর্শ দেন বাইডেন।
ইসরায়েল সফরে গিয়ে জো বাইডেন আরও বলেছেন, ‘গাজার হাসপাতালে বোমা হামলা দেখে আমি ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত হয়েছি। যা দেখেছি, তাতে মনে হচ্ছে, গাজার হাসপাতালে ইসরায়েল নয়, অন্য দল হামলা করেছে। তবে এখনো অনেক মানুষই বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত নয়।’
গাজা উপত্যকায় আল-আহলি হাসপাতালে বিস্ফোরণে শত শত লোক নিহত হওয়ার পর বাইডেন জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েল সফর করেন। হামাস এই বিস্ফোরণের জন্য ইসরায়েলি বিমান হামলাকে দায়ী করেছে। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করছে, ফিলিস্তিনি কোনো সশস্ত্র বাহিনীর ছোড়া রকেট ব্যর্থ হয়ে হাসপাতালে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে।
আজ বুধবার ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে পৌঁছেছেন জো বাইডেন। এরপর তিনি এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় হামাসের হামলায় ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা, হামাসের নৃশংসতা এবং শিশুদের ওপর এই হামলার প্রভাব নিয়ে কথা বলেন তাঁরা। তেল আবিবে পৌঁছানোর পর হামাসের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলের প্রতি নিজের সমর্থনও প্রকাশ করেন বাইডেন।

সুইজারল্যান্ডের একটি অভিজাত স্কি রিসোর্টে নতুন বছর উদ্যাপনের আনন্দ মুহূর্তেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে রূপ নিয়েছে। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্রাঁস-মঁতানা স্কি রিসোর্টে নববর্ষের রাতে একটি জনাকীর্ণ বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ১১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়...
১ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নিজেকে ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বাস্তবতা ভিন্ন ছবি দেখাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, সদ্য শেষ হওয়া বছরটিতে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত সাতটি দেশে সামরিক..
২ ঘণ্টা আগে
গত দুই দিনে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তিনটি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার রাতে কুহদাশত শহরে দাঙ্গাকারীদের হামলায় ২১ বছর বয়সী আমির হোসাম খোদায়ারি ফার্দ নামের এক বাসিজ সদস্য (আধা সামরিক বাহিনী) নিহত হন। এ ঘটনায় আরও ১৩ পুলিশ ও বাসিজ সদস্য আহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবার নিয়ম অনুযায়ী, মার্কিন নাগরিকের স্বামী বা স্ত্রী ‘ইমিডিয়েট রিলেটিভ’ বা নিকটাত্মীয় ক্যাটাগরিতে পড়েন এবং তাঁরা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনের যোগ্য। তবে ৩০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অভিবাসন আইনজীবী ব্র্যাড বার্নস্টাইন সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাস
৩ ঘণ্টা আগে