
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় জিম্মি উদ্ধার করতে অভিযানে নেমেছিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। কিন্তু যেসব জিম্মিকে উদ্ধারে গিয়েছিল, তাঁদের তিনজনকে গুলি করে হত্যা করেছে তারা। এ ঘটনার পর বেশ চাপে আছে ইসরায়েল প্রশাসন। জিম্মি মুক্তি নিরাপদ করতে হামাসের ওপর হামলার মাত্রা বাড়ানোকেই একমাত্র পথ বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আর সে কথা অনুযায়ী, গাজায় বোমাবর্ষণের মাত্রাও অনেক বেশি বাড়িয়েছে আইডিএফ।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জিম্মিদের হত্যার কথা স্বীকার করার পরই গত শুক্রবার রাত থেকে ইসরায়েলে বিক্ষোভ শুরু হয়। রাজধানী তেল আবিবে অবস্থিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে জড়ো হয় শত শত মানুষ। সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সেখানে জড়ো হওয়া জিম্মিদের আত্মীয়স্বজনেরা দাবি জানায়, এখনো যারা গাজায় আটকে আছেন, তাদের উদ্ধারে যেন হামাসের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা হয়।
এদিকে, গত শুক্রবার রাতে ইউরোপে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ডেভিড বারনিয়ার সঙ্গে কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মেদ বিন আবদুলরহমান আল থানির বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে গাজায় নতুন করে যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বারনিয়া-আল থানির বৈঠকের ব্যাপারে করা প্রশ্ন এড়িয়ে যান তিনি। আলোচনাকারী দলের সদস্যদের নির্দেশনা দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন নেতানিয়াহু।
হামাসের ওপর সামরিক চাপ বাড়ানোর দিকে ইঙ্গিত করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ চাপের ফল কী হতে পারে, তা অনুমান করেই আমি আলোচনাকারী দলকে দর কষাকষির নির্দেশনা দিচ্ছি। এ ছাড়া আমাদের হাতে অন্য কোনো উপায় নেই।’
সামরিক চাপ বৃদ্ধির চিত্র দেখা গেছে গাজায়। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত থেকে আজ রোববার পর্যন্ত ইসরায়েলি বোমা হামলায় প্রায় ৪০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ফিলিস্তিনের রেড ক্রিসেন্টের তথ্য মতে, চতুর্থ দিনের মতো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে গাজা। এতে আহতদের সেবা দেওয়ার কাজও কঠিন হয়ে পড়েছে। সামাজিক প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ফিলিস্তিনের রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর এবারই দীর্ঘতম সময়ের জন্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গাজা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ রোববার মন্ত্রিপরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে উপস্থিত হয়ে হামাসের হামলায় নিহত ইসরায়েলিদের আত্মীয়স্বজনের চিঠি পড়ে শুনিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। চিঠি উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘আপনার লড়াই করার আদেশ আছে। মাঝখানে লড়াই থামিয়ে দেওয়ার আদেশ নেই।’ চিঠির এই কথাগুলোর জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করব।’
অন্যদিকে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস বলেছে যে, ইসরায়েল যত দিন গাজায় যুদ্ধ না থামাবে, তত দিন তারা আর কোনো জিম্মিকে মুক্তি দেবে না।
দুই পক্ষ থেকেই সমঝোতার কোনো লক্ষণ না থাকায় গাজায় সহিংসতা তীব্রতর হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিচালকের বরাত দিয়ে হামাস আকসা রেডিও জানিয়েছে, উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরে শেহাব পরিবারের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ জন নিহত এবং কয়েক ডজন বেসামরিক আহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনের একজন চিকিৎসক রয়টার্সকে বলেছেন, ‘জাবালিয়ায় সারা রাত ধরে ট্যাংক এবং বিমান থেকে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই এখানে নৃশংস যুদ্ধ চলছে। রাস্তায় মানুষ মারা যাচ্ছে কিন্তু আমরা তাদের কাছে যেতে পারছি না। আমাদের ধারণা, ধ্বংসস্তূপের নিচে মৃত মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি কিন্তু ইসরায়েলি বোমার তীব্রতার কারণে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে কাউকে উদ্ধারের কোনো উপায় দেখছি না।’
মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর চিকিৎসকেরা বলেছেন যে, ইসরায়েলি হামলায় ১২ ফিলিস্তিনি নিহত এবং কয়েক ডজন আহত হয়েছে। আর দক্ষিণ রাফাহতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছে।
বরাবরের মতোই সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার কথা বলেছে ইসরায়েল। গত শনিবার বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, গাজার যুদ্ধের সঙ্গে ইসরায়েলের অস্তিত্ব জড়িত। গাজাকে সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত করে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জয়লাভ পর্যন্ত ইসরায়েল যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজায় ৭০ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এর মাঝে অল্প কিছু দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি ছিল। যুদ্ধবিরতির আগে ও পরে অঞ্চলটিতে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় প্রায় ১৯ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৮ হাজারই শিশু। নিহতের তালিকায় শিশুর পরপরই সবচেয়ে বেশি নারী।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় জিম্মি উদ্ধার করতে অভিযানে নেমেছিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। কিন্তু যেসব জিম্মিকে উদ্ধারে গিয়েছিল, তাঁদের তিনজনকে গুলি করে হত্যা করেছে তারা। এ ঘটনার পর বেশ চাপে আছে ইসরায়েল প্রশাসন। জিম্মি মুক্তি নিরাপদ করতে হামাসের ওপর হামলার মাত্রা বাড়ানোকেই একমাত্র পথ বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আর সে কথা অনুযায়ী, গাজায় বোমাবর্ষণের মাত্রাও অনেক বেশি বাড়িয়েছে আইডিএফ।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জিম্মিদের হত্যার কথা স্বীকার করার পরই গত শুক্রবার রাত থেকে ইসরায়েলে বিক্ষোভ শুরু হয়। রাজধানী তেল আবিবে অবস্থিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে জড়ো হয় শত শত মানুষ। সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সেখানে জড়ো হওয়া জিম্মিদের আত্মীয়স্বজনেরা দাবি জানায়, এখনো যারা গাজায় আটকে আছেন, তাদের উদ্ধারে যেন হামাসের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা হয়।
এদিকে, গত শুক্রবার রাতে ইউরোপে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ডেভিড বারনিয়ার সঙ্গে কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মেদ বিন আবদুলরহমান আল থানির বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে গাজায় নতুন করে যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বারনিয়া-আল থানির বৈঠকের ব্যাপারে করা প্রশ্ন এড়িয়ে যান তিনি। আলোচনাকারী দলের সদস্যদের নির্দেশনা দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন নেতানিয়াহু।
হামাসের ওপর সামরিক চাপ বাড়ানোর দিকে ইঙ্গিত করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ চাপের ফল কী হতে পারে, তা অনুমান করেই আমি আলোচনাকারী দলকে দর কষাকষির নির্দেশনা দিচ্ছি। এ ছাড়া আমাদের হাতে অন্য কোনো উপায় নেই।’
সামরিক চাপ বৃদ্ধির চিত্র দেখা গেছে গাজায়। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত থেকে আজ রোববার পর্যন্ত ইসরায়েলি বোমা হামলায় প্রায় ৪০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ফিলিস্তিনের রেড ক্রিসেন্টের তথ্য মতে, চতুর্থ দিনের মতো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে গাজা। এতে আহতদের সেবা দেওয়ার কাজও কঠিন হয়ে পড়েছে। সামাজিক প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ফিলিস্তিনের রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর এবারই দীর্ঘতম সময়ের জন্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গাজা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ রোববার মন্ত্রিপরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে উপস্থিত হয়ে হামাসের হামলায় নিহত ইসরায়েলিদের আত্মীয়স্বজনের চিঠি পড়ে শুনিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। চিঠি উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘আপনার লড়াই করার আদেশ আছে। মাঝখানে লড়াই থামিয়ে দেওয়ার আদেশ নেই।’ চিঠির এই কথাগুলোর জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করব।’
অন্যদিকে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস বলেছে যে, ইসরায়েল যত দিন গাজায় যুদ্ধ না থামাবে, তত দিন তারা আর কোনো জিম্মিকে মুক্তি দেবে না।
দুই পক্ষ থেকেই সমঝোতার কোনো লক্ষণ না থাকায় গাজায় সহিংসতা তীব্রতর হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিচালকের বরাত দিয়ে হামাস আকসা রেডিও জানিয়েছে, উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরে শেহাব পরিবারের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ জন নিহত এবং কয়েক ডজন বেসামরিক আহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনের একজন চিকিৎসক রয়টার্সকে বলেছেন, ‘জাবালিয়ায় সারা রাত ধরে ট্যাংক এবং বিমান থেকে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই এখানে নৃশংস যুদ্ধ চলছে। রাস্তায় মানুষ মারা যাচ্ছে কিন্তু আমরা তাদের কাছে যেতে পারছি না। আমাদের ধারণা, ধ্বংসস্তূপের নিচে মৃত মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি কিন্তু ইসরায়েলি বোমার তীব্রতার কারণে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে কাউকে উদ্ধারের কোনো উপায় দেখছি না।’
মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর চিকিৎসকেরা বলেছেন যে, ইসরায়েলি হামলায় ১২ ফিলিস্তিনি নিহত এবং কয়েক ডজন আহত হয়েছে। আর দক্ষিণ রাফাহতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছে।
বরাবরের মতোই সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার কথা বলেছে ইসরায়েল। গত শনিবার বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, গাজার যুদ্ধের সঙ্গে ইসরায়েলের অস্তিত্ব জড়িত। গাজাকে সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত করে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জয়লাভ পর্যন্ত ইসরায়েল যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজায় ৭০ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এর মাঝে অল্প কিছু দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি ছিল। যুদ্ধবিরতির আগে ও পরে অঞ্চলটিতে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় প্রায় ১৯ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৮ হাজারই শিশু। নিহতের তালিকায় শিশুর পরপরই সবচেয়ে বেশি নারী।

১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
৩৪ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
১ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সরাসরি সশস্ত্র আগ্রাসনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে মাদুরোকে অপহরণ করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর...
৩ ঘণ্টা আগে
নজিরবিহীন সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে স্ত্রীসহ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে নেওয়ার পর তাকে মাদক ও অস্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। আজ শনিবার নিউইয়র্কের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয় বলে জানান মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি।
৩ ঘণ্টা আগে