
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়ার বাসভবনে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে এ দাবি করেছে।
গাজা সিটির পশ্চিমে শাতি শরণার্থী শিবিরের কাছে ইসমাইল হানিয়ার বাসভবন বোমা হামলায় বিধ্বস্ত করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ। তিনি অবশ্য গাজায় থাকেন না। বেশ কয়েক বছর ধরেই কাতারে বাস করছেন ইসমাইল হানিয়া।
আইডিএফ বিবৃতিতে বলেছে, গতকাল বুধবার রাতে হামাসের শীর্ষ নেতা ও রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়ার গাজার বাসভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়িটি সন্ত্রাসীদের অবকাঠামো এবং অনেক ক্ষেত্রেই হামাসের সিনিয়র নেতাদের বৈঠকের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
ইসমাইল হানিয়ার বাসভবনে বিমানবাহিনীর বোমা হামলার ফুটেজ প্রকাশ করেছে আইডিএফ। তবে তাদের দাবির ব্যাপারে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি হামাস।
গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া বর্বর ইসরায়েলি হামলায় গাজা ও পশ্চিম তীরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৫১৭। আহত হয়েছে আরও অন্তত ৩২ হাজার। নিহতদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই শিশু।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে কেবল গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছে ১১ হাজার ৩২০ জন। এর মধ্যে আবার শিশুর সংখ্যাই ৪ হাজার ৬৫০। নিহতদের তালিকায় নারী ৩ হাজার ১৪৫ জন এবং বয়স্ক নাগরিক ৬৮৫ জন। এ ছাড়া এই অঞ্চলে আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৯ হাজার। হতাহতদের মধ্যে বাকিরা পশ্চিম তীরের।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের বাইরেও এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৬০০ ফিলিস্তিনি নিখোঁজ কিংবা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদেরও প্রায় অর্ধেক শিশু। সংখ্যার বিচারে অন্তত ১ হাজার ৭৫০ জন শিশু এখনো নিখোঁজ অথবা ধ্বংসস্তূপের নিচে।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়ার বাসভবনে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে এ দাবি করেছে।
গাজা সিটির পশ্চিমে শাতি শরণার্থী শিবিরের কাছে ইসমাইল হানিয়ার বাসভবন বোমা হামলায় বিধ্বস্ত করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ। তিনি অবশ্য গাজায় থাকেন না। বেশ কয়েক বছর ধরেই কাতারে বাস করছেন ইসমাইল হানিয়া।
আইডিএফ বিবৃতিতে বলেছে, গতকাল বুধবার রাতে হামাসের শীর্ষ নেতা ও রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়ার গাজার বাসভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়িটি সন্ত্রাসীদের অবকাঠামো এবং অনেক ক্ষেত্রেই হামাসের সিনিয়র নেতাদের বৈঠকের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
ইসমাইল হানিয়ার বাসভবনে বিমানবাহিনীর বোমা হামলার ফুটেজ প্রকাশ করেছে আইডিএফ। তবে তাদের দাবির ব্যাপারে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি হামাস।
গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া বর্বর ইসরায়েলি হামলায় গাজা ও পশ্চিম তীরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৫১৭। আহত হয়েছে আরও অন্তত ৩২ হাজার। নিহতদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই শিশু।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে কেবল গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছে ১১ হাজার ৩২০ জন। এর মধ্যে আবার শিশুর সংখ্যাই ৪ হাজার ৬৫০। নিহতদের তালিকায় নারী ৩ হাজার ১৪৫ জন এবং বয়স্ক নাগরিক ৬৮৫ জন। এ ছাড়া এই অঞ্চলে আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৯ হাজার। হতাহতদের মধ্যে বাকিরা পশ্চিম তীরের।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের বাইরেও এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৬০০ ফিলিস্তিনি নিখোঁজ কিংবা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদেরও প্রায় অর্ধেক শিশু। সংখ্যার বিচারে অন্তত ১ হাজার ৭৫০ জন শিশু এখনো নিখোঁজ অথবা ধ্বংসস্তূপের নিচে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
১০ ঘণ্টা আগে