
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় বর্ধিত ত্রাণ সহায়তার প্রস্তাবে সায় দিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। যাতে দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে থাকা অঞ্চলটিতে প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছানো যায়। তবে অঞ্চলটিতে জরুরি ভিত্তিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্রই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ভেটো দেয়। তার বদলে স্থায়ীভাবে এই সংকটের সমাধান খুঁজে বের করার প্রতি জোর দেয় ওয়াশিংটন। পাশাপাশি জাতিসংঘকে অতিরিক্ত ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া একটি ধারাকেও অপসারণের দাবি তুলেছিল দেশটি।
জাতিসংঘের এই প্রস্তাবে গাজায় মানবিক সরবরাহের প্রবাহ বাড়ানোর কাজে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য অবিলম্বে জাতিসংঘের অধীনে মানবিক সমন্বয়কারী নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। এই প্রস্তাবে ইসরায়েলের নাম উল্লেখ না করে বলা হয়েছে, এই কর্মকাণ্ডে জড়িত সব পক্ষই যেন এই সমন্বয়কারীকে সব ধরনের সহযোগিতা করে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতি ছাড়া এমন ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম গাজায় একটি কার্যকর পদ্ধতি হবে—এই বিষয়ে সন্দিহান জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমি আশা করি, নিরাপত্তা পরিষদের আজকের প্রস্তাব ব্যাপক ত্রাণ সরবরাহের উন্নতিতে সাহায্য করবে। তবে গাজার মানুষের মরিয়া চাহিদা মেটাতে ও তাদের চলমান দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটানোর একমাত্র উপায় হলো মানবিক যুদ্ধবিরতি।’
এর আগে, সাংবাদিকদের বলেন, ‘অনেক লোক মিসরীয় রেড ক্রিসেন্ট, জাতিসংঘ ও আমাদের বিভিন্ন অংশীদারদের তরফ থেকে যাওয়ায় ট্রাকের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে গাজায় মানবিক অভিযানের কার্যকারিতা পরিমাপ করছে। এটা একটি ভুল পদ্ধতি।’ তিনি বলেন, ‘আসল সমস্যা হলো, ইসরায়েল যেভাবে আক্রমণ পরিচালনা করছে তা গাজার অভ্যন্তরে মানবিক সহায়তা বিতরণে ব্যাপক বাধা সৃষ্টি করছে।’
নিরাপত্তা পরিষদে এই প্রস্তাবটি পাশের আগে আরও অন্তত চার দফায় স্থগিত হয়েছিল। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতেও প্রস্তাবটি স্থগিত হয়েছিল। সে সময় বাইডেন প্রশাসনের তরফ থেকে আশা দেওয়া হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাবটি সমর্থন করতে পারে। কিন্তু শেষ অবধি তা হয়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাত উত্থাপিত প্রস্তাবটিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী দুই সদস্য দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে। বাকি সব দেশই এর পক্ষে ভোট দেয়। ভোট দেওয়া বিরত থাকার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড বলেন, ‘ওয়াশিংটন এই প্রস্তাবকে ব্যাপকভাবে সমর্থন করেছে কিন্তু এতে হামাসের হামলার কোনো নিন্দা না থাকায় ভোট দেওয়া বিরত থেকেছে।’

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় বর্ধিত ত্রাণ সহায়তার প্রস্তাবে সায় দিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। যাতে দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে থাকা অঞ্চলটিতে প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছানো যায়। তবে অঞ্চলটিতে জরুরি ভিত্তিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্রই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ভেটো দেয়। তার বদলে স্থায়ীভাবে এই সংকটের সমাধান খুঁজে বের করার প্রতি জোর দেয় ওয়াশিংটন। পাশাপাশি জাতিসংঘকে অতিরিক্ত ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া একটি ধারাকেও অপসারণের দাবি তুলেছিল দেশটি।
জাতিসংঘের এই প্রস্তাবে গাজায় মানবিক সরবরাহের প্রবাহ বাড়ানোর কাজে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য অবিলম্বে জাতিসংঘের অধীনে মানবিক সমন্বয়কারী নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। এই প্রস্তাবে ইসরায়েলের নাম উল্লেখ না করে বলা হয়েছে, এই কর্মকাণ্ডে জড়িত সব পক্ষই যেন এই সমন্বয়কারীকে সব ধরনের সহযোগিতা করে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতি ছাড়া এমন ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম গাজায় একটি কার্যকর পদ্ধতি হবে—এই বিষয়ে সন্দিহান জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমি আশা করি, নিরাপত্তা পরিষদের আজকের প্রস্তাব ব্যাপক ত্রাণ সরবরাহের উন্নতিতে সাহায্য করবে। তবে গাজার মানুষের মরিয়া চাহিদা মেটাতে ও তাদের চলমান দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটানোর একমাত্র উপায় হলো মানবিক যুদ্ধবিরতি।’
এর আগে, সাংবাদিকদের বলেন, ‘অনেক লোক মিসরীয় রেড ক্রিসেন্ট, জাতিসংঘ ও আমাদের বিভিন্ন অংশীদারদের তরফ থেকে যাওয়ায় ট্রাকের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে গাজায় মানবিক অভিযানের কার্যকারিতা পরিমাপ করছে। এটা একটি ভুল পদ্ধতি।’ তিনি বলেন, ‘আসল সমস্যা হলো, ইসরায়েল যেভাবে আক্রমণ পরিচালনা করছে তা গাজার অভ্যন্তরে মানবিক সহায়তা বিতরণে ব্যাপক বাধা সৃষ্টি করছে।’
নিরাপত্তা পরিষদে এই প্রস্তাবটি পাশের আগে আরও অন্তত চার দফায় স্থগিত হয়েছিল। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতেও প্রস্তাবটি স্থগিত হয়েছিল। সে সময় বাইডেন প্রশাসনের তরফ থেকে আশা দেওয়া হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাবটি সমর্থন করতে পারে। কিন্তু শেষ অবধি তা হয়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাত উত্থাপিত প্রস্তাবটিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী দুই সদস্য দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে। বাকি সব দেশই এর পক্ষে ভোট দেয়। ভোট দেওয়া বিরত থাকার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড বলেন, ‘ওয়াশিংটন এই প্রস্তাবকে ব্যাপকভাবে সমর্থন করেছে কিন্তু এতে হামাসের হামলার কোনো নিন্দা না থাকায় ভোট দেওয়া বিরত থেকেছে।’

ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো শিগগির দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করেছেন। নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে দেওয়া
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান চাপ ও শুল্ক হুমকির মধ্যেও রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ভারত এখনো শক্ত অবস্থানে। সাম্প্রতিক ছয় মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও মোট আমদানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ এখনো রুশ তেল থেকেই আসছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর লাতিন আমেরিকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। এক কড়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘এসে ধরুন আমাকে। আমি এখানেই আপনাদের জন্য
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘ভেনেজুয়েলার নিকোলাস মাদুরোর মতো অপহরণ করতে পারেন কি না’—এমন মন্তব্য করে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা পৃথ্বীরাজ চবন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এই মন্তব্যকে অনেকেই ‘অবাস্তব’, ‘হাস্যকর’ ও ‘দেশের জন্য অপমানজনক’ বলে
৯ ঘণ্টা আগে