আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুর ও মুরিদকের মতো জায়গাগুলো এখন ভারতের কাছে ‘সন্ত্রাসবাদের বিশ্ববিদ্যালয়’। স্থানীয় সময় আজ সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়ে ভীত নয় ভারত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদি ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। এতে তিনি পাকিস্তান ও সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে ভারতের নিরাপত্তার নীতি কী হবে, তা-ও স্পষ্ট করেন। সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার জন্য পাকিস্তানকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। বাহাওয়ালপুর ও মুরিদকের মতো জায়গাগুলোকে ‘সন্ত্রাসবাদের বিশ্ববিদ্যালয়’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
মোদি তাঁর ভাষণে পাকিস্তানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক কোন শর্তে নির্ধারিত হবে, তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইসলামাবাদের কোনো ‘পারমাণবিক ব্ল্যাকমেল’ ভারত বরদাশত করবে না। ২২ মিনিটের ভাষণে মোদি ভারতের নিরাপত্তানীতির ৩ মূল স্তম্ভ ব্যাখ্যা করেন। ‘অপারেশন সিঁদুরের’ পর এই নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে।
মোদি বলেন, ‘প্রথমত, ভারতের ওপর যেকোনো সন্ত্রাসী হামলার কড়া এবং নির্ধারক জবাব দেওয়া হবে। ভারত তার নিজস্ব শর্তে পাল্টা আঘাত হানবে, সন্ত্রাসের উৎসস্থলে লক্ষ্য স্থির করে। দ্বিতীয়ত, ভারত পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকিতে ভীত হবে না। এই অজুহাতে পরিচালিত যেকোনো সন্ত্রাসী ঘাঁটি সুনির্দিষ্ট এবং সিদ্ধান্তমূলক হামলার মুখোমুখি হবে। তৃতীয়ত, ভারত আর সন্ত্রাসী নেতা ও তাদের আশ্রয়দাতা সরকারগুলোকে আলাদা সত্তা হিসেবে দেখবে না।’
মোদি উল্লেখ করেন, অপারেশন সিঁদুরের সময় বিশ্ববাসী আবারও পাকিস্তানের ‘ঝামেলাপূর্ণ বাস্তবতা’ দেখেছে। তিনি বলেন, বিশ্ব দেখেছে, ‘কীভাবে উচ্ছেদ হওয়া সন্ত্রাসীদের জানাজায় পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে অংশ নিয়েছেন। এটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের গভীর জড়িত থাকার প্রমাণ।’
মোদি বলেন, ‘বাহাওয়ালপুর ও মুরিদকে এখন সন্ত্রাসবাদের আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে। এই জায়গাগুলোর সঙ্গে ৯/১১ হামলা, লন্ডন টিউব বোমা হামলা এবং গত দশকে ভারতের মাটিতে ঘটে যাওয়া প্রতিটি হামলার যোগসূত্র রয়েছে।’
নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে পাকিস্তান সরকার, সেনাবাহিনী ও সন্ত্রাসীদের মধ্যকার যোগসাজশ তুলে ধরে বলেন, ‘পাকিস্তানের সঙ্গে ভবিষ্যতে যদি কোনো আলোচনা হয়, তবে তা কেবল সন্ত্রাসবাদ এবং পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর নিয়েই হবে, অন্য কিছু নিয়ে নয়।’
তিনি ভারতের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ‘সন্ত্রাস ও আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। সন্ত্রাস ও বাণিজ্য পাশাপাশি চলতে পারে না এবং রক্ত ও পানি একসঙ্গে প্রবাহিত হতে পারে না।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুর ও মুরিদকের মতো জায়গাগুলো এখন ভারতের কাছে ‘সন্ত্রাসবাদের বিশ্ববিদ্যালয়’। স্থানীয় সময় আজ সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়ে ভীত নয় ভারত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদি ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। এতে তিনি পাকিস্তান ও সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে ভারতের নিরাপত্তার নীতি কী হবে, তা-ও স্পষ্ট করেন। সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার জন্য পাকিস্তানকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। বাহাওয়ালপুর ও মুরিদকের মতো জায়গাগুলোকে ‘সন্ত্রাসবাদের বিশ্ববিদ্যালয়’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
মোদি তাঁর ভাষণে পাকিস্তানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক কোন শর্তে নির্ধারিত হবে, তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইসলামাবাদের কোনো ‘পারমাণবিক ব্ল্যাকমেল’ ভারত বরদাশত করবে না। ২২ মিনিটের ভাষণে মোদি ভারতের নিরাপত্তানীতির ৩ মূল স্তম্ভ ব্যাখ্যা করেন। ‘অপারেশন সিঁদুরের’ পর এই নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে।
মোদি বলেন, ‘প্রথমত, ভারতের ওপর যেকোনো সন্ত্রাসী হামলার কড়া এবং নির্ধারক জবাব দেওয়া হবে। ভারত তার নিজস্ব শর্তে পাল্টা আঘাত হানবে, সন্ত্রাসের উৎসস্থলে লক্ষ্য স্থির করে। দ্বিতীয়ত, ভারত পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকিতে ভীত হবে না। এই অজুহাতে পরিচালিত যেকোনো সন্ত্রাসী ঘাঁটি সুনির্দিষ্ট এবং সিদ্ধান্তমূলক হামলার মুখোমুখি হবে। তৃতীয়ত, ভারত আর সন্ত্রাসী নেতা ও তাদের আশ্রয়দাতা সরকারগুলোকে আলাদা সত্তা হিসেবে দেখবে না।’
মোদি উল্লেখ করেন, অপারেশন সিঁদুরের সময় বিশ্ববাসী আবারও পাকিস্তানের ‘ঝামেলাপূর্ণ বাস্তবতা’ দেখেছে। তিনি বলেন, বিশ্ব দেখেছে, ‘কীভাবে উচ্ছেদ হওয়া সন্ত্রাসীদের জানাজায় পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে অংশ নিয়েছেন। এটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের গভীর জড়িত থাকার প্রমাণ।’
মোদি বলেন, ‘বাহাওয়ালপুর ও মুরিদকে এখন সন্ত্রাসবাদের আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে। এই জায়গাগুলোর সঙ্গে ৯/১১ হামলা, লন্ডন টিউব বোমা হামলা এবং গত দশকে ভারতের মাটিতে ঘটে যাওয়া প্রতিটি হামলার যোগসূত্র রয়েছে।’
নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে পাকিস্তান সরকার, সেনাবাহিনী ও সন্ত্রাসীদের মধ্যকার যোগসাজশ তুলে ধরে বলেন, ‘পাকিস্তানের সঙ্গে ভবিষ্যতে যদি কোনো আলোচনা হয়, তবে তা কেবল সন্ত্রাসবাদ এবং পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর নিয়েই হবে, অন্য কিছু নিয়ে নয়।’
তিনি ভারতের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ‘সন্ত্রাস ও আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। সন্ত্রাস ও বাণিজ্য পাশাপাশি চলতে পারে না এবং রক্ত ও পানি একসঙ্গে প্রবাহিত হতে পারে না।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
১৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২৫ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে