
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক নেতা রিয়াজুল হক স্ত্রীকে একে-৪৭ রাইফেল উপহার দিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। প্রথম বিয়ে বার্ষিকী উপলক্ষে ওই রাইফেলটি স্ত্রীকে দিয়েছিলেন তিনি।
বুধবার ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গত সোমবার রিয়াজুল হক তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের একটি ছবি শেয়ার করেন। ছবিতে দেখা যায়, সাবিনা একটি একে-৪৭ রাইফেল ধরে আছেন।
পরবর্তীতে ওই পোস্টের মধ্য দিয়ে তালেবান শাসনের প্রচারণা চলছে বলে দাবি করেন বিজেপি ও সিপিএম-এর স্থানীয় নেতারা। এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ছবিটি সরিয়ে নেন রিয়াজুল। তিনি দাবি করেন, স্ত্রীর হাতে যে রাইফেলটি ছিল তা সত্যিকারের নয়, এটি একটি খেলনা।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমার স্ত্রীর হাতে একটি খেলনা বন্দুক ছিল সেহেতু অবৈধ কিছু ঘটেনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।’
তৃণমূল নেতা ও রাজ্য সংসদের ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত রিয়াজুল জানান, স্ত্রীর হাতের খেলনাটিকে অনেকে আসল ভাবতে শুরু করায় তিনি ছবিটি সরিয়ে নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রমতে, পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাট শহরের একাংশে তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ছিলেন রিয়াজুল। কয়েক মাস আগেই ওই পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন।
এদিকে রিয়াজুল ওই অস্ত্রটি কোথায় পেয়েছেন তার ব্যাখ্যা দাবি করেছে বিজেপি। বীরভূম জেলার বিজেপি সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, ‘রিয়াজুল কোনো জায়গা থেকে অস্ত্রটি পেয়েছেন সে বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। আমি ফেসবুকে তাঁর পোস্ট দেখেছি। সে তৃণমূলের একজন সাবেক নেতা এবং ডেপুটি স্পিকারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তাঁর এমন পদক্ষেপ কীসের বার্তা দেয়? এটা কে তালেবান শাসনের কোনো প্রচারণা? তাঁরা কে পরবর্তী প্রজন্মকে জিহাদি হওয়ার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে?’
বিষয়টি নিয়ে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকেও খোঁচা দিয়েছেন বীরভূমের সিপিএম নেতা সঞ্জীব মল্লিক।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক নেতা রিয়াজুল হক স্ত্রীকে একে-৪৭ রাইফেল উপহার দিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। প্রথম বিয়ে বার্ষিকী উপলক্ষে ওই রাইফেলটি স্ত্রীকে দিয়েছিলেন তিনি।
বুধবার ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গত সোমবার রিয়াজুল হক তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের একটি ছবি শেয়ার করেন। ছবিতে দেখা যায়, সাবিনা একটি একে-৪৭ রাইফেল ধরে আছেন।
পরবর্তীতে ওই পোস্টের মধ্য দিয়ে তালেবান শাসনের প্রচারণা চলছে বলে দাবি করেন বিজেপি ও সিপিএম-এর স্থানীয় নেতারা। এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ছবিটি সরিয়ে নেন রিয়াজুল। তিনি দাবি করেন, স্ত্রীর হাতে যে রাইফেলটি ছিল তা সত্যিকারের নয়, এটি একটি খেলনা।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমার স্ত্রীর হাতে একটি খেলনা বন্দুক ছিল সেহেতু অবৈধ কিছু ঘটেনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।’
তৃণমূল নেতা ও রাজ্য সংসদের ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত রিয়াজুল জানান, স্ত্রীর হাতের খেলনাটিকে অনেকে আসল ভাবতে শুরু করায় তিনি ছবিটি সরিয়ে নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রমতে, পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাট শহরের একাংশে তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ছিলেন রিয়াজুল। কয়েক মাস আগেই ওই পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন।
এদিকে রিয়াজুল ওই অস্ত্রটি কোথায় পেয়েছেন তার ব্যাখ্যা দাবি করেছে বিজেপি। বীরভূম জেলার বিজেপি সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, ‘রিয়াজুল কোনো জায়গা থেকে অস্ত্রটি পেয়েছেন সে বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। আমি ফেসবুকে তাঁর পোস্ট দেখেছি। সে তৃণমূলের একজন সাবেক নেতা এবং ডেপুটি স্পিকারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তাঁর এমন পদক্ষেপ কীসের বার্তা দেয়? এটা কে তালেবান শাসনের কোনো প্রচারণা? তাঁরা কে পরবর্তী প্রজন্মকে জিহাদি হওয়ার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে?’
বিষয়টি নিয়ে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকেও খোঁচা দিয়েছেন বীরভূমের সিপিএম নেতা সঞ্জীব মল্লিক।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে