
ভারতের প্রাচীন রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন জমে উঠেছে। গান্ধী পরিবারের অত্যন্ত বিশ্বস্ত নেতা রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকেই সম্ভাব্য সভাপতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন কংগ্রেসের আরেক প্রবীণ নেতা শশী থারুর। তবে এ দুই নেতার বাইরেও আজ নতুন করে কংগ্রেসের সর্বোচ্চ পদ নিয়ে নতুন টুইস্ট হাজির করেছেন দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনিও তো লড়তে পারেন দলের প্রেসিডেন্ট পদে।
কংগ্রেসের বর্তমান প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই শশীর দলীয় প্রেসিডেন্টের পদে লড়ার বিষয়টি অনেকটা নিশ্চিত। কিন্তু দলীয় প্রধানের পদে লড়ার বিষয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে অশোক গেহলটকে। কারণ আর কিছুই নয়, কংগ্রেসের নতুন নিয়ম। নিয়মানুসারে কোনো ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় ও রাষ্ট্রীয় পদে থাকতে পারবেন না।
তাই দলীয় প্রধান দলে অশোক গেহলটকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হবে। আর সে ক্ষেত্রে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন তাঁর ঘোরতর বিরোধী কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট। তাই কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে তাঁকে এক নয় দুই ফ্রন্টে লড়তে হবে। শশী থারুর তো বটেই, শচীন পাইলটও এখন তাঁর মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর, গতকাল মঙ্গলবার রাতে রাজস্থানের বিধায়কদের এক বৈঠকে গেহলট বলে দিয়েছেন, তিনি কংগ্রেস সভাপতি পদে লড়ার জন্য মনোনয়নপত্র পেশ করবেন। তিনি দূরে যাচ্ছেন না। দিল্লি তাঁকে যেতে হতেই পারে, তার মানে এই নয় যে তিনি রাজস্থান ছেড়ে দেবেন। তিনি বলেন, ‘আমি কোথাও যাচ্ছি না। চিন্তার কোনো কারণ নেই।’ সর্বশেষ গেহলট জানিয়েছেন, প্রয়োজনে এক কেন, তিন পদের দায়িত্ব সামলাতেও প্রস্তুত তিনি।
গেহলট গতকাল সন্ধ্যায় সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন। এরপর যান রাহুলের কাছে, যেখানে পদযাত্রা করছেন তিনি। গেহলট রাহুলকে শেষবারের মতো দলের সভাপতি হওয়ার জন্য অনুরোধ করার কথা। মুখ্যমন্ত্রীর বিষয়টি নিয়েও কথা বলবেন। শচীন ইতিমধ্যে রাহুলের সঙ্গে পদযাত্রায় অংশ নিয়েছেন। এবার তিনিও সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করবেন। শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা জানার জন্য অবশ্য আগামী অক্টোবর অবধি অপেক্ষা করতে হবে।

ভারতের প্রাচীন রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন জমে উঠেছে। গান্ধী পরিবারের অত্যন্ত বিশ্বস্ত নেতা রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকেই সম্ভাব্য সভাপতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন কংগ্রেসের আরেক প্রবীণ নেতা শশী থারুর। তবে এ দুই নেতার বাইরেও আজ নতুন করে কংগ্রেসের সর্বোচ্চ পদ নিয়ে নতুন টুইস্ট হাজির করেছেন দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনিও তো লড়তে পারেন দলের প্রেসিডেন্ট পদে।
কংগ্রেসের বর্তমান প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই শশীর দলীয় প্রেসিডেন্টের পদে লড়ার বিষয়টি অনেকটা নিশ্চিত। কিন্তু দলীয় প্রধানের পদে লড়ার বিষয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে অশোক গেহলটকে। কারণ আর কিছুই নয়, কংগ্রেসের নতুন নিয়ম। নিয়মানুসারে কোনো ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় ও রাষ্ট্রীয় পদে থাকতে পারবেন না।
তাই দলীয় প্রধান দলে অশোক গেহলটকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হবে। আর সে ক্ষেত্রে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন তাঁর ঘোরতর বিরোধী কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট। তাই কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে তাঁকে এক নয় দুই ফ্রন্টে লড়তে হবে। শশী থারুর তো বটেই, শচীন পাইলটও এখন তাঁর মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর, গতকাল মঙ্গলবার রাতে রাজস্থানের বিধায়কদের এক বৈঠকে গেহলট বলে দিয়েছেন, তিনি কংগ্রেস সভাপতি পদে লড়ার জন্য মনোনয়নপত্র পেশ করবেন। তিনি দূরে যাচ্ছেন না। দিল্লি তাঁকে যেতে হতেই পারে, তার মানে এই নয় যে তিনি রাজস্থান ছেড়ে দেবেন। তিনি বলেন, ‘আমি কোথাও যাচ্ছি না। চিন্তার কোনো কারণ নেই।’ সর্বশেষ গেহলট জানিয়েছেন, প্রয়োজনে এক কেন, তিন পদের দায়িত্ব সামলাতেও প্রস্তুত তিনি।
গেহলট গতকাল সন্ধ্যায় সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন। এরপর যান রাহুলের কাছে, যেখানে পদযাত্রা করছেন তিনি। গেহলট রাহুলকে শেষবারের মতো দলের সভাপতি হওয়ার জন্য অনুরোধ করার কথা। মুখ্যমন্ত্রীর বিষয়টি নিয়েও কথা বলবেন। শচীন ইতিমধ্যে রাহুলের সঙ্গে পদযাত্রায় অংশ নিয়েছেন। এবার তিনিও সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করবেন। শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা জানার জন্য অবশ্য আগামী অক্টোবর অবধি অপেক্ষা করতে হবে।

ইরানে বিক্ষোভ আরও বড় আকার ধারণ করছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় বাড়ছে হতাহতের ঘটনা। এ পর্যন্ত ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলা থেকে গ্রেপ্তারের পর নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এক ভয়ংকর কারাগারে নেওয়া হয়েছে। শিগগির তাঁর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিচার শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। এদিকে মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি শপ
৭ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর পরিবারকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবার নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য প্রকাশিত অভিযোগপত্রে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো, তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস এবং ছেলে নিকোলাস এরনেস্তো মাদুরো গেরার বিরুদ্ধে মাদক পাচার, নার্কো-সন্ত্রাসবাদ এবং
৮ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে আটক করার পর দেশটি বর্তমানে কে পরিচালনা করছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। রোববার (৪ জানুয়ারি) এনবিসির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেস’-এ অংশ নিয়ে তিনি এই প্রশ্ন
১০ ঘণ্টা আগে