
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে অবস্থিত শিখ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র স্থান গুরুদুয়ারা দরবার সাহিব কর্তারপুর। চিরবৈরী দুই প্রতিবেশী ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঐক্যের এক নিদর্শন। ভারত-পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ভারতীয় শিখরা বিনা ভিসায় পাকিস্তানের এই এলাকায় ভ্রমণ করতে পারেন।
সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তান সরকার পাকিস্তানে অবস্থিত গুরুদুয়ারা দরবার সাহিব কর্তারপুরে ভারতীয় শিখদের প্রবেশ নিশ্চিত করতে কয়েক বছর আগে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি আরও পাঁচ বছরের জন্য নবায়ন করতে সম্মত হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণম জয়শঙ্কর সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য পাকিস্তান সফর করার কয়েক দিন পর এ সিদ্ধান্ত এল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ও ভারত কর্তারপুর গুরুদুয়ারায় ভারতীয় শিখদের প্রবেশ করতে দেওয়ার চুক্তি আগামী পাঁচ বছরের জন্য বাড়িয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক তীর্থযাত্রীকে ২০ ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৭০০ রুপি ফি দিতে হবে।
গুরুদুয়ারা দারবার সাহিব কর্তারপুর, যা কর্তারপুর সাহিব নামেও পরিচিত—শিখদের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান। শিখ ধর্মগুরু নানক তাঁর জীবনের শেষ ১৮ বছর এখানে ধর্মপ্রচার করেছেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় কর্তারপুর সাহিব পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের পাকিস্তানের শাকগড় তহসিলে পড়ে। কিন্তু উপমহাদেশের শিখদের ৯৫ শতাংশই ভারতে বসবাস করেন। এ কারণে তাঁরা সব সময়ই কর্তারপুর সাহিবে যাওয়ার সুযোগের দাবি জানিয়েছেন।
সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে, ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ভারতীয় শিখরা যাতে কর্তারপুর সাহিবে যেতে পারেন, সে জন্য ভারত-পাকিস্তান কর্তারপুর সাহিব করিডর নিয়ে এক চুক্তিতে সই করে। এটি প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়। এখন এটি আবার পাঁচ বছরের জন্য নবায়ন করা হলো।
এ বিষয়ে ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে কর্তারপুর সাহিব করিডরের চুক্তির মেয়াদ আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানোর বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। এই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর ফলে পাকিস্তানের পবিত্র গুরুদুয়ারায় ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে।’
ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ বিষয়ে শেয়ার করা এক পোস্ট লিখেছেন, ‘ভারত ও পাকিস্তান পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য কর্তারপুর সাহিব করিডরের চুক্তি নবায়ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার আমাদের শিখ সম্প্রদায়ের পবিত্র স্থানে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।’
সম্প্রতি সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে যোগ দিতে ২৪ ঘণ্টার সফরে পাকিস্তান গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তবে এই সফরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেননি। এমনকি কোনো সরকারি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দেখা করেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জয়শঙ্করকে এসসিও সম্মেলনের প্রতিনিধিদের জন্য আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় আমন্ত্রণ জানান। সেই ভোজসভায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সময় আলাপ করেছিলেন জয়শঙ্কর। তবে কোনো সরকারি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়নি এ সময়।
সিদ্ধান্ত অনুসারে, পাকিস্তান কর্তারপুর সাহিবে যাওয়ার জন্য তীর্থযাত্রীদের প্রতি ২০ ডলার ফি ধার্য করেছে। ভারতীয়রা ভারত সরকারের প্রতি এই ফি মওকুফের জন্য ইসলামাবাদকে চাপ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। তবে এ ব্যাপারে কোনো অগ্রগতি অর্জিত হয়নি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘তীর্থযাত্রীদের জন্য পাকিস্তান আরোপিত ২০ ডলার সার্ভিস চার্জ বাদ দেওয়ার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে, ভারত পাকিস্তানের কাছে এই বিষয়টি অনুরোধ করেছে যে, দেশটি যেন তীর্থযাত্রীদের ওপর কোনো ফি বা চার্জ আরোপ না করে।’

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে অবস্থিত শিখ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র স্থান গুরুদুয়ারা দরবার সাহিব কর্তারপুর। চিরবৈরী দুই প্রতিবেশী ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঐক্যের এক নিদর্শন। ভারত-পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ভারতীয় শিখরা বিনা ভিসায় পাকিস্তানের এই এলাকায় ভ্রমণ করতে পারেন।
সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তান সরকার পাকিস্তানে অবস্থিত গুরুদুয়ারা দরবার সাহিব কর্তারপুরে ভারতীয় শিখদের প্রবেশ নিশ্চিত করতে কয়েক বছর আগে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি আরও পাঁচ বছরের জন্য নবায়ন করতে সম্মত হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণম জয়শঙ্কর সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য পাকিস্তান সফর করার কয়েক দিন পর এ সিদ্ধান্ত এল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ও ভারত কর্তারপুর গুরুদুয়ারায় ভারতীয় শিখদের প্রবেশ করতে দেওয়ার চুক্তি আগামী পাঁচ বছরের জন্য বাড়িয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক তীর্থযাত্রীকে ২০ ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৭০০ রুপি ফি দিতে হবে।
গুরুদুয়ারা দারবার সাহিব কর্তারপুর, যা কর্তারপুর সাহিব নামেও পরিচিত—শিখদের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান। শিখ ধর্মগুরু নানক তাঁর জীবনের শেষ ১৮ বছর এখানে ধর্মপ্রচার করেছেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় কর্তারপুর সাহিব পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের পাকিস্তানের শাকগড় তহসিলে পড়ে। কিন্তু উপমহাদেশের শিখদের ৯৫ শতাংশই ভারতে বসবাস করেন। এ কারণে তাঁরা সব সময়ই কর্তারপুর সাহিবে যাওয়ার সুযোগের দাবি জানিয়েছেন।
সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে, ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ভারতীয় শিখরা যাতে কর্তারপুর সাহিবে যেতে পারেন, সে জন্য ভারত-পাকিস্তান কর্তারপুর সাহিব করিডর নিয়ে এক চুক্তিতে সই করে। এটি প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়। এখন এটি আবার পাঁচ বছরের জন্য নবায়ন করা হলো।
এ বিষয়ে ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে কর্তারপুর সাহিব করিডরের চুক্তির মেয়াদ আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানোর বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। এই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর ফলে পাকিস্তানের পবিত্র গুরুদুয়ারায় ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে।’
ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ বিষয়ে শেয়ার করা এক পোস্ট লিখেছেন, ‘ভারত ও পাকিস্তান পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য কর্তারপুর সাহিব করিডরের চুক্তি নবায়ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার আমাদের শিখ সম্প্রদায়ের পবিত্র স্থানে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।’
সম্প্রতি সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে যোগ দিতে ২৪ ঘণ্টার সফরে পাকিস্তান গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তবে এই সফরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেননি। এমনকি কোনো সরকারি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দেখা করেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জয়শঙ্করকে এসসিও সম্মেলনের প্রতিনিধিদের জন্য আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় আমন্ত্রণ জানান। সেই ভোজসভায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সময় আলাপ করেছিলেন জয়শঙ্কর। তবে কোনো সরকারি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়নি এ সময়।
সিদ্ধান্ত অনুসারে, পাকিস্তান কর্তারপুর সাহিবে যাওয়ার জন্য তীর্থযাত্রীদের প্রতি ২০ ডলার ফি ধার্য করেছে। ভারতীয়রা ভারত সরকারের প্রতি এই ফি মওকুফের জন্য ইসলামাবাদকে চাপ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। তবে এ ব্যাপারে কোনো অগ্রগতি অর্জিত হয়নি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘তীর্থযাত্রীদের জন্য পাকিস্তান আরোপিত ২০ ডলার সার্ভিস চার্জ বাদ দেওয়ার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে, ভারত পাকিস্তানের কাছে এই বিষয়টি অনুরোধ করেছে যে, দেশটি যেন তীর্থযাত্রীদের ওপর কোনো ফি বা চার্জ আরোপ না করে।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
১২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২৪ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে