
উত্তর প্রদেশের হাতরাশে একটি আশ্রমে পদদলিত হয়ে ১২১ জন মারা যাওয়ার ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভোলে বাবা বা নারায়ণ সকার হরি ওরফে সুরাজ পাল। এই ব্যক্তি অতীতে নিজেকে ‘অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন’ বলে দাবি করেছেন। এমনকি তিনি মৃতদের জীবিত করারও দাবি করেছিলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ভোলে বাবা ২০০০ সালে একবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মৃতকে জীবিত করার চেষ্টার অভিযোগে। সে সময় তিনি ১৬ বছরের এক মৃত কিশোরীর মরদেহ তার পরিবারের কাছ থেকে জোর করে নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও তিনি কিশোরীটিকে জীবিত করতে পারেননি। এই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছিল। পরে সেই মামলা অবশ্য বন্ধ হয়ে যায়।
নারায়ণ সকার বিশ্ব হরি বা ভোলে বাবাকে তাঁর ভক্তরা একজন নিরাময়কারী, অলৌকিক শক্তির অধিকারী, দুষ্ট আত্মা থেকে মুক্তিদানকারী ধর্মগুরু হিসেবে মনে করে। ভক্তরা তাঁকে তাদের ইচ্ছাপূরণকারী হিসেবেও বিবেচনা করে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ভোলে বাবার অনুসারীদের প্রায় সবাই দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ, যাদের মধ্যে শিক্ষার হার খুবই অল্প।
ভোলে বাবার বিষয়ে তাঁর ভক্ত ঊর্মিলা দেবী ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, ‘বাবা (ভক্তদের কাছ থেকে) কিছু নেন না বা চান না। তাঁর সৎসঙ্গে তিনি আমাদের বলতেন মিথ্যা না বলতে এবং মাংস, মাছ, ডিম ও অ্যালকোহল সেবন না করতে।’ আরও মজার ব্যাপার হলো, ভক্তদের দাবি, মঙ্গলবার হাতরাশে যে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল, সে বিষয়ে ভোলে বাবা আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন।
এ বিষয়ে ঊর্মিলার বোন তারামতি বলেন, ‘সৎসঙ্গ অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগেই ভোলে বাবা বলেছিলেন, “আজ প্রলয় আসবে” এবং এরপর ঠিকই প্রলয় চলে এসেছে।’ তারামতি মূলত হাতরাশে পদদলিত হয়ে ১২১ জনের মৃত্যুর ঘটনাকে ইঙ্গিত করে এ কথা বলেন।
এ ছাড়া, ভোলে বাবার ভক্তদের মধ্যে বিশ্বাস ছিল যে তাঁর পদধূলি নিয়ে তা গায়ে মাখলেই মানুষের সব ধরনের অসুস্থতা দূর হয়ে যাবে। এ বিষয়ে ভোলে বাবার ভক্ত ও অটোরিকশাচালক বিবেক ঠাকুর বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে, আপনি যদি তাঁর (ভোলে বাবার) পায়ের ধুলো আপনার গায়ে এবং কপালে মাখান তাহলে আপনার সব অসুস্থতা দূর হয়ে যাবে।’ এদিকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সৎসঙ্গ অনুষ্ঠান শেষে ভোলে বাবার প্রস্থানের সময় তাঁর পায়ের ধূলি নিতে গিয়ে ভক্তদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। আর এতেই পদদলনের ঘটনা ত্বরান্বিত হয়।
হাতরাশের সোখানা গ্রামের বাসিন্দারা বলেন যে ‘ভোলে বাবা’ জাদুবিদ্যার চর্চা করতেন। তবে এসব চর্চার বেশির ভাগই হতো অল্পবয়সী মেয়েদের ওপর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রামবাসী দাবি করেছেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) সৎসঙ্গে ১০০ জনেরও বেশি লোক গিয়েছিল, যাদের ওপর ভূতের আছর ছিল এবং তিনি তাদের সবাইকে সুস্থ করে তুলেছিলেন।’

উত্তর প্রদেশের হাতরাশে একটি আশ্রমে পদদলিত হয়ে ১২১ জন মারা যাওয়ার ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভোলে বাবা বা নারায়ণ সকার হরি ওরফে সুরাজ পাল। এই ব্যক্তি অতীতে নিজেকে ‘অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন’ বলে দাবি করেছেন। এমনকি তিনি মৃতদের জীবিত করারও দাবি করেছিলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ভোলে বাবা ২০০০ সালে একবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মৃতকে জীবিত করার চেষ্টার অভিযোগে। সে সময় তিনি ১৬ বছরের এক মৃত কিশোরীর মরদেহ তার পরিবারের কাছ থেকে জোর করে নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও তিনি কিশোরীটিকে জীবিত করতে পারেননি। এই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছিল। পরে সেই মামলা অবশ্য বন্ধ হয়ে যায়।
নারায়ণ সকার বিশ্ব হরি বা ভোলে বাবাকে তাঁর ভক্তরা একজন নিরাময়কারী, অলৌকিক শক্তির অধিকারী, দুষ্ট আত্মা থেকে মুক্তিদানকারী ধর্মগুরু হিসেবে মনে করে। ভক্তরা তাঁকে তাদের ইচ্ছাপূরণকারী হিসেবেও বিবেচনা করে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ভোলে বাবার অনুসারীদের প্রায় সবাই দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ, যাদের মধ্যে শিক্ষার হার খুবই অল্প।
ভোলে বাবার বিষয়ে তাঁর ভক্ত ঊর্মিলা দেবী ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, ‘বাবা (ভক্তদের কাছ থেকে) কিছু নেন না বা চান না। তাঁর সৎসঙ্গে তিনি আমাদের বলতেন মিথ্যা না বলতে এবং মাংস, মাছ, ডিম ও অ্যালকোহল সেবন না করতে।’ আরও মজার ব্যাপার হলো, ভক্তদের দাবি, মঙ্গলবার হাতরাশে যে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল, সে বিষয়ে ভোলে বাবা আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন।
এ বিষয়ে ঊর্মিলার বোন তারামতি বলেন, ‘সৎসঙ্গ অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগেই ভোলে বাবা বলেছিলেন, “আজ প্রলয় আসবে” এবং এরপর ঠিকই প্রলয় চলে এসেছে।’ তারামতি মূলত হাতরাশে পদদলিত হয়ে ১২১ জনের মৃত্যুর ঘটনাকে ইঙ্গিত করে এ কথা বলেন।
এ ছাড়া, ভোলে বাবার ভক্তদের মধ্যে বিশ্বাস ছিল যে তাঁর পদধূলি নিয়ে তা গায়ে মাখলেই মানুষের সব ধরনের অসুস্থতা দূর হয়ে যাবে। এ বিষয়ে ভোলে বাবার ভক্ত ও অটোরিকশাচালক বিবেক ঠাকুর বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে, আপনি যদি তাঁর (ভোলে বাবার) পায়ের ধুলো আপনার গায়ে এবং কপালে মাখান তাহলে আপনার সব অসুস্থতা দূর হয়ে যাবে।’ এদিকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সৎসঙ্গ অনুষ্ঠান শেষে ভোলে বাবার প্রস্থানের সময় তাঁর পায়ের ধূলি নিতে গিয়ে ভক্তদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। আর এতেই পদদলনের ঘটনা ত্বরান্বিত হয়।
হাতরাশের সোখানা গ্রামের বাসিন্দারা বলেন যে ‘ভোলে বাবা’ জাদুবিদ্যার চর্চা করতেন। তবে এসব চর্চার বেশির ভাগই হতো অল্পবয়সী মেয়েদের ওপর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রামবাসী দাবি করেছেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) সৎসঙ্গে ১০০ জনেরও বেশি লোক গিয়েছিল, যাদের ওপর ভূতের আছর ছিল এবং তিনি তাদের সবাইকে সুস্থ করে তুলেছিলেন।’

সিরীয় সরকার এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে এসডিএফ তাদের বাহিনীকে ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর পশ্চিম তীরবর্তী এলাকাগুলো থেকে প্রত্যাহার করে নেবে। গতকাল রোববার এই চুক্তি হয়।
১ ঘণ্টা আগে
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুটি উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৩০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
১ ঘণ্টা আগে
মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১০ ঘণ্টা আগে