আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আকস্মিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি। এমনকি বাধ্য হয়ে নিজের এক্স অ্যাকাউন্ট লক করেছেন তিনি!
গতকাল রোববার (১১ মার্চ) সোশ্যাল মিডিয়াতে তোপের মুখে পড়েন তিনি। আজ সোমবার দুপুর ১২ টাও তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টটি লক দেখা গেছে।
এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে, এমনকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করও, কোনো নিন্দা জানাননি বা মিশ্রির সমর্থনে কোনো বিবৃতি দেননি।
‘অপারেশন সিন্দুর’ অভিযানে পাকিস্তানের নয়টি লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পাকিস্তান পাল্টা ‘অপারেশন বুনইয়ানুম মারসৌস’ ঘোষণা করে। টানা চার দিনের উত্তেজনাপূর্ণ সামরিক সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়।
কিন্তু গত শনিবার যুদ্ধবিরতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়াতে পররাষ্ট্রসচিবের এক্স হ্যান্ডলে ঝাঁপিয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। তাঁকে অনেকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে অভিহিত করে। পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের যুদ্ধবিরতির জন্য তাঁকেই দায়ী করা হয়। এমনকি তাঁর পরিবারের পুরোনো পোস্ট খুঁজে বের করে মেয়েকে বিদেশে পড়াশোনা করানো এবং মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্যও মিশ্রির বিরুদ্ধে আক্রমণ করা হয়।
চার দিনের সামরিক সংঘাতের সময় পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে বিক্রম মিশ্রি শনিবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে নেতৃত্ব দেন।
গত ৭ মে ভারত ঘোষণা করে, তারা পাকিস্তান ও পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের নয়টি লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে ‘অপারেশন সিন্দুর’ শুরু করেছে।
ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলাসহ চার দিনের উত্তেজনাপূর্ণ সামরিক সংঘাতের পর, শনিবার সন্ধ্যায় মিশ্রি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।
এর আগে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়্যার’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুদ্ধ চলাকালীন বিজেপি এবং কট্টরপন্থী অ্যাকাউন্টগুলোর অতিরঞ্জিত বক্তব্যের বিপরীতে, বিক্রম মিশ্রি সরকারের পক্ষ থেকে পরিমিত বিবৃতি দিয়েছিলেন। ‘সরকারের সমালোচনা করা গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য’ এমন মন্তব্যও ছিল এক বিবৃতিতে।
বিজেপি তাদের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে দাবি করেছিল, ভারতের হামলায় জইশ-ই-মোহাম্মদের সন্ত্রাসী আবদুল রউফ আজহার নিহত হয়েছে। কিন্তু বিক্রম মিশ্রি বলেছিলেন, ‘এই মুহূর্তে এমন কোনো তথ্য নেই’।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর, কট্টরপন্থী অ্যাকাউন্টগুলো যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ভারত পিছু হটেছে এবং এর জন্য মিশ্রিই দায়ী বলে অভিযোগ করে।
সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্টগুলোতে স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে মিশ্রির পোস্ট করা একটি পুরোনো ছবি খুঁজে বের করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। মিশ্রিকে ‘পাকিস্তানের কাছে মাথা নিচু করার’ জন্য ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে অভিহিত করে অনেকে।
এই অ্যাকাউন্টগুলো যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়ে ‘ভারতের সামরিক সুবিধা নষ্ট করেছে’ বলেও অভিযোগ তোলে অনেকে। তারা মিশ্রির মেয়েকে বিদেশে পড়তে পাঠানো এবং পাকিস্তানকে ‘প্রণাম করার’ জন্য অপমানজনক কথা বলে।
এমনকি মিশ্রির মেয়েকেও রেহাই দেয়নি এই অ্যাকাউন্টগুলো। বিদেশে মেয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোফাইল খুঁজে বের করে তারা। মিয়ানমারে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গে এক সময় কাজ করেছিলেন মিশ্রি। ওই সময় রোহিঙ্গা মুসলমানদের আইনি সহায়তা দেওয়ারও অভিযোগ তোলা হয় তাঁর বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ভারত বিরোধী দলগুলো। অল ইন্ডিয়া মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বলেন, আমলারা নির্বাহীর অধীনে কাজ করেন। নির্বাহীর বা দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তের জন্য তাঁদের দোষ দেওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, বিক্রম মিশ্রি একজন ভদ্র এবং সৎ পরিশ্রমী কূটনীতিক। তিনি আমাদের দেশের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।
এক বিবৃতিতে, কংগ্রেসের কেরল ইউনিট বলেছে, পেহেলগাম হামলার শিকার লেফটেন্যান্ট বিনয় নারওয়ালের স্ত্রী হিমাংশিকে যেমন ঘৃণা নয়, শান্তির পক্ষে কথা বলার জন্য ট্রল করা হয়েছিল, তেমনই মিশ্রিকেও অপমান করা হচ্ছে। কারণ বিজেপি ‘তাদের নিজস্ব ফ্রাংকেনস্টাইনের সঙ্গে লড়াই করছে’।
পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির মুখপাত্র মোহিত ভান বলেন, মিশ্রিকে আক্রমণ করা প্রমাণ করে যে, ঘৃণাকে ‘জাতীয়তাবাদ বলা আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় মিথ্যা’।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আকস্মিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি। এমনকি বাধ্য হয়ে নিজের এক্স অ্যাকাউন্ট লক করেছেন তিনি!
গতকাল রোববার (১১ মার্চ) সোশ্যাল মিডিয়াতে তোপের মুখে পড়েন তিনি। আজ সোমবার দুপুর ১২ টাও তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টটি লক দেখা গেছে।
এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে, এমনকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করও, কোনো নিন্দা জানাননি বা মিশ্রির সমর্থনে কোনো বিবৃতি দেননি।
‘অপারেশন সিন্দুর’ অভিযানে পাকিস্তানের নয়টি লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পাকিস্তান পাল্টা ‘অপারেশন বুনইয়ানুম মারসৌস’ ঘোষণা করে। টানা চার দিনের উত্তেজনাপূর্ণ সামরিক সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়।
কিন্তু গত শনিবার যুদ্ধবিরতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়াতে পররাষ্ট্রসচিবের এক্স হ্যান্ডলে ঝাঁপিয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। তাঁকে অনেকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে অভিহিত করে। পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের যুদ্ধবিরতির জন্য তাঁকেই দায়ী করা হয়। এমনকি তাঁর পরিবারের পুরোনো পোস্ট খুঁজে বের করে মেয়েকে বিদেশে পড়াশোনা করানো এবং মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্যও মিশ্রির বিরুদ্ধে আক্রমণ করা হয়।
চার দিনের সামরিক সংঘাতের সময় পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে বিক্রম মিশ্রি শনিবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে নেতৃত্ব দেন।
গত ৭ মে ভারত ঘোষণা করে, তারা পাকিস্তান ও পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের নয়টি লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে ‘অপারেশন সিন্দুর’ শুরু করেছে।
ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলাসহ চার দিনের উত্তেজনাপূর্ণ সামরিক সংঘাতের পর, শনিবার সন্ধ্যায় মিশ্রি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।
এর আগে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়্যার’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুদ্ধ চলাকালীন বিজেপি এবং কট্টরপন্থী অ্যাকাউন্টগুলোর অতিরঞ্জিত বক্তব্যের বিপরীতে, বিক্রম মিশ্রি সরকারের পক্ষ থেকে পরিমিত বিবৃতি দিয়েছিলেন। ‘সরকারের সমালোচনা করা গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য’ এমন মন্তব্যও ছিল এক বিবৃতিতে।
বিজেপি তাদের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে দাবি করেছিল, ভারতের হামলায় জইশ-ই-মোহাম্মদের সন্ত্রাসী আবদুল রউফ আজহার নিহত হয়েছে। কিন্তু বিক্রম মিশ্রি বলেছিলেন, ‘এই মুহূর্তে এমন কোনো তথ্য নেই’।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর, কট্টরপন্থী অ্যাকাউন্টগুলো যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ভারত পিছু হটেছে এবং এর জন্য মিশ্রিই দায়ী বলে অভিযোগ করে।
সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্টগুলোতে স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে মিশ্রির পোস্ট করা একটি পুরোনো ছবি খুঁজে বের করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। মিশ্রিকে ‘পাকিস্তানের কাছে মাথা নিচু করার’ জন্য ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে অভিহিত করে অনেকে।
এই অ্যাকাউন্টগুলো যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়ে ‘ভারতের সামরিক সুবিধা নষ্ট করেছে’ বলেও অভিযোগ তোলে অনেকে। তারা মিশ্রির মেয়েকে বিদেশে পড়তে পাঠানো এবং পাকিস্তানকে ‘প্রণাম করার’ জন্য অপমানজনক কথা বলে।
এমনকি মিশ্রির মেয়েকেও রেহাই দেয়নি এই অ্যাকাউন্টগুলো। বিদেশে মেয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোফাইল খুঁজে বের করে তারা। মিয়ানমারে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গে এক সময় কাজ করেছিলেন মিশ্রি। ওই সময় রোহিঙ্গা মুসলমানদের আইনি সহায়তা দেওয়ারও অভিযোগ তোলা হয় তাঁর বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ভারত বিরোধী দলগুলো। অল ইন্ডিয়া মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বলেন, আমলারা নির্বাহীর অধীনে কাজ করেন। নির্বাহীর বা দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তের জন্য তাঁদের দোষ দেওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, বিক্রম মিশ্রি একজন ভদ্র এবং সৎ পরিশ্রমী কূটনীতিক। তিনি আমাদের দেশের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।
এক বিবৃতিতে, কংগ্রেসের কেরল ইউনিট বলেছে, পেহেলগাম হামলার শিকার লেফটেন্যান্ট বিনয় নারওয়ালের স্ত্রী হিমাংশিকে যেমন ঘৃণা নয়, শান্তির পক্ষে কথা বলার জন্য ট্রল করা হয়েছিল, তেমনই মিশ্রিকেও অপমান করা হচ্ছে। কারণ বিজেপি ‘তাদের নিজস্ব ফ্রাংকেনস্টাইনের সঙ্গে লড়াই করছে’।
পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির মুখপাত্র মোহিত ভান বলেন, মিশ্রিকে আক্রমণ করা প্রমাণ করে যে, ঘৃণাকে ‘জাতীয়তাবাদ বলা আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় মিথ্যা’।

ভারতে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে ইরানে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের দ্রুত দেশ ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে ভারত সরকার। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এক জরুরি পরামর্শ জারি করে শিক্ষার্থী, তীর্থযাত্রী, ব্যবসায়ী ও পর্যটকসহ সব ভারতীয় নাগরিককে সম্ভাব্য সব ধরনের
২১ মিনিট আগে
রাজ্যের বিদার জেলার তালামাদাগি সেতুর কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন সঞ্জুকুমার। এ সময় রাস্তার ওপর আড়াআড়িভাবে থাকা টানটান ঘুড়ির সুতায় তাঁর গলা গভীরভাবে কেটে যায় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যাওয়ার পরও তিনি কোনোমতে তাঁর মেয়ের নম্বরে কল করতে সক্ষম হন।
৪২ মিনিট আগে
অ্যাডাম ওয়াটারাস কানাডার তেলশিল্পের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং স্ট্রাথকোনা রিসোর্সেসের নির্বাহী চেয়ারম্যান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কানাডার চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের মধ্যে এবং ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল মার্কিন বাজারে কানাডিয়ান তেলের জায়গা দখল করার
২ ঘণ্টা আগে
থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যাত্রীবাহী ট্রেন দুর্ঘটনায় অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছে। নির্মাণকাজে ব্যবহৃত একটি ক্রেন ট্রেনটির তিনটি বগির ওপর পড়ে গেলে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। এতে প্রায় ৮০ জন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে