
ভারতের ওডিশায় স্থানীয় সামাজিক রীতির বিরুদ্ধে গিয়ে বিয়ে করার শাস্তি হিসেবে এক তরুণ দম্পতিকে গরুর জোয়ালের সঙ্গে বেঁধে হালচাষ করানো হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ওডিশার রায়গাদা জেলার কাঞ্জামাজিরা গ্রামের। ওই গ্রামের এক তরুণ-তরুণী সম্প্রতি প্রেমে পড়ে বিয়ে করেন। তবে গ্রামবাসী তাঁদের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ছিল। কারণ, ছেলেটি মেয়েটির ফুফাতো ভাই। স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের বিবাহকে ‘নিষিদ্ধ’ বলে মনে করা হয়।
এর শাস্তি হিসেবে গ্রামবাসী ওই দম্পতিকে গরুর জোয়ালের সঙ্গে বেঁধে দেয় এবং একটি মাঠজুড়ে সেটিকে টেনে নিয়ে যেতে বাধ্য করে। ভিডিওতে দেখা যায়, যখন দম্পতি জোয়াল টানছেন, তখন দুজন লোক তাঁদের লাঠি দিয়েও মারধর করছে।
জনসমক্ষে এই হেনস্তার পর দম্পতিকে গ্রামের মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের কথিত ‘পাপমোচনের’ জন্য শুদ্ধীকরণ আচার পালন করানো হয়।
#VIDEO | Villagers Object To Marriage, Couple Tied To Yoke Like Oxen, Made To Plough Field pic.twitter.com/KjFr4Q3cKq
— NDTV (@ndtv) July 11, 2025
স্থানীয় পুলিশ সুপার এস স্বাতী কুমার জানিয়েছেন, ঘটনাটি তদন্তের জন্য একটি দল ওই গ্রামে গেছে। দ্রুত মামলা করা হবে।
একই ধরনের আরেকটি ঘটনা এই বছরের জানুয়ারিতে রায়গাদা জেলাতে ঘটেছিল। সেখানে এক নারী ভিন্ন বর্ণের এক পুরুষকে বিয়ে করায় একটি পরিবারের ৪০ জন সদস্যকে ‘শুদ্ধীকরণ’ আচারের অংশ হিসেবে মাথা ন্যাড়া করতে বাধ্য করা হয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৬ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
৮ ঘণ্টা আগে