
এখন পর্যন্ত রাশিয়ার সবচেয়ে বড় অস্ত্রের বাজার ভারত। ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশটিতে অস্ত্র আমদানি ৬২ শতাংশ থেকে নেমে ৪৫ শতাংশ হয়েছে। এরপরও রাশিয়া থেকে এখনো সবচেয়ে বেশি অস্ত্র সরবরাহ হয় ভারতে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিপরি) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে বলে খবর বিবিসির।
ভারতে অস্ত্রের জোগানদাতা হিসেবে রাশিয়ার পরেই ফ্রান্সের অবস্থান। দেশটির ২৯ শতাংশ অস্ত্রের সরবরাহ করে ফ্রান্স। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে মাত্র ১১ শতাংশ অস্ত্র।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত এখনো বিশ্বে অস্ত্র বাজারের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। যদিও দেশটির অস্ত্রের আমদানি ১১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। দিল্লি বর্তমানে বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ত্র কিনতে এবং সেই সঙ্গে দেশীয় উৎপাদনও বাড়াতে চাইছে বলেই মস্কো থেকে আমদানি কমিয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
সিপরির ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে অন্যান্য দেশের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে ভারতে রাশিয়ার অস্ত্র সরবরাহে চাপ পড়েছে। এ ছাড়া ভারত দেশীয় অস্ত্রের উৎপাদন বাড়িয়েছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার অস্ত্র রপ্তানির সক্ষমতা কমে যাওয়া এ ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে।
রাশিয়ার অস্ত্র সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিপরীতে ফ্রান্সের অস্ত্র সরবরাহ বেড়েছে
২০১৩ থেকে ২০১৭ এবং ২০১৮ থেকে ২০২২ এই সময়ে ভারতে ফ্রান্সের অস্ত্র সরবরাহ ৪৮৯ শতাংশ বেড়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়।
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পর বিশ্বে অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে তিন নম্বরে রয়েছে ফ্রান্স। চীন এবং জার্মানির অবস্থান ফ্রান্সের পরে।
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়াকে চাপে ফেলতে নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও এখন পর্যন্ত নিরপেক্ষ অবস্থানে ভারত। এমনকি ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসনের কারণে রাশিয়ার নিন্দা জানাতে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘে যতগুলো প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে তার সবগুলোতেই ভোটদান থেকে বিরত থেকেছে ভারত।

এখন পর্যন্ত রাশিয়ার সবচেয়ে বড় অস্ত্রের বাজার ভারত। ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশটিতে অস্ত্র আমদানি ৬২ শতাংশ থেকে নেমে ৪৫ শতাংশ হয়েছে। এরপরও রাশিয়া থেকে এখনো সবচেয়ে বেশি অস্ত্র সরবরাহ হয় ভারতে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিপরি) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে বলে খবর বিবিসির।
ভারতে অস্ত্রের জোগানদাতা হিসেবে রাশিয়ার পরেই ফ্রান্সের অবস্থান। দেশটির ২৯ শতাংশ অস্ত্রের সরবরাহ করে ফ্রান্স। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে মাত্র ১১ শতাংশ অস্ত্র।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত এখনো বিশ্বে অস্ত্র বাজারের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। যদিও দেশটির অস্ত্রের আমদানি ১১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। দিল্লি বর্তমানে বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ত্র কিনতে এবং সেই সঙ্গে দেশীয় উৎপাদনও বাড়াতে চাইছে বলেই মস্কো থেকে আমদানি কমিয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
সিপরির ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে অন্যান্য দেশের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে ভারতে রাশিয়ার অস্ত্র সরবরাহে চাপ পড়েছে। এ ছাড়া ভারত দেশীয় অস্ত্রের উৎপাদন বাড়িয়েছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার অস্ত্র রপ্তানির সক্ষমতা কমে যাওয়া এ ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে।
রাশিয়ার অস্ত্র সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিপরীতে ফ্রান্সের অস্ত্র সরবরাহ বেড়েছে
২০১৩ থেকে ২০১৭ এবং ২০১৮ থেকে ২০২২ এই সময়ে ভারতে ফ্রান্সের অস্ত্র সরবরাহ ৪৮৯ শতাংশ বেড়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়।
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পর বিশ্বে অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে তিন নম্বরে রয়েছে ফ্রান্স। চীন এবং জার্মানির অবস্থান ফ্রান্সের পরে।
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়াকে চাপে ফেলতে নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও এখন পর্যন্ত নিরপেক্ষ অবস্থানে ভারত। এমনকি ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসনের কারণে রাশিয়ার নিন্দা জানাতে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘে যতগুলো প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে তার সবগুলোতেই ভোটদান থেকে বিরত থেকেছে ভারত।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
৩০ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে