
ভারতের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌতকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। এ অবস্থায় গত সপ্তাহে কঙ্গনার বিরুদ্ধে বিরোধীরা অভিযোগ করে, তিনি অতীতে গরুর মাংস ভক্ষণ করেছিলেন। তবে এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ এবং ‘লজ্জাজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন কঙ্গনা।
এ বিষয়ে আজ সোমবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গরুর মাংস খাওয়ার বিষয়টি ভারতে অত্যন্ত সংবেদনশীল। কারণ, দেশটির বৃহত্তম ধর্মীয় গোষ্ঠী হিন্দু সম্প্রদায় গরুকে পবিত্র বলে মনে করে। এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিজেপির কিছু রাজনীতিবিদ ভারতে গরু জবাই নিষিদ্ধ করার জন্য জোর প্রচারণা চালাচ্ছে।
বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল ও ব্লকবাস্টার সিনেমার অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত একজন পুরস্কার বিজয়ী বলিউড তারকা। গত সপ্তাহেই কংগ্রেস নেতা বিজয় ওয়াদ্দেতিওয়ার দাবি করেন, অতীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি টুইট করে কঙ্গনা জানিয়েছিলেন, তিনি গোমাংস খান এবং খেতে পছন্দ করেন। তবে এই অভিযোগ আমলে নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
এ ধরনের অভিযোগ কঙ্কনার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ, তিনি ভোটের মাঠে লড়াইয়ের লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহেই উত্তর হিমাচল প্রদেশ রাজ্যে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করতে চাইছেন।
গরুর মাংস ভক্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে এক্সে কঙ্গনা লিখেছেন, ‘আমি গরুর মাংস বা অন্য কোনো ধরনের লাল মাংস খাই না। এটি লজ্জাজনক যে আমার সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমি যোগ ও আয়ুর্বেদিক জীবনধারার পক্ষে এবং প্রচার করছি কয়েক দশক ধরে। এখন এই ধরনের কৌশল আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারবে না।’
কঙ্কনা আরও লিখেছেন, ‘আমার লোকেরা আমাকে জানে এবং তারা জানে যে আমি একজন গর্বিত হিন্দু এবং কোনো কিছুই তাদের বিভ্রান্ত করতে পারে না।’
সবার শেষে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান লিখে কঙ্গনা তাঁর লিখিত বক্তব্যটির সমাপ্তি টানেন।
উল্লেখ্য, ভারতে গরুর মাংস ভক্ষণ অত্যন্ত বিতর্কিত একটি বিষয়। বিষয়টিকে ঠেকানোর জন্য সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর প্রায় সময়ই সহিংস হয়ে উঠছে দেশটির তথাকথিত গো-রক্ষক গোষ্ঠীগুলো।
এদিকে স্থানীয়ভাবে এমন প্রতিকূলতার মধ্যেও ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম গরুর মাংস উৎপাদনকারী দেশ। এর আগে ২০১৭ সালে গোহত্যার ওপর দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে বিজেপির একটি প্রচেষ্টা বাতিল করে দিয়েছিল ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। তারপরও বেশ কয়েকটি বিজেপি-শাসিত রাজ্য গরুর মাংস বিক্রি ও ভক্ষণ নিষিদ্ধ করেছে।

ভারতের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌতকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। এ অবস্থায় গত সপ্তাহে কঙ্গনার বিরুদ্ধে বিরোধীরা অভিযোগ করে, তিনি অতীতে গরুর মাংস ভক্ষণ করেছিলেন। তবে এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ এবং ‘লজ্জাজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন কঙ্গনা।
এ বিষয়ে আজ সোমবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গরুর মাংস খাওয়ার বিষয়টি ভারতে অত্যন্ত সংবেদনশীল। কারণ, দেশটির বৃহত্তম ধর্মীয় গোষ্ঠী হিন্দু সম্প্রদায় গরুকে পবিত্র বলে মনে করে। এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিজেপির কিছু রাজনীতিবিদ ভারতে গরু জবাই নিষিদ্ধ করার জন্য জোর প্রচারণা চালাচ্ছে।
বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল ও ব্লকবাস্টার সিনেমার অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত একজন পুরস্কার বিজয়ী বলিউড তারকা। গত সপ্তাহেই কংগ্রেস নেতা বিজয় ওয়াদ্দেতিওয়ার দাবি করেন, অতীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি টুইট করে কঙ্গনা জানিয়েছিলেন, তিনি গোমাংস খান এবং খেতে পছন্দ করেন। তবে এই অভিযোগ আমলে নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
এ ধরনের অভিযোগ কঙ্কনার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ, তিনি ভোটের মাঠে লড়াইয়ের লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহেই উত্তর হিমাচল প্রদেশ রাজ্যে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করতে চাইছেন।
গরুর মাংস ভক্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে এক্সে কঙ্গনা লিখেছেন, ‘আমি গরুর মাংস বা অন্য কোনো ধরনের লাল মাংস খাই না। এটি লজ্জাজনক যে আমার সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমি যোগ ও আয়ুর্বেদিক জীবনধারার পক্ষে এবং প্রচার করছি কয়েক দশক ধরে। এখন এই ধরনের কৌশল আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারবে না।’
কঙ্কনা আরও লিখেছেন, ‘আমার লোকেরা আমাকে জানে এবং তারা জানে যে আমি একজন গর্বিত হিন্দু এবং কোনো কিছুই তাদের বিভ্রান্ত করতে পারে না।’
সবার শেষে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান লিখে কঙ্গনা তাঁর লিখিত বক্তব্যটির সমাপ্তি টানেন।
উল্লেখ্য, ভারতে গরুর মাংস ভক্ষণ অত্যন্ত বিতর্কিত একটি বিষয়। বিষয়টিকে ঠেকানোর জন্য সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর প্রায় সময়ই সহিংস হয়ে উঠছে দেশটির তথাকথিত গো-রক্ষক গোষ্ঠীগুলো।
এদিকে স্থানীয়ভাবে এমন প্রতিকূলতার মধ্যেও ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম গরুর মাংস উৎপাদনকারী দেশ। এর আগে ২০১৭ সালে গোহত্যার ওপর দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে বিজেপির একটি প্রচেষ্টা বাতিল করে দিয়েছিল ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। তারপরও বেশ কয়েকটি বিজেপি-শাসিত রাজ্য গরুর মাংস বিক্রি ও ভক্ষণ নিষিদ্ধ করেছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে