
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসকে নির্বাচনী লাভের জন্য ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। রোববার বিরোধী দল কংগ্রেসের ‘ভারত জড়ো ন্যায় যাত্রা’ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে গিয়ে এমন অভিযোগ করেন খাড়গে। তিনি বলেন, ‘ভোটের জন্য ধোঁকাবাজি করা উচিত নয়।’
টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মণিপুর থেকে শুরু হয়েছে কংগ্রেসের ‘ভারত জড়ো ন্যায় যাত্রা’। এই কর্মসূচির উদ্বোধন করতে গিয়ে খাড়গে অভিযোগ করেন—মোদি ভোটের জন্য মণিপুরে যান, কিন্তু মানুষ যখন সমস্যায় পড়ে তখন যান না।
গত বছরের মে মাস থেকে ভারতের উত্তর-পূর্ব মণিপুর রাজ্যে জাতিগত সহিংসতার সূত্রপাত হয়। এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ১৮০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং গৃহহীন হয়েছে হাজার হাজার মানুষ।
প্রধানমন্ত্রী মোদির কথা ও কাজে কোনো মিল নেই দাবি করে কংগ্রেস সভাপতি তাঁর ভাষণে একটি হিন্দি বাগধারা উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, ‘তাঁকে সমুদ্র উপভোগ করতে দেখা যায়, বসে রাম রাম জপ করতে দেখা যায়। মুখে রাম, বগলে চুরি! এমনটি করবেন না জনগণের সঙ্গে।’
খাড়গে বলেন, ‘প্রত্যেকেরই ঈশ্বরে বিশ্বাস আছে এবং ঈশ্বরকে স্মরণ করে, এতে কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু ভোটের জন্য এটি করবেন না। ভোটের জন্য ধোঁকাবাজি করা উচিত নয়।’
ক্ষমতাসীন বিজেপি ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করা হচ্ছে দাবি করে মোদির উদ্দেশে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘নিজের নীতির জন্য লড়াই করা উচিত। আমরা ধর্মনিরপেক্ষতা, সাম্য, সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করি, সংবিধান বাঁচানোর জন্য, আপনিও একই কাজ করুন। এই (বিজেপি) লোকেরা ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গে মিশিয়ে দেয় এবং মানুষকে উসকে দেয়।’
দেশে একনায়কতান্ত্রিক মনোভাব বিরাজ করছে এবং বিজেপি গণতন্ত্রকে শেষ করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন খাড়গে।
উল্লেখ্য, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ‘ভারত জড়ো ন্যায় যাত্রা’ শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মণিপুর থেকে মহারাষ্ট্র পর্যন্ত ৬ হাজার ৭১৩ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা। বেশির ভাগ পথই তারা বাসে অতিক্রম করবে এবং পথিমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় সমাবেশ করবে। আগামী ২০ কিংবা ২১ মার্চ কর্মসূচিটি মুম্বাইয়ে গিয়ে শেষ হওয়ার আগে মোট ১১০টি জেলা পাড়ি দেবে এবং ১০০টি সমাবেশ করবে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসকে নির্বাচনী লাভের জন্য ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। রোববার বিরোধী দল কংগ্রেসের ‘ভারত জড়ো ন্যায় যাত্রা’ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে গিয়ে এমন অভিযোগ করেন খাড়গে। তিনি বলেন, ‘ভোটের জন্য ধোঁকাবাজি করা উচিত নয়।’
টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মণিপুর থেকে শুরু হয়েছে কংগ্রেসের ‘ভারত জড়ো ন্যায় যাত্রা’। এই কর্মসূচির উদ্বোধন করতে গিয়ে খাড়গে অভিযোগ করেন—মোদি ভোটের জন্য মণিপুরে যান, কিন্তু মানুষ যখন সমস্যায় পড়ে তখন যান না।
গত বছরের মে মাস থেকে ভারতের উত্তর-পূর্ব মণিপুর রাজ্যে জাতিগত সহিংসতার সূত্রপাত হয়। এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ১৮০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং গৃহহীন হয়েছে হাজার হাজার মানুষ।
প্রধানমন্ত্রী মোদির কথা ও কাজে কোনো মিল নেই দাবি করে কংগ্রেস সভাপতি তাঁর ভাষণে একটি হিন্দি বাগধারা উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, ‘তাঁকে সমুদ্র উপভোগ করতে দেখা যায়, বসে রাম রাম জপ করতে দেখা যায়। মুখে রাম, বগলে চুরি! এমনটি করবেন না জনগণের সঙ্গে।’
খাড়গে বলেন, ‘প্রত্যেকেরই ঈশ্বরে বিশ্বাস আছে এবং ঈশ্বরকে স্মরণ করে, এতে কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু ভোটের জন্য এটি করবেন না। ভোটের জন্য ধোঁকাবাজি করা উচিত নয়।’
ক্ষমতাসীন বিজেপি ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করা হচ্ছে দাবি করে মোদির উদ্দেশে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘নিজের নীতির জন্য লড়াই করা উচিত। আমরা ধর্মনিরপেক্ষতা, সাম্য, সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করি, সংবিধান বাঁচানোর জন্য, আপনিও একই কাজ করুন। এই (বিজেপি) লোকেরা ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গে মিশিয়ে দেয় এবং মানুষকে উসকে দেয়।’
দেশে একনায়কতান্ত্রিক মনোভাব বিরাজ করছে এবং বিজেপি গণতন্ত্রকে শেষ করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন খাড়গে।
উল্লেখ্য, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ‘ভারত জড়ো ন্যায় যাত্রা’ শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মণিপুর থেকে মহারাষ্ট্র পর্যন্ত ৬ হাজার ৭১৩ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা। বেশির ভাগ পথই তারা বাসে অতিক্রম করবে এবং পথিমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় সমাবেশ করবে। আগামী ২০ কিংবা ২১ মার্চ কর্মসূচিটি মুম্বাইয়ে গিয়ে শেষ হওয়ার আগে মোট ১১০টি জেলা পাড়ি দেবে এবং ১০০টি সমাবেশ করবে।

১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
২৬ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
৪২ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সরাসরি সশস্ত্র আগ্রাসনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে মাদুরোকে অপহরণ করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর...
৩ ঘণ্টা আগে
নজিরবিহীন সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে স্ত্রীসহ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে নেওয়ার পর তাকে মাদক ও অস্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। আজ শনিবার নিউইয়র্কের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয় বলে জানান মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি।
৩ ঘণ্টা আগে