ইন্ডিয়া টুডের জরিপ

জাতীয় নানা ইস্যু নিয়ে নিয়মিত নাগরিকদের মধ্যে মতামত জরিপ চালায় ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে। এসব ইস্যুর মধ্যে থাকে, রাজনীতি, অর্থনীতি, কূটনীতি, বৈদেশিক নীতি ইত্যাদি।
চলতি ফেব্রুয়ারি ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় ৮টি রাজ্যের নাগরিকদের মধ্যে একটি ব্যতিক্রমধর্মী মতামত জরিপ চালিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে। জরিপের ফলাফল ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করেছে ইন্ডিয়া টুডে এনই।
‘ইন্ডিয়া টুডে মোড অব দ্য নর্থ–ইস্ট’ শীর্ষক জরিপে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত সরকারের আশ্রয় দেওয়া প্রসঙ্গে আপনার মতামত কী?
জরিপে তিনটি প্রধান অপশনে মতামত দিয়েছেন নাগরিকেরা। দেখা গেছে, ‘তিনি ভারতের মিত্র, তাঁকে আশ্রয় দেওয়া ঠিক আছে’—এই মতের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ২৩ শতাংশ উত্তরদাতা। আর এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
‘বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উন্নয়নের স্বার্থে তাঁকে ফেরত পাঠানো উচিত’—এই মতের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৫৫ শতাংশ, বিপক্ষে দিয়েছেন ২১ দশমিক ১ শতাংশ।
‘তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো উচিত নয়, বরং অন্য দেশে চলে যেতে বলা যেতে পারে’—এই মতের পক্ষে মত দিয়েছেন ১৬ শতাংশ, বিপক্ষে মত দিয়েছেন ২৯ দশমিক ১ শতাংশ।
এখানে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো, ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলের নাগরিকদের মধ্যে উত্তরদাতাদের ৫৫ শতাংশ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ছাত্র–জনতার গণ–অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে দীর্ঘ ১৬ বছরের নিপীড়নমূলক এক শাসনের অবসান ঘটে। এরই মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে মামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাঁকে ফেরত দিতে ভারত সরকারকে চিঠি দিয়েছে। এ ছাড়া সেখানে থেকে প্রায়ই তিনি বক্তৃতা দিচ্ছেন। এ নিয়েও বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে অসন্তোষের কথা জানিয়েছে।

জাতীয় নানা ইস্যু নিয়ে নিয়মিত নাগরিকদের মধ্যে মতামত জরিপ চালায় ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে। এসব ইস্যুর মধ্যে থাকে, রাজনীতি, অর্থনীতি, কূটনীতি, বৈদেশিক নীতি ইত্যাদি।
চলতি ফেব্রুয়ারি ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় ৮টি রাজ্যের নাগরিকদের মধ্যে একটি ব্যতিক্রমধর্মী মতামত জরিপ চালিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে। জরিপের ফলাফল ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করেছে ইন্ডিয়া টুডে এনই।
‘ইন্ডিয়া টুডে মোড অব দ্য নর্থ–ইস্ট’ শীর্ষক জরিপে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত সরকারের আশ্রয় দেওয়া প্রসঙ্গে আপনার মতামত কী?
জরিপে তিনটি প্রধান অপশনে মতামত দিয়েছেন নাগরিকেরা। দেখা গেছে, ‘তিনি ভারতের মিত্র, তাঁকে আশ্রয় দেওয়া ঠিক আছে’—এই মতের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ২৩ শতাংশ উত্তরদাতা। আর এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
‘বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উন্নয়নের স্বার্থে তাঁকে ফেরত পাঠানো উচিত’—এই মতের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৫৫ শতাংশ, বিপক্ষে দিয়েছেন ২১ দশমিক ১ শতাংশ।
‘তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো উচিত নয়, বরং অন্য দেশে চলে যেতে বলা যেতে পারে’—এই মতের পক্ষে মত দিয়েছেন ১৬ শতাংশ, বিপক্ষে মত দিয়েছেন ২৯ দশমিক ১ শতাংশ।
এখানে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো, ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলের নাগরিকদের মধ্যে উত্তরদাতাদের ৫৫ শতাংশ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ছাত্র–জনতার গণ–অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে দীর্ঘ ১৬ বছরের নিপীড়নমূলক এক শাসনের অবসান ঘটে। এরই মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে মামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাঁকে ফেরত দিতে ভারত সরকারকে চিঠি দিয়েছে। এ ছাড়া সেখানে থেকে প্রায়ই তিনি বক্তৃতা দিচ্ছেন। এ নিয়েও বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে অসন্তোষের কথা জানিয়েছে।

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৩৯ মিনিট আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১ ঘণ্টা আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৪ ঘণ্টা আগে