জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় আপাতত তিহার জেলেই থাকতে হবে ভারতের দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। বুধবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বাড়ানোর আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের আগেই আবগারি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি দলের প্রধান কেজরিওয়াল। যদিও নির্বাচনের মাঝামাঝি অবস্থায়ই তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট। সেই জামিনেরই মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন এবার খারিজ হয়ে গেছে।
এর আগে গত রোববার অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় আত্মসমর্পণ করে আবারও কারাগারে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। বুধবার নতুন করে জামিনের মেয়াদ ৭ দিন বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে।
এবার জেলে ফিরে যাওয়ার আগে অনেকেই ভেবেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে স্ত্রী কিংবা দলের অন্য কোনো নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী করে যাবেন কেজরিওয়াল। তবে তেমন কিছুই হয়নি। আম আদমি পার্টির পক্ষ থেকেও বলে দেওয়া হয়েছে, আগের মতো জেলে বসেই সরকার চালাবেন তাদের নেতা।
তবে প্রশ্ন উঠেছে—জেলে যেহেতু মন্ত্রিসভার কোনো বৈঠক করা সম্ভব নয়, তাহলে জেলের ভেতর থেকে কীভাবে সরকার চালাবেন কেজরিওয়াল। আইন অনুযায়ী, অন্তত ২৫টি ক্ষেত্রে মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা সরাসরি উপ-রাজ্যপালের কাছে ফাইল পাঠাতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রীর সই ছাড়া। সেই সই মুখ্যমন্ত্রী জেলে বসে কীভাবে করবেন?
ফাইল পাস না হলে সিদ্ধান্তও কার্যকর করতে পারবে না দিল্লির সরকার। তাই দিল্লির সরকার পরিচালনা নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় সরকারি কাজে বিঘ্ন ঘটার কারণ দেখিয়ে উপ-রাজ্যপাল কেন্দ্রের কাছে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কলকাতায় চিকিৎসা পর্যটনে ধস নামার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং রোগীদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতার বড় হাসপাতালগুলো। বাংলাদেশে দল পাঠানো থেকে শুরু করে সংলগ্ন এলাকার বৈধ হোটেলগুলোর সঙ্গে চুক্তি—হরেক রকমের উদ্যোগ নিচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের সাগর জেলায় বিষাক্ত মদ পানে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও দশজনেরও বেশি মানুষ।
২ ঘণ্টা আগে
মাদকসংক্রান্ত অপরাধের দায়ে মিসরের টেলিভিশন উপস্থাপক সারা খলিফাসহ ১১ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদপত্র আল-আহরাম-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁরা একটি অপরাধী চক্রের সদস্য ছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
নিখোঁজ ছেলেকে মৃত মনে করে ধর্মীয় আচার মেনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছিল পরিবার। শোকে আচ্ছন্ন পরিবারটি যখন সান্ত্বনা খোঁজার চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই একটি অপ্রত্যাশিত টেলিফোন কল তাঁদের পুরো পৃথিবী বদলে দিল।
২ ঘণ্টা আগে